২৫ অগাস্ট ২০২৬, মঙ্গলবার, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
২৫ অগাস্ট ২০২৬, মঙ্গলবার, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩

কোচবিহারের একাধিক গ্রামকে আদর্শ গ্রাম গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত

নতুন গতি প্রতিবেদন, কোচবিহার: কোচবিহারের ৬০৬টি গ্রামকে আদর্শ গ্রাম হিসেবে গড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের পিএম অজয় গ্রাম প্রকল্পের আওতায়। গড়ে ২০ লক্ষ টাকা করে খরচ হবে গ্রামপিছু। মোট হাজার কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ উঠবে জেলার ঝুলিতে। ইতিমধ্যেই সার্ভের কাজ চলছে বলে জানা গিয়েছে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত ১৫০টি গ্রামে সমীক্ষা শেষ হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে আওতায় থাকা গ্রামে যাবতীয় সমস্যা, প্রয়োজনীয় কাজ সংক্রান্ত সব তথ্য তুলে আনা হচ্ছে। এরপর শুরু হবে বাড়িতে বাড়িতে সার্ভের কাজ। রাস্তাঘাট, বিদ্যুৎ, পানীয় জল সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রকল্পগুলির তালিকা তৈরির পর তা পাশ হবে গ্রামসভায়। এরপর জেলাতে প্রকল্পের আওতায় থাকা কমিটিতে তা অনুমোদিত হওয়ার পর শুরু হবে কাজ।
এই প্রসঙ্গে অতিরিক্ত জেলাশাসক (উন্নয়ন) প্রীতম লিম্বু বলেছেন, “কেন্দ্রীয় সরকারের এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সকলেই মাঠে নেমে কাজ শুরু করেছে। চলতি আর্থিক বর্ষের মধ্যে যতটা সম্ভব গ্রামকে আদর্শ গ্রাম হিসেবে গড়ে তোলা হবে। বর্তমানে এই প্রকল্পের অধীনে যে গ্রামগুলো আছে, সেখানে কী কী করা প্রয়োজন, মানুষের কী চাহিদা রয়েছে, কোথায় ঘাটতি আছে, সেই সবকিছু দেখেই প্ল্যান এস্টিমেট তৈরি হবে।” প্রশাসন সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, সরকারি কর্মীদের প্রশিক্ষণের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে।

‘লক্ষ্মী’র বঞ্চনা পেরিয়ে ‘অন্নপূর্ণা’র স্বস্তি, ময়নায় মহিলাদের বিজয় মিছিল

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কোচবিহারের একাধিক গ্রামকে আদর্শ গ্রাম গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত

আপডেট : ২৫ অগাস্ট ২০২৬, মঙ্গলবার
নতুন গতি প্রতিবেদন, কোচবিহার: কোচবিহারের ৬০৬টি গ্রামকে আদর্শ গ্রাম হিসেবে গড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের পিএম অজয় গ্রাম প্রকল্পের আওতায়। গড়ে ২০ লক্ষ টাকা করে খরচ হবে গ্রামপিছু। মোট হাজার কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ উঠবে জেলার ঝুলিতে। ইতিমধ্যেই সার্ভের কাজ চলছে বলে জানা গিয়েছে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত ১৫০টি গ্রামে সমীক্ষা শেষ হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে আওতায় থাকা গ্রামে যাবতীয় সমস্যা, প্রয়োজনীয় কাজ সংক্রান্ত সব তথ্য তুলে আনা হচ্ছে। এরপর শুরু হবে বাড়িতে বাড়িতে সার্ভের কাজ। রাস্তাঘাট, বিদ্যুৎ, পানীয় জল সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রকল্পগুলির তালিকা তৈরির পর তা পাশ হবে গ্রামসভায়। এরপর জেলাতে প্রকল্পের আওতায় থাকা কমিটিতে তা অনুমোদিত হওয়ার পর শুরু হবে কাজ।
এই প্রসঙ্গে অতিরিক্ত জেলাশাসক (উন্নয়ন) প্রীতম লিম্বু বলেছেন, “কেন্দ্রীয় সরকারের এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সকলেই মাঠে নেমে কাজ শুরু করেছে। চলতি আর্থিক বর্ষের মধ্যে যতটা সম্ভব গ্রামকে আদর্শ গ্রাম হিসেবে গড়ে তোলা হবে। বর্তমানে এই প্রকল্পের অধীনে যে গ্রামগুলো আছে, সেখানে কী কী করা প্রয়োজন, মানুষের কী চাহিদা রয়েছে, কোথায় ঘাটতি আছে, সেই সবকিছু দেখেই প্ল্যান এস্টিমেট তৈরি হবে।” প্রশাসন সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, সরকারি কর্মীদের প্রশিক্ষণের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে।