২৫ অগাস্ট ২০২৬, মঙ্গলবার, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
২৫ অগাস্ট ২০২৬, মঙ্গলবার, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩

১০৫এ মুক্তির স্বাদ, চার দশক পর ঘরে রসিকচন্দ্র

মালদা: বয়স তখন ৭৪। সম্পত্তি নিয়ে বিবাদের জেরে নিজের ভাই সুরেশ মণ্ডলকে খুনের অভিযোগে ১৯৯৪ সালে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছিল মালদার মানিকচকের পশ্চিম নারায়ণপুরের বাসিন্দা রসিকচন্দ্র মণ্ডলের। দীর্ঘ প্রায় চার দশক পর, ১০৫ বছর বয়সে অবশেষে সম্পূর্ণ মুক্তির স্বাদ পেলেন তিনি। তাঁর বার্ধক্য ও শারীরিক অসুস্থতার কথা বিবেচনা করে যাবজ্জীবন সাজার বাকি সময় মকুব করেছে সুপ্রিম কোর্ট। স্বাভাবিকভাবেই খুশির হাওয়া পরিবারে।
দীর্ঘদিন কারাবন্দি থাকার পর ২০১৮ সালে মুক্তির দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন রসিকচন্দ্র। সেখান থেকে সুরাহা না মেলায় পরে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন। ২০২০ সালে ৯৯ বছর বয়সে আগাম মুক্তির আবেদন জানানো হয়। আবেদনে তাঁর চরম বার্ধক্য ও বয়সজনিত নানা শারীরিক সমস্যার কথা তুলে ধরা হয়েছিল।
২০২১ সালের মে মাসে বিষয়টি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে রিপোর্ট চায় শীর্ষ আদালত। দীর্ঘ শুনানির পর ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে তাঁকে অন্তর্বর্তী জামিনে মুক্তির নির্দেশ দেওয়া হয়। তারপর থেকেই জেলের বাইরে ছিলেন তিনি।
গত শুক্রবার তিন বিচারপতির বেঞ্চ মামলাটির চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করে। আদালত জানায়, রসিকচন্দ্রের বয়স ও শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে যাবজ্জীবন সাজার বাকি অংশ আর তাঁকে ভোগ করতে হবে না।
আজ স্মৃতিশক্তি অনেকটাই ক্ষীণ। স্পষ্ট করে কথাও বলতে পারেন না শতায়ু রসিকচন্দ্র। তবু দীর্ঘ বন্দিজীবনের শেষে জীবনের শেষ অধ্যায়টা এবার পরিবারের সঙ্গেই নিজের মতো করে কাটানোর সুযোগ পেলেন তিনি।

পাঁশকুড়ার বিডিও, সেচ দপ্তরের এসডিও এবং পৌরসভার প্রশাসকের নিকট ডেপুটেশন

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

১০৫এ মুক্তির স্বাদ, চার দশক পর ঘরে রসিকচন্দ্র

আপডেট : ২৫ অগাস্ট ২০২৬, মঙ্গলবার
মালদা: বয়স তখন ৭৪। সম্পত্তি নিয়ে বিবাদের জেরে নিজের ভাই সুরেশ মণ্ডলকে খুনের অভিযোগে ১৯৯৪ সালে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছিল মালদার মানিকচকের পশ্চিম নারায়ণপুরের বাসিন্দা রসিকচন্দ্র মণ্ডলের। দীর্ঘ প্রায় চার দশক পর, ১০৫ বছর বয়সে অবশেষে সম্পূর্ণ মুক্তির স্বাদ পেলেন তিনি। তাঁর বার্ধক্য ও শারীরিক অসুস্থতার কথা বিবেচনা করে যাবজ্জীবন সাজার বাকি সময় মকুব করেছে সুপ্রিম কোর্ট। স্বাভাবিকভাবেই খুশির হাওয়া পরিবারে।
দীর্ঘদিন কারাবন্দি থাকার পর ২০১৮ সালে মুক্তির দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন রসিকচন্দ্র। সেখান থেকে সুরাহা না মেলায় পরে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন। ২০২০ সালে ৯৯ বছর বয়সে আগাম মুক্তির আবেদন জানানো হয়। আবেদনে তাঁর চরম বার্ধক্য ও বয়সজনিত নানা শারীরিক সমস্যার কথা তুলে ধরা হয়েছিল।
২০২১ সালের মে মাসে বিষয়টি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে রিপোর্ট চায় শীর্ষ আদালত। দীর্ঘ শুনানির পর ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে তাঁকে অন্তর্বর্তী জামিনে মুক্তির নির্দেশ দেওয়া হয়। তারপর থেকেই জেলের বাইরে ছিলেন তিনি।
গত শুক্রবার তিন বিচারপতির বেঞ্চ মামলাটির চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করে। আদালত জানায়, রসিকচন্দ্রের বয়স ও শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে যাবজ্জীবন সাজার বাকি অংশ আর তাঁকে ভোগ করতে হবে না।
আজ স্মৃতিশক্তি অনেকটাই ক্ষীণ। স্পষ্ট করে কথাও বলতে পারেন না শতায়ু রসিকচন্দ্র। তবু দীর্ঘ বন্দিজীবনের শেষে জীবনের শেষ অধ্যায়টা এবার পরিবারের সঙ্গেই নিজের মতো করে কাটানোর সুযোগ পেলেন তিনি।