০১ অগাস্ট ২০২৬, শনিবার, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
০১ অগাস্ট ২০২৬, শনিবার, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

সমালোচনার প্রতিবাদে এবার মুখ খুললেন অপরাজিতা আঢ্য

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: সমাজমাধ্যমে চলা লাগাতার কটাক্ষের বিরুদ্ধে এবার সরাসরি নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছেন অপরাজিতা আঢ্য (Aparajita Adhya)। ফেডারেশন কর্তা স্বরূপ বিশ্বাসের গ্রেফতারি এবং প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের আইনি জটিলতার আবহে অভিনেত্রীর একটি পুরনো ‘ভাইফোঁটা’র ভিডিয়ো, ছবি নতুন করে ভাইরাল হয়েছে। তা নিয়েই নেটাগরিকদের একাংশের অশালীন আক্রমণের মুখে পড়তে হয়েছে তাঁকে। এই ট্রোলিংয়ের জবাবে রবিবার এক ভিডিয়ো বার্তায় নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন অভিনেত্রী। সৌজন্য এবং রাজনৈতিক সমর্থন যে এক জিনিস নয়, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি। কাজের লোভে তিনি রাজনৈতিক নেতাদের ঘনিষ্ঠ হন, এই অভিযোগের জবাবে তীব্র কটাক্ষ করেছেন অপরাজিতা।

ট্রোলারদের উদ্দেশ্যে তিনি সরাসরি বলেন, “সবাই কাজের লোভে মন্ত্রী-ঘনিষ্ঠ হলে সাংসদ শতাব্দী রায় সব ছবির নায়িকা হতেন। কারণ, দীর্ঘ অনেকগুলো বছর ধরে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ।” সায়নী ঘোষেরও কাজের অভাব হত না বলে জানান তিনি। নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে তিনি জানান, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বায়োপিক ‘দাদা’তে অভিনয়ের সুযোগ পাওয়ার আগে টানা ছ’মাস কোনও কাজ ছিল না তাঁর। মন্ত্রী-ঘনিষ্ঠ হলে তাঁকে এভাবে বসে থাকতে হত না বলেই দাবি অভিনেত্রীর।

নেটিজেনদের কুরুচিকর মন্তব্যের জেরে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “ছোট থেকে সৌজন্য শিখিয়েছেন বড়রা। সৌজন্য শব্দটাই তো এখন হারিয়ে গিয়েছে।” তাঁর কথায় “কোনও মন্ত্রী যদি ভাইফোঁটার অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ করেন তাহলে সৌজন্যবোধ দেখানোটা আমাদের কর্তব্য”। মুখ্যমন্ত্রীর বিজয়া দশমীর অনুষ্ঠানে প্রথিতযশা শিল্পীদের উপস্থিতির উদাহরণ টেনে তিনি প্রশ্ন তোলেন, তাঁদের কীসের লোভ ছিল? আমন্ত্রণ রক্ষা করা যে একটি সামাজিক শিষ্টাচার, তা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি স্পষ্ট জানান, “আগামীদিনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বা তাঁর কোনও মন্ত্রী আমন্ত্রণ জানালেও আমি যাব। এটাই ভদ্রতা বা সৌজন্যবোধ।”

সর্বাধিক পাঠিত

নিট কেলেঙ্কারি কাণ্ডে সাংবাদিকদের উপর হামলার প্রতিবাদে বারুইপুর প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে এসপি অফিসে ডেপুটেশন

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

সমালোচনার প্রতিবাদে এবার মুখ খুললেন অপরাজিতা আঢ্য

আপডেট : ৯ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: সমাজমাধ্যমে চলা লাগাতার কটাক্ষের বিরুদ্ধে এবার সরাসরি নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছেন অপরাজিতা আঢ্য (Aparajita Adhya)। ফেডারেশন কর্তা স্বরূপ বিশ্বাসের গ্রেফতারি এবং প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের আইনি জটিলতার আবহে অভিনেত্রীর একটি পুরনো ‘ভাইফোঁটা’র ভিডিয়ো, ছবি নতুন করে ভাইরাল হয়েছে। তা নিয়েই নেটাগরিকদের একাংশের অশালীন আক্রমণের মুখে পড়তে হয়েছে তাঁকে। এই ট্রোলিংয়ের জবাবে রবিবার এক ভিডিয়ো বার্তায় নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন অভিনেত্রী। সৌজন্য এবং রাজনৈতিক সমর্থন যে এক জিনিস নয়, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি। কাজের লোভে তিনি রাজনৈতিক নেতাদের ঘনিষ্ঠ হন, এই অভিযোগের জবাবে তীব্র কটাক্ষ করেছেন অপরাজিতা।

ট্রোলারদের উদ্দেশ্যে তিনি সরাসরি বলেন, “সবাই কাজের লোভে মন্ত্রী-ঘনিষ্ঠ হলে সাংসদ শতাব্দী রায় সব ছবির নায়িকা হতেন। কারণ, দীর্ঘ অনেকগুলো বছর ধরে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ।” সায়নী ঘোষেরও কাজের অভাব হত না বলে জানান তিনি। নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে তিনি জানান, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বায়োপিক ‘দাদা’তে অভিনয়ের সুযোগ পাওয়ার আগে টানা ছ’মাস কোনও কাজ ছিল না তাঁর। মন্ত্রী-ঘনিষ্ঠ হলে তাঁকে এভাবে বসে থাকতে হত না বলেই দাবি অভিনেত্রীর।

নেটিজেনদের কুরুচিকর মন্তব্যের জেরে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “ছোট থেকে সৌজন্য শিখিয়েছেন বড়রা। সৌজন্য শব্দটাই তো এখন হারিয়ে গিয়েছে।” তাঁর কথায় “কোনও মন্ত্রী যদি ভাইফোঁটার অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ করেন তাহলে সৌজন্যবোধ দেখানোটা আমাদের কর্তব্য”। মুখ্যমন্ত্রীর বিজয়া দশমীর অনুষ্ঠানে প্রথিতযশা শিল্পীদের উপস্থিতির উদাহরণ টেনে তিনি প্রশ্ন তোলেন, তাঁদের কীসের লোভ ছিল? আমন্ত্রণ রক্ষা করা যে একটি সামাজিক শিষ্টাচার, তা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি স্পষ্ট জানান, “আগামীদিনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বা তাঁর কোনও মন্ত্রী আমন্ত্রণ জানালেও আমি যাব। এটাই ভদ্রতা বা সৌজন্যবোধ।”