২৭ অক্টোবর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১০ কার্তিক ১৪৩৩
২৭ অক্টোবর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

বেআইনি নেশা মুক্তি কেন্দ্রে চিকিৎসার নামে যুবকের মৃত্যুর অভিযোগ, পড়া হলো দেহ লোপাটের চেষ্টা, কবর থেকে দেহ তুলে ময়নাতদন্তের দাবি

মালদা: নেশামুক্তি কেন্দ্রে এক মাদকাসক্ত যুবককে বেধরক মারধর করে মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার তুলসীহাটা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার তুলসীহাটা নেশা মুক্তি কেন্দ্রের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার।মৃত যুবকের নাম শওকত আলী (৩২)।বাড়ি হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকার সদলিচক গ্রাম পঞ্চায়েতের তালগ্রাম হাটে।এমনকি ওই মাদকাসক্ত যুবকের দেহ লোপাট করার অভিযোগ উঠেছে ওই কেন্দ্রের বিরুদ্ধে।এদিন যুবকটির দেহ পরিক্ষা করার জন্য হরিশচন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃতদেহ পরীক্ষা করার আগেই ওই ব্যক্তির দেহ গাড়িতে করে নিয়ে চম্পট দেয় কেন্দ্রের কর্মকর্তারা বলে অভিযোগ।ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল তুলসিহাটায় তদন্তে গেলে মৃত দেহ লুকিয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয়।এমনকি তড়িঘড়ি করে মৃতদেহটি পরিবারের লোকের হাতে তুলে দেওয়া হয় এবং পরিবারটিকে হুমকি দেওয়া হয় প্রকাশ্যে মুখ না খুলতে।পরিবারের লোকেরা দেরি না করে মৃতদেহ কবরস্থ করে দেয় বলে খবর।নেশা মুক্তি কেন্দ্রের কর্মকর্তাদের চাপে ওই মৃত ব্যক্তির পরিবার পুলিশের কাছেও অভিযোগ জানায়নি।হয়নি দেহটির ময়নাতদন্ত।

এই ঘটনা নিয়ে নেশা মুক্তি কেন্দ্রের কর্ণধারের একটি অডিও রেকর্ডিং ভাইরাল হয়েছে।গোটা ঘটনা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকায়।সব জেনেও
পুলিশ প্রশাসন কেন চুপ রয়েছে এই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এলাকার বাসিন্দা এবং রাজনৈতিক দলের নেতারা।

 

খাড়গের বাসভবনের সামনে বিজেপির বিক্ষোভ, আটক করা হয় প্রায় ২০০০ জনকে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বেআইনি নেশা মুক্তি কেন্দ্রে চিকিৎসার নামে যুবকের মৃত্যুর অভিযোগ, পড়া হলো দেহ লোপাটের চেষ্টা, কবর থেকে দেহ তুলে ময়নাতদন্তের দাবি

আপডেট : ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২২, সোমবার

মালদা: নেশামুক্তি কেন্দ্রে এক মাদকাসক্ত যুবককে বেধরক মারধর করে মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার তুলসীহাটা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার তুলসীহাটা নেশা মুক্তি কেন্দ্রের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার।মৃত যুবকের নাম শওকত আলী (৩২)।বাড়ি হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকার সদলিচক গ্রাম পঞ্চায়েতের তালগ্রাম হাটে।এমনকি ওই মাদকাসক্ত যুবকের দেহ লোপাট করার অভিযোগ উঠেছে ওই কেন্দ্রের বিরুদ্ধে।এদিন যুবকটির দেহ পরিক্ষা করার জন্য হরিশচন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃতদেহ পরীক্ষা করার আগেই ওই ব্যক্তির দেহ গাড়িতে করে নিয়ে চম্পট দেয় কেন্দ্রের কর্মকর্তারা বলে অভিযোগ।ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল তুলসিহাটায় তদন্তে গেলে মৃত দেহ লুকিয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয়।এমনকি তড়িঘড়ি করে মৃতদেহটি পরিবারের লোকের হাতে তুলে দেওয়া হয় এবং পরিবারটিকে হুমকি দেওয়া হয় প্রকাশ্যে মুখ না খুলতে।পরিবারের লোকেরা দেরি না করে মৃতদেহ কবরস্থ করে দেয় বলে খবর।নেশা মুক্তি কেন্দ্রের কর্মকর্তাদের চাপে ওই মৃত ব্যক্তির পরিবার পুলিশের কাছেও অভিযোগ জানায়নি।হয়নি দেহটির ময়নাতদন্ত।

এই ঘটনা নিয়ে নেশা মুক্তি কেন্দ্রের কর্ণধারের একটি অডিও রেকর্ডিং ভাইরাল হয়েছে।গোটা ঘটনা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকায়।সব জেনেও
পুলিশ প্রশাসন কেন চুপ রয়েছে এই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এলাকার বাসিন্দা এবং রাজনৈতিক দলের নেতারা।