০৯ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩
০৯ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

মর্গে এসি বিকল, পচা গন্ধে অতিষ্ঠ জলপাইগুড়ির বাসিন্দারা

জলপাইগুড়ি: মর্গে মৃতদেহের স্তূপ। তার উপর প্রায় দু’সপ্তাহ ধরে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) বিকল। ফলে পচা গন্ধে নাভিশ্বাস উঠছে জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের আশপাশের বাসিন্দাদের। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে দাবিদারহীন দেহ সরানো না হওয়ায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়েছে। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এসি মেরামতের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। জলপাইগুড়ি জেলা হাসপাতাল ও সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে দু’টি মর্গ রয়েছে। মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালে রাজ্য সরকারের ৮০ লক্ষ টাকা বরাদ্দে জেলা হাসপাতালে ১৬টি মৃতদেহ রাখার চেম্বার-সহ মর্গ তৈরি হয়। পরে মৃতদেহের সংখ্যা বাড়ায় সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ৩০টি দেহ রাখার ক্ষমতাসম্পন্ন মর্গ তৈরি করা হয়। বর্তমানে দু’টি মর্গ মিলিয়ে ৪৬টি মৃতদেহ রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মর্গকর্মীদের দাবি, গত এক বছরে একটি দেহও সরানো হয়নি। অথচ নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের পর দাবিদারহীন দেহ সৎকারের ব্যবস্থা করার কথা। কেন সেই নিয়ম মানা হচ্ছে না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সঞ্জয়নগর কলোনি-সহ আশপাশের বাসিন্দারা দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ। অনিতা সেন বলেন, “মর্গ থেকে বাড়ি দূরে হলেও গন্ধে দরজা-জানলা বন্ধ রাখতে হয়।” পবিত্র ভট্টাচার্যের অভিযোগ, আগেও এমন পরিস্থিতি হয়েছিল। মেডিক্যাল কলেজের রোগীকল্যাণ সমিতির সভাপতি তথা বিজেপি বিধায়ক অনন্তদেব অধিকারী বলেন, “মর্গের হিমায়ন ব্যবস্থার সমস্যা দীর্ঘদিনের। সমাধানে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলব।”

সংবিধান হাতে, জ্ঞানেশের পদত্যাগের দাবিতে দুর্গাপুরে কংগ্রেসের মিছিল

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মর্গে এসি বিকল, পচা গন্ধে অতিষ্ঠ জলপাইগুড়ির বাসিন্দারা

আপডেট : ৯ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার
জলপাইগুড়ি: মর্গে মৃতদেহের স্তূপ। তার উপর প্রায় দু’সপ্তাহ ধরে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) বিকল। ফলে পচা গন্ধে নাভিশ্বাস উঠছে জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের আশপাশের বাসিন্দাদের। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে দাবিদারহীন দেহ সরানো না হওয়ায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়েছে। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এসি মেরামতের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। জলপাইগুড়ি জেলা হাসপাতাল ও সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে দু’টি মর্গ রয়েছে। মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালে রাজ্য সরকারের ৮০ লক্ষ টাকা বরাদ্দে জেলা হাসপাতালে ১৬টি মৃতদেহ রাখার চেম্বার-সহ মর্গ তৈরি হয়। পরে মৃতদেহের সংখ্যা বাড়ায় সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ৩০টি দেহ রাখার ক্ষমতাসম্পন্ন মর্গ তৈরি করা হয়। বর্তমানে দু’টি মর্গ মিলিয়ে ৪৬টি মৃতদেহ রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মর্গকর্মীদের দাবি, গত এক বছরে একটি দেহও সরানো হয়নি। অথচ নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের পর দাবিদারহীন দেহ সৎকারের ব্যবস্থা করার কথা। কেন সেই নিয়ম মানা হচ্ছে না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সঞ্জয়নগর কলোনি-সহ আশপাশের বাসিন্দারা দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ। অনিতা সেন বলেন, “মর্গ থেকে বাড়ি দূরে হলেও গন্ধে দরজা-জানলা বন্ধ রাখতে হয়।” পবিত্র ভট্টাচার্যের অভিযোগ, আগেও এমন পরিস্থিতি হয়েছিল। মেডিক্যাল কলেজের রোগীকল্যাণ সমিতির সভাপতি তথা বিজেপি বিধায়ক অনন্তদেব অধিকারী বলেন, “মর্গের হিমায়ন ব্যবস্থার সমস্যা দীর্ঘদিনের। সমাধানে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলব।”