০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রবিবার, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩
০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রবিবার, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩

উচ্চশিক্ষায় অর্থনৈতিক বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে হাই মাদ্রাসা পরীক্ষায় রাজ্যে পঞ্চম শিয়াতুন ও ষষ্ঠ মুস্তাফিজুরের

রহমতুল্লাহ, মুর্শিদাবাদ : বেঙ্গল মাদ্রাসা এডুকেশন ফোরামের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেওয়া হলো হাই মাদ্রাসা পরীক্ষায় রাজ্যে পঞ্চম স্থানাধিকারিনী শিয়াতুন নেশা এবং ষষ্ঠ স্থান অধিকারী মুস্তাফিজুর রহমানকে ।শিয়াতুন নেশা বড় হয়ে ডাক্তার হতে চান, তার প্রাপ্ত নম্বর ৭৬৯ এবং মুস্তাফিজুর রহমান ভবিষ্যতে ডাব্লুউ বিসিএস অফিসার হতে চান, তার প্রাপ্ত নম্বর ৭৬৮ ৷সংবর্ধনা দিতে উপস্থিত ছিলেন ফোরামের রাজ্য কোষাধ্যক্ষ মোঃ কাইসার রসিদ মাখন , আশিকুল আলম, ফিরোজ আলী ও লালগোলা ব্লকের ফোরাম নেতৃত্বগণের মধ্যে হাজিকুল ইসলাম,মইন ইসলাম সিরাজাম মুনির ও অন্যান্যরা ৷সূত্রের খবর শিয়াতুন নেসার পরিবার অতি দারিদ্র্য সীমার মধ্যে বসবাস করে ! বাবা ব্যাঙ্গালোরে রাজমিস্ত্রির কাজ করেন ৷ তিন ভাইবোন তার মধ্যে শিয়াতুন বড় ৷সে ভবিষ্যতে বড় হয়ে চিকিৎসক হতে চান,কিন্তু অর্থনৈতিক অবস্থা এখন বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে ! শিয়াতুনের পরিবার চাইছে, তার ভবিষ্যত গড়তে অর্থনৈতিকভাবে কোন মানবদরদী ব্যক্তি যেন তাদের পাশে দাঁড়াই ৷অপরদিকে মুস্তাফিজুর রহমানও দরিদ্র পরিবারের সন্তান সে বড় হয়ে আমলা হতে চান !তার ভবিষ্যৎ পড়াশোনার খরচ জোগাড় করতে চিন্তার ভাঁজ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের কপালে ৷এখন দেখা যাক আর পাঁচটা সংখ্যালঘু পরিবারের মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে সঙ্গে শিয়াতুন ও মুস্তাফিজুরের জন্য কে বা কারা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন!

সর্বাধিক পাঠিত

শিক্ষক দিবস উদযাপন : সেবাব্রত ইনস্টিটিউট অফ নার্সিং

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

উচ্চশিক্ষায় অর্থনৈতিক বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে হাই মাদ্রাসা পরীক্ষায় রাজ্যে পঞ্চম শিয়াতুন ও ষষ্ঠ মুস্তাফিজুরের

আপডেট : ২ জুন ২০২২, বৃহস্পতিবার

রহমতুল্লাহ, মুর্শিদাবাদ : বেঙ্গল মাদ্রাসা এডুকেশন ফোরামের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেওয়া হলো হাই মাদ্রাসা পরীক্ষায় রাজ্যে পঞ্চম স্থানাধিকারিনী শিয়াতুন নেশা এবং ষষ্ঠ স্থান অধিকারী মুস্তাফিজুর রহমানকে ।শিয়াতুন নেশা বড় হয়ে ডাক্তার হতে চান, তার প্রাপ্ত নম্বর ৭৬৯ এবং মুস্তাফিজুর রহমান ভবিষ্যতে ডাব্লুউ বিসিএস অফিসার হতে চান, তার প্রাপ্ত নম্বর ৭৬৮ ৷সংবর্ধনা দিতে উপস্থিত ছিলেন ফোরামের রাজ্য কোষাধ্যক্ষ মোঃ কাইসার রসিদ মাখন , আশিকুল আলম, ফিরোজ আলী ও লালগোলা ব্লকের ফোরাম নেতৃত্বগণের মধ্যে হাজিকুল ইসলাম,মইন ইসলাম সিরাজাম মুনির ও অন্যান্যরা ৷সূত্রের খবর শিয়াতুন নেসার পরিবার অতি দারিদ্র্য সীমার মধ্যে বসবাস করে ! বাবা ব্যাঙ্গালোরে রাজমিস্ত্রির কাজ করেন ৷ তিন ভাইবোন তার মধ্যে শিয়াতুন বড় ৷সে ভবিষ্যতে বড় হয়ে চিকিৎসক হতে চান,কিন্তু অর্থনৈতিক অবস্থা এখন বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে ! শিয়াতুনের পরিবার চাইছে, তার ভবিষ্যত গড়তে অর্থনৈতিকভাবে কোন মানবদরদী ব্যক্তি যেন তাদের পাশে দাঁড়াই ৷অপরদিকে মুস্তাফিজুর রহমানও দরিদ্র পরিবারের সন্তান সে বড় হয়ে আমলা হতে চান !তার ভবিষ্যৎ পড়াশোনার খরচ জোগাড় করতে চিন্তার ভাঁজ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের কপালে ৷এখন দেখা যাক আর পাঁচটা সংখ্যালঘু পরিবারের মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে সঙ্গে শিয়াতুন ও মুস্তাফিজুরের জন্য কে বা কারা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন!