১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩

দুয়ারে ভর্তি করণ কর্মসূচি ধলহারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে

নিজস্ব প্রতিবেদক, কেশপুর : করোনা পরিস্থিতিতে স্কুলের পঠন পাঠন বন্ধ। নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ধলহারা প্রাথমিক বিদ্যালয় এক অভিনব উদ্যোগ গ্ৰহন করলেন।ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অমিত কুমার পাত্রের নেতৃত্বে সমস্ত শিক্ষক- শিক্ষিকাগন রুটিন করে বাড়ি বাড়ি প্রচার শুরু করলেন। এছাড়াও শিক্ষকরা কোন শিশু ভর্তি হতে বাকি রয়ে গেল নাকি বা স্কুলের শিশুরা কেমন আছে এসমস্ত খোঁজখবর নিলেন। যেহেতু এখন পঠনপাঠন স্কুলে বন্ধ,এবং এখন নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু, সেই কারণেই এই উদ্যোগ বলে জানিয়েছেন প্রধান শিক্ষক। এছাড়াও তিনি বলেন, লকডাউনে অনেক পড়ুয়া পড়া ছেড়ে কাজে চলে যাচ্ছে। তা রদ করা যাবে এর ফলে বলে তিনি জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে তিনি শিশু ও অভিভাবকদের বোঝালেন কেন স্কুলে যাওয়া জরুরী।

গ্রামে গিয়ে শিক্ষকেরা অভিভাবকদের বোঝান স্কুলে গেলে কি কি সুবিধা পাবে পড়ুয়ারা। স্কুলে ভর্তির জন্য কোন ফি লাগবে না । বিনামূল্যে বই, খাতা , বছরে দু সেট পোশাক, জুতো পাবে। শিশুরা প্রতিদিন দুপুরে পুষ্টিকর খাবার পাবে। এছাড়াও শিশুদের আয়রন ট্যাবলেট দেওয়া হবে। এমন কর্মসূচির জন্য স্কুলের শিক্ষকদের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন এলাকাবাসী।

সর্বাধিক পাঠিত

মহিলা এশিয়া কাপ ২০২৬ সেমিফাইনাল সূচি: ভারতের ম্যাচের সময়, ভেন্যু, স্ট্রিমিংয়ের বিবরণ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

দুয়ারে ভর্তি করণ কর্মসূচি ধলহারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে

আপডেট : ১১ জানুয়ারী ২০২২, মঙ্গলবার

নিজস্ব প্রতিবেদক, কেশপুর : করোনা পরিস্থিতিতে স্কুলের পঠন পাঠন বন্ধ। নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ধলহারা প্রাথমিক বিদ্যালয় এক অভিনব উদ্যোগ গ্ৰহন করলেন।ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অমিত কুমার পাত্রের নেতৃত্বে সমস্ত শিক্ষক- শিক্ষিকাগন রুটিন করে বাড়ি বাড়ি প্রচার শুরু করলেন। এছাড়াও শিক্ষকরা কোন শিশু ভর্তি হতে বাকি রয়ে গেল নাকি বা স্কুলের শিশুরা কেমন আছে এসমস্ত খোঁজখবর নিলেন। যেহেতু এখন পঠনপাঠন স্কুলে বন্ধ,এবং এখন নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু, সেই কারণেই এই উদ্যোগ বলে জানিয়েছেন প্রধান শিক্ষক। এছাড়াও তিনি বলেন, লকডাউনে অনেক পড়ুয়া পড়া ছেড়ে কাজে চলে যাচ্ছে। তা রদ করা যাবে এর ফলে বলে তিনি জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে তিনি শিশু ও অভিভাবকদের বোঝালেন কেন স্কুলে যাওয়া জরুরী।

গ্রামে গিয়ে শিক্ষকেরা অভিভাবকদের বোঝান স্কুলে গেলে কি কি সুবিধা পাবে পড়ুয়ারা। স্কুলে ভর্তির জন্য কোন ফি লাগবে না । বিনামূল্যে বই, খাতা , বছরে দু সেট পোশাক, জুতো পাবে। শিশুরা প্রতিদিন দুপুরে পুষ্টিকর খাবার পাবে। এছাড়াও শিশুদের আয়রন ট্যাবলেট দেওয়া হবে। এমন কর্মসূচির জন্য স্কুলের শিক্ষকদের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন এলাকাবাসী।