১৮ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার, ১ কার্তিক ১৪৩৩
১৮ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার, ১ কার্তিক ১৪৩৩

নবমী ও দশমী নিহতদের বাড়ি যাবেন মুখ্যমন্ত্রী

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: দুর্গাপূজোর আবহে রাজ্য রাজনীতির অন্যতম বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে চোরবাগান বিপর্যয়। ইতিমধ্যেই শনিবার, তথা ঘটনার দিনই, কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতির নেতৃত্বে সিট গঠন করে তদন্তের নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি, আলাদা করে ভিআইপি লাইন পুরোপুরি বন্ধ এবং আগামী ২০ অক্টোবর পর্যন্ত মন্ডপ লাগোয়া এলাকায় ১৬৩ ধারা জারির মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশও দিয়েছেন।

রবিবার ভবানী ভবনে জরুরি বৈঠক ডাকেন মুখ্যমন্ত্রী। তাতে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যসচিব, এসপি, সিপি সহ রাজ্যের উচ্চপর্যায়ের পুলিশ কর্তারা। এরপর বৈঠক শেষে শুভেন্দু অধিকারী সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন এবং জানান যে নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে এই বিশেষ তদন্তকারী দলে থাকছেন না কলকাতা পুলিশ, কলকাতা পুরসভা ও দমকলের কোনও প্রতিনিধি। তবে থাকতে পারেন এনডিআরএফের প্রতিনিধিও। তাঁর সংযোজন, “হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে চিঠি লিখব। উনি রাজি না হলে কোনও অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিকে এই দায়িত্ব দেওয়া হবে।”

তিনি আরও জানান, “২৫ জনকে বাঁচানো সম্ভব হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর দেহ পরিবারের সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। এই কাজ ম্যাজিস্ট্রেট পদমর্যাদার অফিসাররা করবেন। নবমী ও দশমীর দিন নিহতদের বাড়ি যাব। দূরের জেলায় যেতে হেলিকপ্টার ও কাছাকাছি যেতে গাড়ির ব্যবহার করব।”

আরশোলাদের বিক্ষোভে হিন্দু বিরোধী স্লোগান দেওয়ার অপরাধে ৩০০ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

নবমী ও দশমী নিহতদের বাড়ি যাবেন মুখ্যমন্ত্রী

আপডেট : ১৮ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: দুর্গাপূজোর আবহে রাজ্য রাজনীতির অন্যতম বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে চোরবাগান বিপর্যয়। ইতিমধ্যেই শনিবার, তথা ঘটনার দিনই, কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতির নেতৃত্বে সিট গঠন করে তদন্তের নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি, আলাদা করে ভিআইপি লাইন পুরোপুরি বন্ধ এবং আগামী ২০ অক্টোবর পর্যন্ত মন্ডপ লাগোয়া এলাকায় ১৬৩ ধারা জারির মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশও দিয়েছেন।

রবিবার ভবানী ভবনে জরুরি বৈঠক ডাকেন মুখ্যমন্ত্রী। তাতে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যসচিব, এসপি, সিপি সহ রাজ্যের উচ্চপর্যায়ের পুলিশ কর্তারা। এরপর বৈঠক শেষে শুভেন্দু অধিকারী সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন এবং জানান যে নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে এই বিশেষ তদন্তকারী দলে থাকছেন না কলকাতা পুলিশ, কলকাতা পুরসভা ও দমকলের কোনও প্রতিনিধি। তবে থাকতে পারেন এনডিআরএফের প্রতিনিধিও। তাঁর সংযোজন, “হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে চিঠি লিখব। উনি রাজি না হলে কোনও অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিকে এই দায়িত্ব দেওয়া হবে।”

তিনি আরও জানান, “২৫ জনকে বাঁচানো সম্ভব হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর দেহ পরিবারের সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। এই কাজ ম্যাজিস্ট্রেট পদমর্যাদার অফিসাররা করবেন। নবমী ও দশমীর দিন নিহতদের বাড়ি যাব। দূরের জেলায় যেতে হেলিকপ্টার ও কাছাকাছি যেতে গাড়ির ব্যবহার করব।”