কোচবিহার: আকাশে সাদা মেঘের ভেলা, কাশফুলের দোলা আর বাতাসে আগমনী সুর। আর মাত্র ৯ দিন পরই বাঙালির ঘরে আসছেন উমা। সপরিবারে কৈলাস ছেড়ে মণ্ডপে মণ্ডপে পা রাখবেন দেবী দুর্গা। সেই অপেক্ষায় এখন চরম ব্যস্ততা কোচবিহারের কুমোরটুলিতে।
মাথাভাঙ্গার এ্যালংমারি এলাকায় মৃৎশিল্পী নির্মল পাল ও জগন্নাথ পাল পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দিনরাত এক করে প্রতিমা তৈরির কাজে ব্যস্ত। খড় দিয়ে কাঠামো তৈরি, দড়ির বাঁধন, মাটির প্রলেপ, খড়িমাটি, রং, চক্ষুদান থেকে শুরু করে শাড়ি, গয়না ও চালচিত্রে সাজানো—প্রতিটি ধাপই চলছে দ্রুতগতিতে।
কারিগর থেকে মালিকপক্ষ—সবার লক্ষ্য একটাই, ষষ্ঠীর আগেই প্রতিমাকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দিয়ে পুজো উদ্যোক্তাদের হাতে তুলে দেওয়া। কথা বলারও যেন সময় নেই। শিল্পীদের মুখে হাসি, কিন্তু ব্যস্ততার ছাপ স্পষ্ট। তাঁদের কথায়, “এখন কথা বলার সময় নেই, দশমীর পরে আসবেন।”
খড়-মাটির অবয়ব ছেড়ে ধীরে ধীরে প্রাণ পাচ্ছেন দেবী। শেষ মুহূর্তের চক্ষুদান ও সাজসজ্জা পেরিয়ে সেই প্রতিমাই এবার উঠবে মণ্ডপে। ঢাকের বোল, শঙ্খধ্বনি আর ‘যা দেবী সর্বভূতেষু’ মন্ত্রোচ্চারণে বরণ করে নেওয়া হবে উমাকে।
নতুন গতি 





















