০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সোমবার, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সোমবার, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩

চুঁচুড়য় সরকারি বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ ভবন ও গাছ ভেঙে পড়ায় আতঙ্কে পড়ুয়ারা

আব্দুল গফফার, নতুন গতি: দুই শতাব্দীরও বেশি পুরনো হুগলি কলিজিয়েট স্কুলে পড়ুয়াদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। টানা বৃষ্টিতে স্কুল চত্বরে ভেঙে পড়েছে জরাজীর্ণ পুরনো ভবনের একাংশ। এর মধ্যেই গত বুধবার একটি কৃষ্ণচূড়া গাছের মোটা ডাল ভেঙে পড়েছে। অভিযোগ, বিষয়টি নিয়ে একাধিক দপ্তরে চিঠি দিয়েও এখনও কোনও ব্যবস্থা হয়নি। ১৮১২ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সরকারি স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা প্রায় ১২০০। সকালে প্রাথমিক বিভাগ এবং দিনে হাইস্কুল চলে। মূল ফটক দিয়ে ঢোকার ডান দিকে থাকা পুরনো ভবনটি দীর্ঘদিন ধরেই জরাজীর্ণ। সেটি ভেঙে সরিয়ে ফেলার জন্য আগেই আবেদন করা হলেও কাজ হয়নি।
এদিকে যে জায়গায় পড়ুয়ারা প্রার্থনা করে, তার কাছেই গাছের ভাঙা ডাল পড়ে রয়েছে। ফলে স্কুলে ঢোকা-বেরোনোর ক্ষেত্রেও সমস্যায় পড়তে হচ্ছে পড়ুয়া ও শিক্ষক-শিক্ষিকাদের। স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, পূর্ত দপ্তর, শিক্ষা দপ্তর ও বিকাশ ভবন-সহ সংশ্লিষ্ট মহলে বিষয়টি জানানো হয়েছে। কিন্তু এখনও কোনও কার্যকর পদক্ষেপ হয়নি। পরিস্থিতিতে অভিভাবকদের আশঙ্কা, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে যে কোনও সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। বিষয়টি নিয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক বা কর্তৃপক্ষের কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

দলীপ ট্রফির ফাইনাল রবিবার, ১০০তম প্রথম-শ্রেণির ম্যাচ পূর্ণ করার সময় শামীকে অভিনন্দন জানাবে সিএবি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

চুঁচুড়য় সরকারি বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ ভবন ও গাছ ভেঙে পড়ায় আতঙ্কে পড়ুয়ারা

আপডেট : ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সোমবার
আব্দুল গফফার, নতুন গতি: দুই শতাব্দীরও বেশি পুরনো হুগলি কলিজিয়েট স্কুলে পড়ুয়াদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। টানা বৃষ্টিতে স্কুল চত্বরে ভেঙে পড়েছে জরাজীর্ণ পুরনো ভবনের একাংশ। এর মধ্যেই গত বুধবার একটি কৃষ্ণচূড়া গাছের মোটা ডাল ভেঙে পড়েছে। অভিযোগ, বিষয়টি নিয়ে একাধিক দপ্তরে চিঠি দিয়েও এখনও কোনও ব্যবস্থা হয়নি। ১৮১২ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সরকারি স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা প্রায় ১২০০। সকালে প্রাথমিক বিভাগ এবং দিনে হাইস্কুল চলে। মূল ফটক দিয়ে ঢোকার ডান দিকে থাকা পুরনো ভবনটি দীর্ঘদিন ধরেই জরাজীর্ণ। সেটি ভেঙে সরিয়ে ফেলার জন্য আগেই আবেদন করা হলেও কাজ হয়নি।
এদিকে যে জায়গায় পড়ুয়ারা প্রার্থনা করে, তার কাছেই গাছের ভাঙা ডাল পড়ে রয়েছে। ফলে স্কুলে ঢোকা-বেরোনোর ক্ষেত্রেও সমস্যায় পড়তে হচ্ছে পড়ুয়া ও শিক্ষক-শিক্ষিকাদের। স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, পূর্ত দপ্তর, শিক্ষা দপ্তর ও বিকাশ ভবন-সহ সংশ্লিষ্ট মহলে বিষয়টি জানানো হয়েছে। কিন্তু এখনও কোনও কার্যকর পদক্ষেপ হয়নি। পরিস্থিতিতে অভিভাবকদের আশঙ্কা, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে যে কোনও সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। বিষয়টি নিয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক বা কর্তৃপক্ষের কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।