১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩

ঈদুল আজহা উদযাপনে ইমাম ও মোয়াজ্জেনদের নিয়ে ডায়মন্ড হারবার থানায় প্রশাসনের বৈঠক  

বাইজিদ মণ্ডল, ডায়মন্ড হারবার : ত্যাগের মহিমা নিয়ে ঈদুল আজহা উদযাপনে প্রস্তুত গোটা বিশ্ব। ঈদের দিন সকালে ঈদ জামাতে শরিক হয়ে নামাজ আদায়ের মধ্য দিয়ে শুরু হবে ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের ঈদ উদযাপন। মহান সৃষ্টিকর্তার অনুগ্রহের আশায় ঈদের নামাজ শেষে নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী পশু কুরবানি দেবেন ধর্মপ্রাণ ও সামর্থ্যবান মুসলমানরা। আর সেই জন্য ঈদুল আযহা উপলক্ষে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে তারই আগে ডায়মন্ড হারবার থানার উদ্যোগে এস,ডি,পিও শাকিল আহমেদ এর ব্যবস্থাপনায় থানায় এলাকার ইমাম ও ময়াজ্জেন ও ইসলাম ধর্মাবলম্বী বিশিষ্ঠ ব্যক্তিদের সঙ্গে নিয়ে এক সভার আয়োজন করা হয়।মূলত মনের পশুকে জবাই করে মানুষে মানুষে ভেদাভেদ ভুলে যাওয়াই এই দিনটির উদ্দেশ্য। ত্যাগের মহিমা নিয়ে আবারও এসেছে ঈদুল আজহা। ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম বড় ধর্মীয় এই উৎসবটি উদযাপন হবে সোমবার। যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ঈদ উদযাপনে প্রস্তুত গোটা দেশের পাশাপাশি এই রাজ্য ও বিশ্ব জুড়ে।পরিযায়ী শ্রমিকরা প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতে তারা ছুটছে বাড়ির পথে।

ঈদের দিন সকালে ঈদ জামাতে শরিক হয়ে নামাজ আদায়ের মধ্য দিয়ে বিশ্ব জুড়ে শুরু হবে ঈদ উদযাপন। মহান সৃষ্টিকর্তার অনুগ্রহের আশায় ঈদের নামাজ শেষে নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী পশু কুরবানি দেবেন ধর্মপ্রাণ ও সামর্থ্যবান মুসলমানরা। মূলত মনের পশুকে জবাই করে মানুষে মানুষে ভেদাভেদ ভুলে যাওয়াই দিনটির উদ্দেশ্য।জানা যায় প্রায় চার হাজার বছর আগের কথা,মহান আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টি পেতে নিজ সন্তান হজরত ইসমাইল (আ:)কে কোরবানি দিতে চেয়েছেন হজরত ইব্রাহিম (আ:)। তবে আল্লাহর কুদরতে হজরত ইসমাইল (আ:) এর পরিবর্তে একটি দুম্বা কোরবানি হয়। হজরত ইব্রাহিম (আ:) ত্যাগের যে মহিমা স্থাপন করেছেন, তা অনুসরণেই সারা বিশ্বে মুসলিম সম্প্রদায় হিজরি বর্ষের ১০ জিলহজ আল্লাহর অনুগ্রহ পেতে পশু কোরবানি করে থাকে।সোমবার ঈদ উদযাপন হলেও পরের দুই দিনও পশু কোরবানির বিধান রয়েছে। ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী জবাই করা পশুর মাংসের একটি অংশ বিলি করা হয় দুস্থ ও দরিদ্রদের মাঝে। এ ছাড়া কোরবানির পশুর চামড়া বিক্রির অর্থও গরিবের মাঝে বিতরণ করা হয়। এছাড়াও এখানে উপস্তিত ছিলেন ডা: হা: বিধায়ক পান্নালাল হালদার, জেলা পরিষদের সদস্যা মনমোহীনি বিশ্বাস ,টাউন যুব সভাপতি সৌমেন তরফদার, ডায়মন্ড হারবার থানার সকল প্রশাসনিক আধিকারিক ও অন্যান্য বিশিষ্ঠ ব্যক্তিবর্গ প্রমুখ।

সর্বাধিক পাঠিত

মহিলা এশিয়া কাপ ২০২৬ সেমিফাইনাল সূচি: ভারতের ম্যাচের সময়, ভেন্যু, স্ট্রিমিংয়ের বিবরণ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ঈদুল আজহা উদযাপনে ইমাম ও মোয়াজ্জেনদের নিয়ে ডায়মন্ড হারবার থানায় প্রশাসনের বৈঠক  

আপডেট : ১৩ জুন ২০২৪, বৃহস্পতিবার

বাইজিদ মণ্ডল, ডায়মন্ড হারবার : ত্যাগের মহিমা নিয়ে ঈদুল আজহা উদযাপনে প্রস্তুত গোটা বিশ্ব। ঈদের দিন সকালে ঈদ জামাতে শরিক হয়ে নামাজ আদায়ের মধ্য দিয়ে শুরু হবে ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের ঈদ উদযাপন। মহান সৃষ্টিকর্তার অনুগ্রহের আশায় ঈদের নামাজ শেষে নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী পশু কুরবানি দেবেন ধর্মপ্রাণ ও সামর্থ্যবান মুসলমানরা। আর সেই জন্য ঈদুল আযহা উপলক্ষে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে তারই আগে ডায়মন্ড হারবার থানার উদ্যোগে এস,ডি,পিও শাকিল আহমেদ এর ব্যবস্থাপনায় থানায় এলাকার ইমাম ও ময়াজ্জেন ও ইসলাম ধর্মাবলম্বী বিশিষ্ঠ ব্যক্তিদের সঙ্গে নিয়ে এক সভার আয়োজন করা হয়।মূলত মনের পশুকে জবাই করে মানুষে মানুষে ভেদাভেদ ভুলে যাওয়াই এই দিনটির উদ্দেশ্য। ত্যাগের মহিমা নিয়ে আবারও এসেছে ঈদুল আজহা। ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম বড় ধর্মীয় এই উৎসবটি উদযাপন হবে সোমবার। যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ঈদ উদযাপনে প্রস্তুত গোটা দেশের পাশাপাশি এই রাজ্য ও বিশ্ব জুড়ে।পরিযায়ী শ্রমিকরা প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতে তারা ছুটছে বাড়ির পথে।

ঈদের দিন সকালে ঈদ জামাতে শরিক হয়ে নামাজ আদায়ের মধ্য দিয়ে বিশ্ব জুড়ে শুরু হবে ঈদ উদযাপন। মহান সৃষ্টিকর্তার অনুগ্রহের আশায় ঈদের নামাজ শেষে নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী পশু কুরবানি দেবেন ধর্মপ্রাণ ও সামর্থ্যবান মুসলমানরা। মূলত মনের পশুকে জবাই করে মানুষে মানুষে ভেদাভেদ ভুলে যাওয়াই দিনটির উদ্দেশ্য।জানা যায় প্রায় চার হাজার বছর আগের কথা,মহান আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টি পেতে নিজ সন্তান হজরত ইসমাইল (আ:)কে কোরবানি দিতে চেয়েছেন হজরত ইব্রাহিম (আ:)। তবে আল্লাহর কুদরতে হজরত ইসমাইল (আ:) এর পরিবর্তে একটি দুম্বা কোরবানি হয়। হজরত ইব্রাহিম (আ:) ত্যাগের যে মহিমা স্থাপন করেছেন, তা অনুসরণেই সারা বিশ্বে মুসলিম সম্প্রদায় হিজরি বর্ষের ১০ জিলহজ আল্লাহর অনুগ্রহ পেতে পশু কোরবানি করে থাকে।সোমবার ঈদ উদযাপন হলেও পরের দুই দিনও পশু কোরবানির বিধান রয়েছে। ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী জবাই করা পশুর মাংসের একটি অংশ বিলি করা হয় দুস্থ ও দরিদ্রদের মাঝে। এ ছাড়া কোরবানির পশুর চামড়া বিক্রির অর্থও গরিবের মাঝে বিতরণ করা হয়। এছাড়াও এখানে উপস্তিত ছিলেন ডা: হা: বিধায়ক পান্নালাল হালদার, জেলা পরিষদের সদস্যা মনমোহীনি বিশ্বাস ,টাউন যুব সভাপতি সৌমেন তরফদার, ডায়মন্ড হারবার থানার সকল প্রশাসনিক আধিকারিক ও অন্যান্য বিশিষ্ঠ ব্যক্তিবর্গ প্রমুখ।