১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩

অন্ধ হয়ে গেছে তবুও ইমানি শক্তি কমে যায়নি, কোরানের হাফিজ হলেন ৯০ বছর বয়সী মিশরিয় অন্ধ বৃদ্ধা

নতুন গতি, ওয়েব ডেস্ক : বয়স ৯০ বছর, তার ওপর দৃষ্টি প্রতিবন্ধী। তবুও দমে যাননি মিশরের এক নারী। রুহিয়া আরাফা মনসুর নামের ওউ বৃদ্ধা দশরকম ভাবে কুরআন তিলাওয়াত সহকারে সম্পূর্ণ কুরআন হেফজ করেছেন।

 

শাইখা রুহিয়া আরাফা মনসুর ১৯৩১ সালে মিশরের আল-দুখলিয়া প্রদেশের মিত গামার প্রদেশের আতমিদেহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছেন। তার বাবা তৎকালীন সময় একজন পুলিশ অফিসার ছিলেন। বাবার পোস্টিং-এর কারণে সেদেশের আশ-শারকিয়া প্রদেশে বসবাস করতে শুরু করেন তারা। সেখানকার স্বনামধন্য হাফেজ শাইখ আব্দুল গনি জুমার কাছে পবিত্র কুরআন শিক্ষাগ্রহণ করেন তিনি। কুরআনের এই শিক্ষকের সন্তানদের সঙ্গেই ওহীর বাণী শিখতে শুরু করেন।

 

সূত্রের মাধ্যমে জানা যায় – এই ব্যাপারে মিশরের এই দৃষ্টি প্রতিবন্ধী হাফেজা বলেন, আমার বয়স যখন সাত বছর তখন আমি শেখ আবদুল গনির কাছে গিয়ে পবিত্র কোরআন হেফজ করতে শুরু করি এবং মাত্র দুই বছরের মধ্যে সম্পূর্ণ কুরআন হেফজ করি। আমার বাবার ইচ্ছা ছিল আমি দশ পন্থায় কুরআন তিলাওয়াতের শিক্ষা অর্জন করি। আর তার ইচ্ছা পূরণের জন্য আমি আরও ৫ বছর কুরআন তিলাওয়াতের ক্লাসে যাই।

ফের উত্তপ্ত বীরভূমের পাঁড়ুই এলাকায়

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

অন্ধ হয়ে গেছে তবুও ইমানি শক্তি কমে যায়নি, কোরানের হাফিজ হলেন ৯০ বছর বয়সী মিশরিয় অন্ধ বৃদ্ধা

আপডেট : ৩০ জুন ২০২১, বুধবার

নতুন গতি, ওয়েব ডেস্ক : বয়স ৯০ বছর, তার ওপর দৃষ্টি প্রতিবন্ধী। তবুও দমে যাননি মিশরের এক নারী। রুহিয়া আরাফা মনসুর নামের ওউ বৃদ্ধা দশরকম ভাবে কুরআন তিলাওয়াত সহকারে সম্পূর্ণ কুরআন হেফজ করেছেন।

 

শাইখা রুহিয়া আরাফা মনসুর ১৯৩১ সালে মিশরের আল-দুখলিয়া প্রদেশের মিত গামার প্রদেশের আতমিদেহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছেন। তার বাবা তৎকালীন সময় একজন পুলিশ অফিসার ছিলেন। বাবার পোস্টিং-এর কারণে সেদেশের আশ-শারকিয়া প্রদেশে বসবাস করতে শুরু করেন তারা। সেখানকার স্বনামধন্য হাফেজ শাইখ আব্দুল গনি জুমার কাছে পবিত্র কুরআন শিক্ষাগ্রহণ করেন তিনি। কুরআনের এই শিক্ষকের সন্তানদের সঙ্গেই ওহীর বাণী শিখতে শুরু করেন।

 

সূত্রের মাধ্যমে জানা যায় – এই ব্যাপারে মিশরের এই দৃষ্টি প্রতিবন্ধী হাফেজা বলেন, আমার বয়স যখন সাত বছর তখন আমি শেখ আবদুল গনির কাছে গিয়ে পবিত্র কোরআন হেফজ করতে শুরু করি এবং মাত্র দুই বছরের মধ্যে সম্পূর্ণ কুরআন হেফজ করি। আমার বাবার ইচ্ছা ছিল আমি দশ পন্থায় কুরআন তিলাওয়াতের শিক্ষা অর্জন করি। আর তার ইচ্ছা পূরণের জন্য আমি আরও ৫ বছর কুরআন তিলাওয়াতের ক্লাসে যাই।