আনজুম মুনির: আবার ধাক্কা তৃণমূলের। এমনিতেই কোয়েল মল্লিকের পদত্যাগ শুধুই সময়ের অপেক্ষা। আর সেই সময় রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগ করলেন সুস্মিতা দেব। এই নিয়ে এক সপ্তাহে দ্বিতীয় ইস্তফা তৃণমূল সাংসদদের। এর আগে সুখেন্দুশেখর রায়ও রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। এবার সাংসদ পদ ছাড়লেন সুস্মিতাও।
একদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের নেতৃত্বে ৫৮ জন বিধায়ক নতুন তৃণমূল গড়ার তোড়জোড় করছে। বিধানসভা থেকে সংসদেও পৌঁছে গিয়েছে বিক্ষোভের আঁচ। কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে জনা ২০ সাংসদ লোকসভায় আলাদা ফ্রন্ট গড়ে এনডিএকে সমর্থন করতে প্রস্তুত। এর মাঝেই আরও বড় ভাঙন। রাজ্যসভার সাংসদরা একে একে ইস্তফা দিচ্ছেন। সুখেন্দু শেখর রায় ইতিমধ্যেই ইস্তফা দিয়েছেন। আজ, বুধবার সুস্মিতা দেবও ইস্তফা দিলেন। জল্পনা শোনা যাচ্ছে, সদ্য সাংসদ হওয়া কোয়েল মল্লিকও ইস্তফা দিতে পারেন।
কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে এসেছিলেন সুস্মিতা দেব। অসমের শিলচর থেকে লোকসভার সাংসদ হিসাবে নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। তবে ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর কংগ্রেস থেকে ইস্তফা দেন তিনি। ২০২১ সালে তৃণমূল কংগ্রেস যোগ দেন। দলে যোগ দেওয়ার পরই তাঁকে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়া হয়। জাতীয় মুখপাত্র করা হয় তৃণমূল কংগ্রেসের। এরপর রাজ্যসভার সাংসদ করা হয় সুস্মিতাকে। ২০২৬এর বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর যখন তৃণমূল কংগ্রেসে ভাঙন ধরেছে, সেই সময় পাশে থাকলেন না সুস্মিতাও। এদিকে সুস্মিতার হাতেই অসমে তৃণমূল কংগ্রেসের সংগঠনের দায়িত্ব দেওয়া ছিল। তাঁর ইস্তফায় সর্বভারতীয় স্তরেও ভাঙন ধরল তৃণমূল কংগ্রেসে। কার্যত ঘরে-বাইরে এখন অস্তিত্ব সঙ্কটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল।
নতুন গতি 






















