১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার, ১ আশ্বিন ১৪৩৩
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার, ১ আশ্বিন ১৪৩৩

বিশ্বের শীতলতম শহরের তাপমাত্রা মাইনাস ৫০ ডিগ্রি

নিজস্ব সংবাদদাতা :বিশ্বের শীতলতম শহর রাশিয়ায় অবস্থিত, নাম ইয়ৎ কুস্ক, শহরের তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে মাইনাস ৫০ ডিগ্রি। প্রচন্ড ঠান্ডার কারণে গোটা শহর জমে বরফে পরিণত হয়েছে, তবে পরিসংখ্যান বলছে মাইনাস ৬৪ ডিগ্রি নেমে গিয়েছিল তাপমাত্রা। এই শহরের গড় তাপমাত্রা থাকে মাইনাস ৮ ডিগ্রি। ২০২১ সালের জনগণনা অনুযায়ী এই শহরের জনসংখ্যা ৩ লক্ষ ৫৫ হাজার। সেই শহরের বেশিরভাগ মানুষই খনি শিল্পের সঙ্গে যুক্ত। প্রচন্ড ঠান্ডাতেও তারা দিব্যি থাকেন। কোন আফসোস নেই তাদের, শীতকালে বেশিরভাগ সময় তাপমাত্রা মাইনাস ৩০ থেকে মাইনাস ৪০ ডিগ্রীর মধ্যে ঘোরাঘুরি করে। রাস্তাঘাট বরফে ঢাকা থাকে, তার মধ্যে বাজার বসে। অঞ্চলের বাসিন্দারা এইপ্রচন্ড ঠান্ডার মধ্যে জিনিসপত্র কেনা বেচা করে থাকেন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন এই ঠান্ডা থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় বাঁধাকপির মত পোশাক পরা। বাঁধাকপির যেরকম অজস্র পাতা থাকে, সেরকমই অনেকগুলি উলের জামা পড়ে থাকেন। সেই কারণেই এই ঠান্ডার মধ্যেও তারা স্বাভাবিক জীবনযাত্রা করেন।

ফুড ইন্সপেক্টরহীন ময়নাগুড়ি পুরসভা, খাদ্য সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বিশ্বের শীতলতম শহরের তাপমাত্রা মাইনাস ৫০ ডিগ্রি

আপডেট : ২১ জানুয়ারী ২০২৩, শনিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা :বিশ্বের শীতলতম শহর রাশিয়ায় অবস্থিত, নাম ইয়ৎ কুস্ক, শহরের তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে মাইনাস ৫০ ডিগ্রি। প্রচন্ড ঠান্ডার কারণে গোটা শহর জমে বরফে পরিণত হয়েছে, তবে পরিসংখ্যান বলছে মাইনাস ৬৪ ডিগ্রি নেমে গিয়েছিল তাপমাত্রা। এই শহরের গড় তাপমাত্রা থাকে মাইনাস ৮ ডিগ্রি। ২০২১ সালের জনগণনা অনুযায়ী এই শহরের জনসংখ্যা ৩ লক্ষ ৫৫ হাজার। সেই শহরের বেশিরভাগ মানুষই খনি শিল্পের সঙ্গে যুক্ত। প্রচন্ড ঠান্ডাতেও তারা দিব্যি থাকেন। কোন আফসোস নেই তাদের, শীতকালে বেশিরভাগ সময় তাপমাত্রা মাইনাস ৩০ থেকে মাইনাস ৪০ ডিগ্রীর মধ্যে ঘোরাঘুরি করে। রাস্তাঘাট বরফে ঢাকা থাকে, তার মধ্যে বাজার বসে। অঞ্চলের বাসিন্দারা এইপ্রচন্ড ঠান্ডার মধ্যে জিনিসপত্র কেনা বেচা করে থাকেন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন এই ঠান্ডা থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় বাঁধাকপির মত পোশাক পরা। বাঁধাকপির যেরকম অজস্র পাতা থাকে, সেরকমই অনেকগুলি উলের জামা পড়ে থাকেন। সেই কারণেই এই ঠান্ডার মধ্যেও তারা স্বাভাবিক জীবনযাত্রা করেন।