১১ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
১১ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

স্বাস্থ্যসাথী থাকা সত্বেও হলোনা চিকিৎসা, অবরোধ পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের

দুর্গাপুর: স্বাস্থ্য সাথী কার্ড থাকা সত্বেও যখম ব্যক্তির চিকিৎসা হল না, পাঁচটি হাসপাতালে প্রায় চৌদ্দ ঘণ্টা ধরে ঘুরে ও চিকিৎসা করাতে পারলেন না তার পরিবারের লোকজন। ঘটনাটি ঘটেছে দুর্গাপুরে। এই ঘটনার পর ওই ব্যক্তির পরিবারের লোকজন এবং স্থানীয় বাসিন্দারা সড়ক অবরোধ করেন। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে অবরোধকারীদের সাথে কথা বলে আশ্বাস দিলে, অবশেষে অবরোধ তুলে নেন তারা।

দুর্গাপুর এক নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা নির্মল মন্ডল বয়স ৬২, শনিবার দুপুরে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফিরছিলেন। বাড়ি ফেরার পথে তাকে একটি বাইক ধাক্কা মারে। গুরুতর জখম হন তিনি, তার পরিবারের লোকজন তাকে দুর্গাপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে জানানো হয়, জখম গুরুতর তাই বর্ধমান হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। এরপর তাকে বর্ধমান হাসপাতালে নিয়ে গেলে, সেখান থেকে কলকাতার এসএসকেএম রেফার করা হয়। তখন তার পরিবারের লোকজন আবার তাকে নিয়ে দুর্গাপুরের পথে রওনা হন। ফেরার পথে দুটি মেডিকেল কলেজে নিয়ে গিয়ে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড দেখালেও ঘুরিয়ে দেওয়া হয় তাদের। এই রকম টালবাহানার যখম ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে।

এরপরে ওই ব্যক্তির পরিবারের লোকজন পথ অবরোধ করে। খবর পেয়ে পুলিশ প্রশাসন এসে তাদের আশ্বাস দিলে তারা পথ অবরোধ তুলে নেয়।

এবার আরো ধাক্কা তৃণমূলে, পদত্যাগ রাজ্যসভার সদস্য সুস্মিতা দেবের

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

স্বাস্থ্যসাথী থাকা সত্বেও হলোনা চিকিৎসা, অবরোধ পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের

আপডেট : ৩ এপ্রিল ২০২২, রবিবার

দুর্গাপুর: স্বাস্থ্য সাথী কার্ড থাকা সত্বেও যখম ব্যক্তির চিকিৎসা হল না, পাঁচটি হাসপাতালে প্রায় চৌদ্দ ঘণ্টা ধরে ঘুরে ও চিকিৎসা করাতে পারলেন না তার পরিবারের লোকজন। ঘটনাটি ঘটেছে দুর্গাপুরে। এই ঘটনার পর ওই ব্যক্তির পরিবারের লোকজন এবং স্থানীয় বাসিন্দারা সড়ক অবরোধ করেন। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে অবরোধকারীদের সাথে কথা বলে আশ্বাস দিলে, অবশেষে অবরোধ তুলে নেন তারা।

দুর্গাপুর এক নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা নির্মল মন্ডল বয়স ৬২, শনিবার দুপুরে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফিরছিলেন। বাড়ি ফেরার পথে তাকে একটি বাইক ধাক্কা মারে। গুরুতর জখম হন তিনি, তার পরিবারের লোকজন তাকে দুর্গাপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে জানানো হয়, জখম গুরুতর তাই বর্ধমান হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। এরপর তাকে বর্ধমান হাসপাতালে নিয়ে গেলে, সেখান থেকে কলকাতার এসএসকেএম রেফার করা হয়। তখন তার পরিবারের লোকজন আবার তাকে নিয়ে দুর্গাপুরের পথে রওনা হন। ফেরার পথে দুটি মেডিকেল কলেজে নিয়ে গিয়ে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড দেখালেও ঘুরিয়ে দেওয়া হয় তাদের। এই রকম টালবাহানার যখম ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে।

এরপরে ওই ব্যক্তির পরিবারের লোকজন পথ অবরোধ করে। খবর পেয়ে পুলিশ প্রশাসন এসে তাদের আশ্বাস দিলে তারা পথ অবরোধ তুলে নেয়।