১১ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
১১ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ভয়ানক অগ্নিকান্ডে ভস্মীভূত এক বাড়ি  সহ আরো দুটো পরিবার

মালদা: রবিবার গভীর রাত্রে ভয়ানক অগ্নিকান্ডে ভস্মীভূত হলো মেধাবী ছাত্র সঞ্জয় রবিদাস এর বাড়ি  সহ আরো দুটো পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের চাঁচল ১নং ব্লকের অলিহণ্ডা গ্রাম পঞ্চায়েতের কনুয়া গ্রামে। তিনটি পরিবারের সদস্যরা আগুন থেকে বাঁচলেও, সর্বস্ব হারিয়েছে তারা। তবে কি ভাবে এই অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি।

উল্লেখ্য, গত বছর জুতো সেলাই করে উচ্চ মাধ্যমিকে ভালো রেজাল্ট করে তাক লাগিয়েছিলেন কনুয়ার সঞ্জয় রবিদাস। এখন সঞ্জয় কলকাতাতে পাঠরত। সেই সঞ্জয় রবিদাসের বাড়ি এবং আরো দুটো বাড়িতে আগুন লেগে ধান, চাল, আসবাপত্র পুড়ে ছাই হয়ে যায়।অগ্নিকান্ডের ঘটনার খবর পেয়ে ছুটে আসেন চাঁচল দমকল কর্মীরা। তবে দমকল কর্মীরা পৌঁছানোর আগেই স্থানীয় বাসিন্দারা আগুন নিভিয়ে ফেলেন।

সঞ্জয় রবি দাসের মা কল্যানী রবি দাস বলেন, মানুষের জমিতে ধান কেটে আমরা খাই, এখন খাব কি, থাকবো কোথায়?কে আশ্রয় দেবে আমাদের?এটাই সবচাইতে বড় সমস্যা আমাদের কাছে এখন।কি করবো কার কাছে যাব বুঝতে পারছি না।এখন বড়ই অসহায় বোধ করছি আমরা জানালেন তিনি।আমার পুত্র এখন ভেবেই পাচ্ছে না কি করবে।কার কাছে গেলে ওর ভবিষ্যত নিশ্চিত হতে পারে।

এবার আরো ধাক্কা তৃণমূলে, পদত্যাগ রাজ্যসভার সদস্য সুস্মিতা দেবের

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ভয়ানক অগ্নিকান্ডে ভস্মীভূত এক বাড়ি  সহ আরো দুটো পরিবার

আপডেট : ২০ ডিসেম্বর ২০২১, সোমবার

মালদা: রবিবার গভীর রাত্রে ভয়ানক অগ্নিকান্ডে ভস্মীভূত হলো মেধাবী ছাত্র সঞ্জয় রবিদাস এর বাড়ি  সহ আরো দুটো পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের চাঁচল ১নং ব্লকের অলিহণ্ডা গ্রাম পঞ্চায়েতের কনুয়া গ্রামে। তিনটি পরিবারের সদস্যরা আগুন থেকে বাঁচলেও, সর্বস্ব হারিয়েছে তারা। তবে কি ভাবে এই অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি।

উল্লেখ্য, গত বছর জুতো সেলাই করে উচ্চ মাধ্যমিকে ভালো রেজাল্ট করে তাক লাগিয়েছিলেন কনুয়ার সঞ্জয় রবিদাস। এখন সঞ্জয় কলকাতাতে পাঠরত। সেই সঞ্জয় রবিদাসের বাড়ি এবং আরো দুটো বাড়িতে আগুন লেগে ধান, চাল, আসবাপত্র পুড়ে ছাই হয়ে যায়।অগ্নিকান্ডের ঘটনার খবর পেয়ে ছুটে আসেন চাঁচল দমকল কর্মীরা। তবে দমকল কর্মীরা পৌঁছানোর আগেই স্থানীয় বাসিন্দারা আগুন নিভিয়ে ফেলেন।

সঞ্জয় রবি দাসের মা কল্যানী রবি দাস বলেন, মানুষের জমিতে ধান কেটে আমরা খাই, এখন খাব কি, থাকবো কোথায়?কে আশ্রয় দেবে আমাদের?এটাই সবচাইতে বড় সমস্যা আমাদের কাছে এখন।কি করবো কার কাছে যাব বুঝতে পারছি না।এখন বড়ই অসহায় বোধ করছি আমরা জানালেন তিনি।আমার পুত্র এখন ভেবেই পাচ্ছে না কি করবে।কার কাছে গেলে ওর ভবিষ্যত নিশ্চিত হতে পারে।