১০ জুন ২০২৬, বুধবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
১০ জুন ২০২৬, বুধবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

মাটির ভেতর গর্ত করে বসবাস করছে একটি অসহায় পরিবার, স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধানের পাশে থাকার আশ্বাস 

নিজস্ব সংবাদদাতা :জলপাইগুড়ি জেলার অন্তর্গত আমগুরী এলাকায় , বাড়ির পাশে মাটিতে গর্ত করে বাস করছে একটি পরিবার। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। প্রসঙ্গত এই বিষয়ে জানা গেছে পেশায় দিনমজুর লক্ষ্মী মোহন রায়, তার স্ত্রী গত হয়েছেন। ছেলে মেয়ের সংখ্যা ৩, শাশুড়ি ও তার সাথে থাকেন। ঝরে তাদের ব্যাপক ক্ষতি হয়ে গিয়েছিল, কোনরকমে ঠিকঠাক করলেও দুর্যোগের আশঙ্কায় বাড়ির পাশে মাটিতে গর্ত খুঁড়ে বসবাস করছেন তারা। ওই পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ স্থানীয় পঞ্চায়েত কে জানিও কোন লাভ হয়নি। লক্ষী মোহন রায় শাশুড়ি জানান, ভোটের সময় তাদের খোঁজ পরে অন্য সময় খোঁজ রাখে না কেউ। তাদের শুধু একটি দাবি সরকারের তরফ থেকে যদি একটা ঘর পাওয়া যায়।নাতি নাতনিদের নিয়ে হাওয়া খেতে শুরু করে সবকিছুই করতে হচ্ছে মাটির গর্তের ভিতর। প্রসঙ্গত ওই পরিবারের সদস্য সংখ্যা ৫। এই মর্মে স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান দিলীপ রায় জানান, লক্ষী মোহন রায় আলিপুরদুয়ারে থাকতেন। কিছুদিন ধরে ওই এলাকায় রয়েছেন। দিদির সুরক্ষা কবজ মারফত পরিবারটির অবস্থার কথা জানতে পারা গেছে। সংলগ্ন পঞ্চায়েতের তরফ থেকে তাদের একটি ঘর করে দেওয়া হবে। এছাড়া পঞ্চায়েতের তরফ থেকে তাদের খাদ্য সামগ্রী পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

আর ডিম নয়, এবার সব্যসাচীকে লক্ষ্য করে গোবর ও পচা টমেটো

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মাটির ভেতর গর্ত করে বসবাস করছে একটি অসহায় পরিবার, স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধানের পাশে থাকার আশ্বাস 

আপডেট : ৯ মে ২০২৩, মঙ্গলবার

নিজস্ব সংবাদদাতা :জলপাইগুড়ি জেলার অন্তর্গত আমগুরী এলাকায় , বাড়ির পাশে মাটিতে গর্ত করে বাস করছে একটি পরিবার। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। প্রসঙ্গত এই বিষয়ে জানা গেছে পেশায় দিনমজুর লক্ষ্মী মোহন রায়, তার স্ত্রী গত হয়েছেন। ছেলে মেয়ের সংখ্যা ৩, শাশুড়ি ও তার সাথে থাকেন। ঝরে তাদের ব্যাপক ক্ষতি হয়ে গিয়েছিল, কোনরকমে ঠিকঠাক করলেও দুর্যোগের আশঙ্কায় বাড়ির পাশে মাটিতে গর্ত খুঁড়ে বসবাস করছেন তারা। ওই পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ স্থানীয় পঞ্চায়েত কে জানিও কোন লাভ হয়নি। লক্ষী মোহন রায় শাশুড়ি জানান, ভোটের সময় তাদের খোঁজ পরে অন্য সময় খোঁজ রাখে না কেউ। তাদের শুধু একটি দাবি সরকারের তরফ থেকে যদি একটা ঘর পাওয়া যায়।নাতি নাতনিদের নিয়ে হাওয়া খেতে শুরু করে সবকিছুই করতে হচ্ছে মাটির গর্তের ভিতর। প্রসঙ্গত ওই পরিবারের সদস্য সংখ্যা ৫। এই মর্মে স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান দিলীপ রায় জানান, লক্ষী মোহন রায় আলিপুরদুয়ারে থাকতেন। কিছুদিন ধরে ওই এলাকায় রয়েছেন। দিদির সুরক্ষা কবজ মারফত পরিবারটির অবস্থার কথা জানতে পারা গেছে। সংলগ্ন পঞ্চায়েতের তরফ থেকে তাদের একটি ঘর করে দেওয়া হবে। এছাড়া পঞ্চায়েতের তরফ থেকে তাদের খাদ্য সামগ্রী পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।