২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩
২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩

বাগুইআটি জোড়া খুনে মূল অভিযুক্ত সত্যেন্দ্র চৌধুরিকে গ্রেফতার করা হল

নিজস্ব সংবাদদাতা : বাগুইআটি জোড়া খুনে মূল অভিযুক্ত সত্যেন্দ্র চৌধুরিকে গ্রেফতার করা হল। আজ, শুক্রবার হাওড়া স্টেশন থেকে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। হাওড়া থেকে ট্রেন ধরে পালানোর ছক কষেছিল সে। কিন্তু সেটা সম্ভব হল না। খুনের ঘটনার পর থেকেই মূল অভিযুক্ত সত্যেন্দ্র চৌধুরী ফেরার হয়ে গিয়েছিল। নাগাল পাননি তদন্তকারীরা। এই ঘটনায় বাগুইআটি থানার আইসি পরিবর্তন করা হয়। তদন্তভার দেওয়া হয়েছে সিআইডি–কে। কিন্তু তারপরও মূল অভিযুক্তকে ধরা যাচ্ছিল না। তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল। এবার অবশেষে ধরা পড়ল সত্যেন্দ্র।কেমন করে ধরা পড়ল সত্যেন্দ্র?‌ পুলিশ সূত্রে খবর, হাওড়া ট্রেন ধরে মুম্বইয়ে পালানোর ছক কষেছিল সত্যেন্দ্র চৌধুরী। সেটা গোপন সূত্রে খবর পেয়ে যায় পুলিশ। তারপর বিশেষ একটি দলকে হাওড়া স্টেশনে মোতায়েন করা হয়। যাঁদের দেখে চেনার উপায় ছিল না। তাঁদেল দেখে যাত্রী বলেই মনে হচ্ছিল। সেখানেই ভুল করে ফেলে সত্যেন্দ্র। হাওড়া স্টেশনে সত্যেন্দ্র পৌঁছতেই তাকে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে পুলিশ। আর পালাবার রাস্তা পায়নি সে। তখন তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁকে বিধাননগর কমিশনারেটে নিয়ে আসা হচ্ছে।ঠিক কী অভিযোগ সত্যেন্দ্রর বিরুদ্ধে?‌ বাগুইআটির দুই ছাত্র অতনু দে–অভিষেক নস্করকে খুন করেছিল এই সত্যেন্দ্র। তার জন্য পরিকল্পনা করে সুপারি কিলার দিয়ে খুন করা হয়েছিল। এই হত্যার ঘটনায় সত্যেন্দ্রকে খুঁজছিল পুলিশ। তদন্তে নেমেছিল সিআইডি। চলছিল লোকেশন ট্র‌্যাক। যদিও বারবার সিম বদল করে গা–ঢাকা দিচ্ছিল সত্যেন্দ্র। কিন্তু অবশেষে আজ, শুক্রবার হাওড়া স্টেশন চত্বর থেকে সত্যেন্দ্র চৌধুরীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।কেন ধরা যাচ্ছে না সত্যেন্দ্রকে?‌ সিআইডি সূত্রে খবর, দুই ছাত্রের মৃত্যুর পর থেকেই বন্ধ সত্যেন্দ্রর দু’টি ফোন। মৃতদেহ উদ্ধারের আগে অতনুর ফোন ব্যবহার করে হুমকি পাঠাচ্ছিল সত্যেন্দ্র। পরে সেটাও বন্ধ করে দেওয়া হয়। সত্যেন্দ্র শেষবার অতনুর মাকে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করেছিল। বারবার সিম বদল করে গা ঢাকা দিচ্ছে এই অভিযুক্ত। সত্যেন্দ্রর স্ত্রী পূজা পুলিশকে বলেছেন, ২২ অগস্টের পর থেকে তিনি স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি। হোয়াটসঅ্যাপ সংস্থাকে চিঠি লিখতে চলেছেন গোয়েন্দারা। আইপি অ্যাড্রেস জানতে এই পথেই হাঁটতে চলেছেন তাঁরা। জঙ্গিদের ট্রেস করতে এটা করা হয়। কিন্তু এতকিছু করেও বাঁচতে পারল না সত্যেন্দ্র

বর্ধমান সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভের উদ্যোগে ৭৪তম বিশ্বকর্মা পূজা ও মিলন উৎসব উদযাপিত।

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বাগুইআটি জোড়া খুনে মূল অভিযুক্ত সত্যেন্দ্র চৌধুরিকে গ্রেফতার করা হল

আপডেট : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২২, শনিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা : বাগুইআটি জোড়া খুনে মূল অভিযুক্ত সত্যেন্দ্র চৌধুরিকে গ্রেফতার করা হল। আজ, শুক্রবার হাওড়া স্টেশন থেকে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। হাওড়া থেকে ট্রেন ধরে পালানোর ছক কষেছিল সে। কিন্তু সেটা সম্ভব হল না। খুনের ঘটনার পর থেকেই মূল অভিযুক্ত সত্যেন্দ্র চৌধুরী ফেরার হয়ে গিয়েছিল। নাগাল পাননি তদন্তকারীরা। এই ঘটনায় বাগুইআটি থানার আইসি পরিবর্তন করা হয়। তদন্তভার দেওয়া হয়েছে সিআইডি–কে। কিন্তু তারপরও মূল অভিযুক্তকে ধরা যাচ্ছিল না। তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল। এবার অবশেষে ধরা পড়ল সত্যেন্দ্র।কেমন করে ধরা পড়ল সত্যেন্দ্র?‌ পুলিশ সূত্রে খবর, হাওড়া ট্রেন ধরে মুম্বইয়ে পালানোর ছক কষেছিল সত্যেন্দ্র চৌধুরী। সেটা গোপন সূত্রে খবর পেয়ে যায় পুলিশ। তারপর বিশেষ একটি দলকে হাওড়া স্টেশনে মোতায়েন করা হয়। যাঁদের দেখে চেনার উপায় ছিল না। তাঁদেল দেখে যাত্রী বলেই মনে হচ্ছিল। সেখানেই ভুল করে ফেলে সত্যেন্দ্র। হাওড়া স্টেশনে সত্যেন্দ্র পৌঁছতেই তাকে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে পুলিশ। আর পালাবার রাস্তা পায়নি সে। তখন তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁকে বিধাননগর কমিশনারেটে নিয়ে আসা হচ্ছে।ঠিক কী অভিযোগ সত্যেন্দ্রর বিরুদ্ধে?‌ বাগুইআটির দুই ছাত্র অতনু দে–অভিষেক নস্করকে খুন করেছিল এই সত্যেন্দ্র। তার জন্য পরিকল্পনা করে সুপারি কিলার দিয়ে খুন করা হয়েছিল। এই হত্যার ঘটনায় সত্যেন্দ্রকে খুঁজছিল পুলিশ। তদন্তে নেমেছিল সিআইডি। চলছিল লোকেশন ট্র‌্যাক। যদিও বারবার সিম বদল করে গা–ঢাকা দিচ্ছিল সত্যেন্দ্র। কিন্তু অবশেষে আজ, শুক্রবার হাওড়া স্টেশন চত্বর থেকে সত্যেন্দ্র চৌধুরীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।কেন ধরা যাচ্ছে না সত্যেন্দ্রকে?‌ সিআইডি সূত্রে খবর, দুই ছাত্রের মৃত্যুর পর থেকেই বন্ধ সত্যেন্দ্রর দু’টি ফোন। মৃতদেহ উদ্ধারের আগে অতনুর ফোন ব্যবহার করে হুমকি পাঠাচ্ছিল সত্যেন্দ্র। পরে সেটাও বন্ধ করে দেওয়া হয়। সত্যেন্দ্র শেষবার অতনুর মাকে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করেছিল। বারবার সিম বদল করে গা ঢাকা দিচ্ছে এই অভিযুক্ত। সত্যেন্দ্রর স্ত্রী পূজা পুলিশকে বলেছেন, ২২ অগস্টের পর থেকে তিনি স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি। হোয়াটসঅ্যাপ সংস্থাকে চিঠি লিখতে চলেছেন গোয়েন্দারা। আইপি অ্যাড্রেস জানতে এই পথেই হাঁটতে চলেছেন তাঁরা। জঙ্গিদের ট্রেস করতে এটা করা হয়। কিন্তু এতকিছু করেও বাঁচতে পারল না সত্যেন্দ্র