২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

বিজেপি করার ‘অপরাধে’ আবাসের সমীক্ষা নয়, মালদায় বিস্ফোরক অভিযোগ

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার
  • 13
নতুন গতি, মালদা: রাজ্যে পালাবদলের পরও আবাস যোজনায় বঞ্চনার অভিযোগ উঠল মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকে। বিজেপি করার কারণে প্রকৃত উপভোক্তাদের আবাস যোজনার সমীক্ষা থেকে বেছে বেছে বাদ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ রশিদাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের পেমা বাহাদুরপুর এলাকার বাসিন্দাদের একাংশের। অভিযোগের তির তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েতের প্রধান এবং পঞ্চায়েত কর্মী মুন্না চৌধুরীর বিরুদ্ধে।
স্থানীয়দের দাবি, এলাকায় প্রায় ১০টি পরিবারের এখনও কাঁচা মাটির বাড়ি রয়েছে। দিনমজুর এই পরিবারগুলি দীর্ঘদিন ধরে আবাস যোজনায় ঘরের জন্য আবেদন করে আসছেন। অভিযোগ, এবার সমীক্ষার সময় তাঁদের বাড়িতে যাওয়া হয়নি। তাঁদের আরও দাবি, সমীক্ষার নামে টাকা চাওয়া হয়েছে। টাকা না দিলে সমীক্ষা করা হচ্ছে না বলেও অভিযোগ উঠেছে। একইসঙ্গে পাকা বাড়ি থাকা সত্ত্বেও টাকা দিয়ে অনেকের নাম তালিকায় উঠেছে বলে দাবি বঞ্চিতদের। ঘটনায় হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লক প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন বঞ্চিত পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের অভিযোগ, লিখিত অভিযোগের পরও কোনও সুরাহা হয়নি। এলাকার বাসিন্দা তথা বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার জেলা সাধারণ সম্পাদকও অভিযোগ সমর্থন করে পঞ্চায়েত প্রধান ও মুন্না চৌধুরীর ভূমিকা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েতের প্রধান। তাঁর দাবি, সমীক্ষায় অনিয়ম হয়ে থাকলে তার দায় ব্লক প্রশাসনের। সমীক্ষা সম্পর্কে তিনি কিছুই জানেন না বলেও দাবি করেন। বঞ্চিতদের দাবি, রাজনৈতিক পরিচয় নয়, যোগ্যতার ভিত্তিতে পুনরায় সমীক্ষা করে প্রকৃত উপভোক্তাদের ঘর দেওয়া হোক।

বন্ধ পাঠশালা, মুখ শুকনো কাঞ্চনদের

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বিজেপি করার ‘অপরাধে’ আবাসের সমীক্ষা নয়, মালদায় বিস্ফোরক অভিযোগ

আপডেট : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার
নতুন গতি, মালদা: রাজ্যে পালাবদলের পরও আবাস যোজনায় বঞ্চনার অভিযোগ উঠল মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকে। বিজেপি করার কারণে প্রকৃত উপভোক্তাদের আবাস যোজনার সমীক্ষা থেকে বেছে বেছে বাদ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ রশিদাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের পেমা বাহাদুরপুর এলাকার বাসিন্দাদের একাংশের। অভিযোগের তির তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েতের প্রধান এবং পঞ্চায়েত কর্মী মুন্না চৌধুরীর বিরুদ্ধে।
স্থানীয়দের দাবি, এলাকায় প্রায় ১০টি পরিবারের এখনও কাঁচা মাটির বাড়ি রয়েছে। দিনমজুর এই পরিবারগুলি দীর্ঘদিন ধরে আবাস যোজনায় ঘরের জন্য আবেদন করে আসছেন। অভিযোগ, এবার সমীক্ষার সময় তাঁদের বাড়িতে যাওয়া হয়নি। তাঁদের আরও দাবি, সমীক্ষার নামে টাকা চাওয়া হয়েছে। টাকা না দিলে সমীক্ষা করা হচ্ছে না বলেও অভিযোগ উঠেছে। একইসঙ্গে পাকা বাড়ি থাকা সত্ত্বেও টাকা দিয়ে অনেকের নাম তালিকায় উঠেছে বলে দাবি বঞ্চিতদের। ঘটনায় হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লক প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন বঞ্চিত পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের অভিযোগ, লিখিত অভিযোগের পরও কোনও সুরাহা হয়নি। এলাকার বাসিন্দা তথা বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার জেলা সাধারণ সম্পাদকও অভিযোগ সমর্থন করে পঞ্চায়েত প্রধান ও মুন্না চৌধুরীর ভূমিকা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েতের প্রধান। তাঁর দাবি, সমীক্ষায় অনিয়ম হয়ে থাকলে তার দায় ব্লক প্রশাসনের। সমীক্ষা সম্পর্কে তিনি কিছুই জানেন না বলেও দাবি করেন। বঞ্চিতদের দাবি, রাজনৈতিক পরিচয় নয়, যোগ্যতার ভিত্তিতে পুনরায় সমীক্ষা করে প্রকৃত উপভোক্তাদের ঘর দেওয়া হোক।