মালদা: প্রধানের কুর্সি দখলকে কেন্দ্র করে মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর ২ ব্লকের মশালদহ গ্রাম পঞ্চায়েতে কংগ্রেসের গোষ্ঠীকোন্দল প্রকাশ্যে। প্রদেশ কংগ্রেসের সহ-সভাপতি মোস্তাক আলমের বিরুদ্ধে দলবিরোধী ভূমিকার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠীর নেতারা। তাঁদের অভিযোগ, দলীয় সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করে তৃণমূল সদস্যদের সঙ্গে সমীকরণ তৈরি করে হুমায়ূন রেজাকে প্রধান করার চেষ্টা করেছিলেন মোস্তাক। এমনকি টাকার বিনিময়ে সমর্থন জোগাড়ের অভিযোগও তোলা হয়েছে। সেই সূত্রেই তাঁকে ‘মীরজাফর’ বলে কটাক্ষ করেন বিক্ষুব্ধরা।
গত ২০ আগস্ট কংগ্রেসের প্রধান আয়েশা খাতুন ইস্তফা দেন। বুধবার নতুন প্রধান নির্বাচনে ভোটাভুটি হয়। ২৮ সদস্যের পঞ্চায়েতে কংগ্রেসের ২০ এবং তৃণমূলের ৮ সদস্য রয়েছেন। হুমায়ূন রেজা ও রাইয়াতুন নেশার মধ্যে ভোটাভুটিতে ১৭টি ভোট পেয়ে প্রধান নির্বাচিত হন রাইয়াতুন।
জেলা কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান চৌধুরী ও প্রাক্তন জেলা পরিষদ সদস্য আনেসুর রহমান রাইয়াতুনের পক্ষে ছিলেন। তাঁদের দাবি, দলের স্বার্থের বিরুদ্ধে গড়ে তোলা মোস্তাকের সমীকরণ শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়েছে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মোস্তাক। তাঁর দাবি, আড়াই বছর করে প্রধান থাকার সমঝোতা আগেই হয়েছিল। রাইয়াতুন নির্বাচিত হওয়ার পর সমর্থকদের উচ্ছ্বাসে মশালদহে আবির খেলা ও মালাবদলও দেখা যায়।
নতুন গতি 



























