২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

বিএসএফ জওয়ানদের বাঁচিয়ে ভিটেছাড়া, ফের আশ্রয় হারানোর আশঙ্কা আব্দুলের

কোচবিহার: বিএসএফের ১২ জন জওয়ানকে বাংলাদেশি দুষ্কৃতীদের হাত থেকে রক্ষা করতে গিয়ে প্রায় ২০ বছর আগে ভিটেমাটি ছাড়তে হয়েছিল আব্দুল হামিদকে। এরপর ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতার সংলগ্ন এলাকায় বিএসএফের দেওয়া সামান্য জায়গায় পরিবার নিয়ে বসবাস করছিলেন তিনি। এবার সেই এলাকাতেও কাঁটাতার বসানোর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় ফের আশ্রয় হারানোর আশঙ্কায় প্রশাসনের দ্বারস্থ ষাটোর্ধ্ব আব্দুল।
দিনহাটা মহকুমার সাহেবগঞ্জ সীমান্ত সংলগ্ন ভারতীয় ছিট ১৪২ নম্বর সেউটিকুর্শায় প্রায় ৬৫ বিঘা জমিতে কয়েক জন বাংলাদেশি জোর করে চাষাবাদ শুরু করেছিলেন বলে অভিযোগ। তা নিয়ে অশান্তির সময় প্রায় ১২ জন বিএসএফ জওয়ানকে ঘিরে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে। তাঁদের রক্ষা করতে এগিয়ে গিয়েছিলেন যুবক আব্দুল। পরে একাধিক গণ্ডগোলের জেরে ভিটে-জমি ছাড়তে বাধ্য হন তিনি।
বিএসএফের প্রস্তাবে দিনহাটা-২ ব্লকের সাহেবগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েতের শচীনন্দন ক্যাম্পের পাশে ছোট্ট বাড়ি তৈরি করে বসবাস শুরু করেন। কিন্তু মাসখানেক আগে সেখান থেকেও সরে যেতে বলা হয়। বিষয়টি নিয়ে বিডিও ও মহকুমাশাসকের দ্বারস্থ হন আব্দুল। কোচবিহার-২ ব্লকের বিডিও লামহু ওয়াংদি জানান, এখনও উচ্ছেদের প্রক্রিয়া শুরু হয়নি। শুরু হলে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে। দিনহাটার বিধায়ক অজয় রায়ও পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।

বন্ধ পাঠশালা, মুখ শুকনো কাঞ্চনদের

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বিএসএফ জওয়ানদের বাঁচিয়ে ভিটেছাড়া, ফের আশ্রয় হারানোর আশঙ্কা আব্দুলের

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সোমবার
কোচবিহার: বিএসএফের ১২ জন জওয়ানকে বাংলাদেশি দুষ্কৃতীদের হাত থেকে রক্ষা করতে গিয়ে প্রায় ২০ বছর আগে ভিটেমাটি ছাড়তে হয়েছিল আব্দুল হামিদকে। এরপর ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতার সংলগ্ন এলাকায় বিএসএফের দেওয়া সামান্য জায়গায় পরিবার নিয়ে বসবাস করছিলেন তিনি। এবার সেই এলাকাতেও কাঁটাতার বসানোর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় ফের আশ্রয় হারানোর আশঙ্কায় প্রশাসনের দ্বারস্থ ষাটোর্ধ্ব আব্দুল।
দিনহাটা মহকুমার সাহেবগঞ্জ সীমান্ত সংলগ্ন ভারতীয় ছিট ১৪২ নম্বর সেউটিকুর্শায় প্রায় ৬৫ বিঘা জমিতে কয়েক জন বাংলাদেশি জোর করে চাষাবাদ শুরু করেছিলেন বলে অভিযোগ। তা নিয়ে অশান্তির সময় প্রায় ১২ জন বিএসএফ জওয়ানকে ঘিরে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে। তাঁদের রক্ষা করতে এগিয়ে গিয়েছিলেন যুবক আব্দুল। পরে একাধিক গণ্ডগোলের জেরে ভিটে-জমি ছাড়তে বাধ্য হন তিনি।
বিএসএফের প্রস্তাবে দিনহাটা-২ ব্লকের সাহেবগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েতের শচীনন্দন ক্যাম্পের পাশে ছোট্ট বাড়ি তৈরি করে বসবাস শুরু করেন। কিন্তু মাসখানেক আগে সেখান থেকেও সরে যেতে বলা হয়। বিষয়টি নিয়ে বিডিও ও মহকুমাশাসকের দ্বারস্থ হন আব্দুল। কোচবিহার-২ ব্লকের বিডিও লামহু ওয়াংদি জানান, এখনও উচ্ছেদের প্রক্রিয়া শুরু হয়নি। শুরু হলে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে। দিনহাটার বিধায়ক অজয় রায়ও পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।