২৪ অক্টোবর ২০২৬, শনিবার, ৭ কার্তিক ১৪৩৩
২৪ অক্টোবর ২০২৬, শনিবার, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

মৌজা-জটে জনগণনা থেকে বাদ ২৫ পরিবার, দুশ্চিন্তায় গ্রামবাসী

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার
  • 58
সফিকুল আলম, নতুন গতি, মালদা: মৌজার সীমানা নিয়ে বিভ্রাটের জেরে জনগণনা সমীক্ষা থেকে বাদ পড়েছে মালদার চাঁচল-২ ব্লকের হারো হাজরার কালোবাংরা গ্রামের প্রায় ২৫টি পরিবার। সরকারি পোর্টালে আবেদন করা হলেও বাড়ি বাড়ি সমীক্ষা করতে আসেননি দায়িত্বপ্রাপ্ত এনিউমেরেটররা। ফলে প্রথম পর্যায়ের সমীক্ষা থেকে বাদ পড়ে ভবিষ্যতে সরকারি নথি ও পরিষেবা নিয়ে সমস্যার আশঙ্কায় রয়েছেন বাসিন্দারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই এলাকার বাড়িগুলি তিনটি মৌজায় ছড়িয়ে রয়েছে। মহম্মদপুর মৌজায় ১১টি, গোরখপুরে ৭টি এবং ভাকরি মৌজায় ৪টি পরিবার রয়েছে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, তিন মৌজার দায়িত্বপ্রাপ্ত এনিউমেরেটররা একে অপরের দিকে দায় ঠেলে দেওয়ায় কোনও কর্মীই তাঁদের বাড়িতে এসে তথ্য যাচাই করেননি।
ইতিমধ্যে জনগণনার কাজ শেষ হয়ে যাওয়ায় উদ্বেগ আরও বেড়েছে। দ্রুত বাদ পড়া পরিবারগুলির সমীক্ষা সম্পন্ন ও তালিকাভুক্ত করার দাবিতে মহকুমা শাসক এবং বিডিওর কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন গ্রামবাসীরা। দায়িত্বপ্রাপ্ত গণনা কর্মীদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ জানানো হয়েছে।
ঘটনা ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মালদা উত্তরের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু বলেন, “ওই পরিবারগুলির কেন সমীক্ষা হল না, তা বিডিওকে দেখতে বলব। যদি কোনও গণনা কর্মীর দায়িত্বহীনতার কারণে এই ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

রাজধানীতে ‘জ্ঞানেশ হটাও’ মিছিলের ডাক

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মৌজা-জটে জনগণনা থেকে বাদ ২৫ পরিবার, দুশ্চিন্তায় গ্রামবাসী

আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার
সফিকুল আলম, নতুন গতি, মালদা: মৌজার সীমানা নিয়ে বিভ্রাটের জেরে জনগণনা সমীক্ষা থেকে বাদ পড়েছে মালদার চাঁচল-২ ব্লকের হারো হাজরার কালোবাংরা গ্রামের প্রায় ২৫টি পরিবার। সরকারি পোর্টালে আবেদন করা হলেও বাড়ি বাড়ি সমীক্ষা করতে আসেননি দায়িত্বপ্রাপ্ত এনিউমেরেটররা। ফলে প্রথম পর্যায়ের সমীক্ষা থেকে বাদ পড়ে ভবিষ্যতে সরকারি নথি ও পরিষেবা নিয়ে সমস্যার আশঙ্কায় রয়েছেন বাসিন্দারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই এলাকার বাড়িগুলি তিনটি মৌজায় ছড়িয়ে রয়েছে। মহম্মদপুর মৌজায় ১১টি, গোরখপুরে ৭টি এবং ভাকরি মৌজায় ৪টি পরিবার রয়েছে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, তিন মৌজার দায়িত্বপ্রাপ্ত এনিউমেরেটররা একে অপরের দিকে দায় ঠেলে দেওয়ায় কোনও কর্মীই তাঁদের বাড়িতে এসে তথ্য যাচাই করেননি।
ইতিমধ্যে জনগণনার কাজ শেষ হয়ে যাওয়ায় উদ্বেগ আরও বেড়েছে। দ্রুত বাদ পড়া পরিবারগুলির সমীক্ষা সম্পন্ন ও তালিকাভুক্ত করার দাবিতে মহকুমা শাসক এবং বিডিওর কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন গ্রামবাসীরা। দায়িত্বপ্রাপ্ত গণনা কর্মীদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ জানানো হয়েছে।
ঘটনা ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মালদা উত্তরের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু বলেন, “ওই পরিবারগুলির কেন সমীক্ষা হল না, তা বিডিওকে দেখতে বলব। যদি কোনও গণনা কর্মীর দায়িত্বহীনতার কারণে এই ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”