০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩
০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩

গরু চুরির আগেই পুলিশের জালে দুই অভিযুক্ত, মৈপিঠে উদ্ধার দড়ি-ছুরি-বস্তা

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার
  • 20

নিজস্ব সংবাদদাতা, কুলতলী, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: গরু চুরির উদ্দেশ্যে এলাকায় জড়ো হওয়ার অভিযোগে মৈপিঠ কোস্টাল থানার পুলিশের হাতে গ্রেফতার হল দুই ব্যক্তি। ধৃতদের কাছ থেকে গরু চুরির কাজে ব্যবহারের জন্য রাখা দড়ি, ছুরি, বস্তা-সহ বেশ কিছু সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে। পুলিশের তৎপরতায় গরু চুরির আগেই অভিযুক্তদের পরিকল্পনা ভেস্তে দেওয়া সম্ভব হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গতকাল রাতে মৈপিঠ কোস্টাল থানা এলাকার একটি জায়গায় কয়েকজন সন্দেহজনক ব্যক্তি গরু চুরির উদ্দেশ্যে জড়ো হয়েছিল। বিষয়টি পুলিশের নজরে আসতেই অভিযান চালানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালিয়ে গেলেও দুজনকে আটক করতে সক্ষম হন পুলিশকর্মীরা। পরে তাদের গ্রেফতার করা হয়।ধৃতদের নাম আনার আলী সরদার ও আরশেদ মোল্লা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আনার আলী সরদারের বাড়ি বকুলতলা থানা এলাকায় এবং আরশেদ মোল্লার বাড়ি কুলতলী থানা এলাকায়। তাদের কাছ থেকে দড়ি, ছুরি, বস্তা-সহ গরু চুরিতে ব্যবহারের উপযোগী বিভিন্ন সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে।তদন্তে পুলিশের দাবি, ধৃতরা জিজ্ঞাসাবাদে বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন সময় গরু চুরির সঙ্গে যুক্ত থাকার কথা জানিয়েছে। এমনকি গত মার্চ মাসে মৈপিঠ কোস্টাল থানা এলাকায় গাড়ি-সহ যে গরু চোর চক্রের সদস্যদের গ্রেফতার করা হয়েছিল, সেই ঘটনার সঙ্গেও ধৃতদের প্রত্যক্ষ যোগসূত্র রয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে। ওই সময় পুলিশের অভিযান চলাকালীন কয়েকজন পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিল বলেও জানা যায়।

পুলিশের দাবি, সেই চক্রেরই কয়েকজন সদস্য ফের মৈপিঠ এলাকায় গরু চুরির উদ্দেশ্যে জড়ো হয়েছিল। তবে এবারও মৈপিঠ কোস্টাল থানার পুলিশের তৎপরতায় তাদের পরিকল্পনা সফল হয়নি।ধৃত দুই অভিযুক্তকে গরু চুরির উদ্দেশ্যে জড়ো হওয়ার অভিযোগে মামলা রুজু করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পুরো ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে মৈপিঠ কোস্টাল থানার পুলিশ।

এমনই সুন্দর সুন্দর প্রতিবেদন পেতে আমাদের এই পেজটিতে ফলো করে লাইক কমেন্ট ও শেয়ার এর মাধ্যমে উৎসাহ বাড়াবেন।

গরু চুরির আগেই পুলিশের জালে দুই অভিযুক্ত, মৈপিঠে উদ্ধার দড়ি-ছুরি-বস্তা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

গরু চুরির আগেই পুলিশের জালে দুই অভিযুক্ত, মৈপিঠে উদ্ধার দড়ি-ছুরি-বস্তা

আপডেট : ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা, কুলতলী, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: গরু চুরির উদ্দেশ্যে এলাকায় জড়ো হওয়ার অভিযোগে মৈপিঠ কোস্টাল থানার পুলিশের হাতে গ্রেফতার হল দুই ব্যক্তি। ধৃতদের কাছ থেকে গরু চুরির কাজে ব্যবহারের জন্য রাখা দড়ি, ছুরি, বস্তা-সহ বেশ কিছু সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে। পুলিশের তৎপরতায় গরু চুরির আগেই অভিযুক্তদের পরিকল্পনা ভেস্তে দেওয়া সম্ভব হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গতকাল রাতে মৈপিঠ কোস্টাল থানা এলাকার একটি জায়গায় কয়েকজন সন্দেহজনক ব্যক্তি গরু চুরির উদ্দেশ্যে জড়ো হয়েছিল। বিষয়টি পুলিশের নজরে আসতেই অভিযান চালানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালিয়ে গেলেও দুজনকে আটক করতে সক্ষম হন পুলিশকর্মীরা। পরে তাদের গ্রেফতার করা হয়।ধৃতদের নাম আনার আলী সরদার ও আরশেদ মোল্লা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আনার আলী সরদারের বাড়ি বকুলতলা থানা এলাকায় এবং আরশেদ মোল্লার বাড়ি কুলতলী থানা এলাকায়। তাদের কাছ থেকে দড়ি, ছুরি, বস্তা-সহ গরু চুরিতে ব্যবহারের উপযোগী বিভিন্ন সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে।তদন্তে পুলিশের দাবি, ধৃতরা জিজ্ঞাসাবাদে বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন সময় গরু চুরির সঙ্গে যুক্ত থাকার কথা জানিয়েছে। এমনকি গত মার্চ মাসে মৈপিঠ কোস্টাল থানা এলাকায় গাড়ি-সহ যে গরু চোর চক্রের সদস্যদের গ্রেফতার করা হয়েছিল, সেই ঘটনার সঙ্গেও ধৃতদের প্রত্যক্ষ যোগসূত্র রয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে। ওই সময় পুলিশের অভিযান চলাকালীন কয়েকজন পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিল বলেও জানা যায়।

পুলিশের দাবি, সেই চক্রেরই কয়েকজন সদস্য ফের মৈপিঠ এলাকায় গরু চুরির উদ্দেশ্যে জড়ো হয়েছিল। তবে এবারও মৈপিঠ কোস্টাল থানার পুলিশের তৎপরতায় তাদের পরিকল্পনা সফল হয়নি।ধৃত দুই অভিযুক্তকে গরু চুরির উদ্দেশ্যে জড়ো হওয়ার অভিযোগে মামলা রুজু করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পুরো ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে মৈপিঠ কোস্টাল থানার পুলিশ।

এমনই সুন্দর সুন্দর প্রতিবেদন পেতে আমাদের এই পেজটিতে ফলো করে লাইক কমেন্ট ও শেয়ার এর মাধ্যমে উৎসাহ বাড়াবেন।