০৯ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩
০৯ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

ফের সফদর হাসমি চককে ঘিরে বিতর্ক, বোর্ডের উপর অন্য পোস্টার

নতুন গতি, শিলিগুড়ি: ফের বিতর্ক শিলিগুড়ির সফদর হাসমি চককে ঘিরে। বৃহস্পতিবার দুপুরে সফদর হাসমি চক লেখা বোর্ডের ওপরে হঠাৎ লাগিয়ে দেওয়া হয় ‘তিলক বাহাদুর ছেত্রী চৌক’ লেখা পোস্টার। লেখার চারিদিকে করা হয় হলুদ রঙের বর্ডার। পোস্টারের যেই ডিজাইন, তা দেখে অনেকেই অভিযোগের আঙুল তুলেছেন বিজেপি বা তার সহযোগী সংগঠনের দিকে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা শহরজুড়ে বইছে প্রতিবাদের বন্যা। ছড়িয়েছে চাঞ্চল্যও।
এই প্রসঙ্গে সিপিএমের দার্জিলিং জেলার সম্পাদক সমন পাঠকের বক্তব্য, “এভাবে স্বীকৃত নাম পরিবর্তন করা যায় না। সেটা করতে হলেও নির্দিষ্ট পদ্ধতি মানতে হয়।” অন্যদিকে নাট্যজগতে অন্যতম পরিচিত মুখ পার্থপ্রতিম মিত্র বলেছেন, “সফদর হাসমি ভারত বিখ্যাত নাট্যকর্মী ছিলেন। মানুষের কথা নাটকের মাধ্যমে মঞ্চস্থ করতে গিয়ে দুষ্কৃতীদের হাতে খুন হতে হয়েছিল তাঁকে। পরবর্তীতে সারা ভারতের নাট্যকর্মীদের নিয়ে সফদর হাসমি মেমোরিয়াল ট্রাস্ট গঠন করা হয়। অতীতে আমরা তাঁর স্ত্রী মলয়শ্রী হাসমিকে এনে শিলিগুড়ির ওই নির্দিষ্ট জায়গায় নাটক মঞ্চস্থ করেছি। এর সঙ্গে ইতিহাস ও সংস্কৃতি জড়িত রয়েছে।”
গেরুয়া শিবিরের দিকে অভিযোগের আঙুল তোলা হলেও, তারা সেই অভিযোগ মানতে নারাজ। দলের শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলার প্রধান মুখপাত্র বাপি পাল বলেছেন, “কেউ বা কারা ক্রমাগত বিজেপিকে বদনাম করার চেষ্টা করছে। আমাদের দল এসব অনুমোদন করে না। ওখানে সিসিটিভির ক্যামেরা বসানো রয়েছে। প্রশাসন বিষয়টি তদন্ত করে দেখুক।” প্রসঙ্গত, মাসখানেক আগে রাত্রিবেলায় আচমকা ওই জায়গা থেকে বোর্ড সরিয়ে নেওয়ার খবর ছড়ালে পরে প্রশাসন জানায়, বোর্ড সাময়িকভাবে মাটির নীচে শুধু পাতার জন্য খোলা হয়েছিল। তখন থেকেই অনেকের মনে চক্রান্তের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।

৩৫০ বছরের ছয় বুড়োর পুজো, আজও অটুট উন্মাদনা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ফের সফদর হাসমি চককে ঘিরে বিতর্ক, বোর্ডের উপর অন্য পোস্টার

আপডেট : ১৮ অগাস্ট ২০২৬, মঙ্গলবার
নতুন গতি, শিলিগুড়ি: ফের বিতর্ক শিলিগুড়ির সফদর হাসমি চককে ঘিরে। বৃহস্পতিবার দুপুরে সফদর হাসমি চক লেখা বোর্ডের ওপরে হঠাৎ লাগিয়ে দেওয়া হয় ‘তিলক বাহাদুর ছেত্রী চৌক’ লেখা পোস্টার। লেখার চারিদিকে করা হয় হলুদ রঙের বর্ডার। পোস্টারের যেই ডিজাইন, তা দেখে অনেকেই অভিযোগের আঙুল তুলেছেন বিজেপি বা তার সহযোগী সংগঠনের দিকে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা শহরজুড়ে বইছে প্রতিবাদের বন্যা। ছড়িয়েছে চাঞ্চল্যও।
এই প্রসঙ্গে সিপিএমের দার্জিলিং জেলার সম্পাদক সমন পাঠকের বক্তব্য, “এভাবে স্বীকৃত নাম পরিবর্তন করা যায় না। সেটা করতে হলেও নির্দিষ্ট পদ্ধতি মানতে হয়।” অন্যদিকে নাট্যজগতে অন্যতম পরিচিত মুখ পার্থপ্রতিম মিত্র বলেছেন, “সফদর হাসমি ভারত বিখ্যাত নাট্যকর্মী ছিলেন। মানুষের কথা নাটকের মাধ্যমে মঞ্চস্থ করতে গিয়ে দুষ্কৃতীদের হাতে খুন হতে হয়েছিল তাঁকে। পরবর্তীতে সারা ভারতের নাট্যকর্মীদের নিয়ে সফদর হাসমি মেমোরিয়াল ট্রাস্ট গঠন করা হয়। অতীতে আমরা তাঁর স্ত্রী মলয়শ্রী হাসমিকে এনে শিলিগুড়ির ওই নির্দিষ্ট জায়গায় নাটক মঞ্চস্থ করেছি। এর সঙ্গে ইতিহাস ও সংস্কৃতি জড়িত রয়েছে।”
গেরুয়া শিবিরের দিকে অভিযোগের আঙুল তোলা হলেও, তারা সেই অভিযোগ মানতে নারাজ। দলের শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলার প্রধান মুখপাত্র বাপি পাল বলেছেন, “কেউ বা কারা ক্রমাগত বিজেপিকে বদনাম করার চেষ্টা করছে। আমাদের দল এসব অনুমোদন করে না। ওখানে সিসিটিভির ক্যামেরা বসানো রয়েছে। প্রশাসন বিষয়টি তদন্ত করে দেখুক।” প্রসঙ্গত, মাসখানেক আগে রাত্রিবেলায় আচমকা ওই জায়গা থেকে বোর্ড সরিয়ে নেওয়ার খবর ছড়ালে পরে প্রশাসন জানায়, বোর্ড সাময়িকভাবে মাটির নীচে শুধু পাতার জন্য খোলা হয়েছিল। তখন থেকেই অনেকের মনে চক্রান্তের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।