১০ অগাস্ট ২০২৬, সোমবার, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
১০ অগাস্ট ২০২৬, সোমবার, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩

মানুষ আছে, গ্রাম নেই! জনগণনা ঘিরে সরকারি খাতায় ‘নিখোঁজ’ হুগলির খলসী

হুগলি: গ্রাম রয়েছে, বাসিন্দারাও রয়েছেন। অথচ সরকারি খাতায় গ্রামের অস্তিত্বই নেই! জনগণনার কাজ শুরু হতেই এমনই অস্তিত্ব-সঙ্কটে হুগলির চুঁচুড়া-মগড়া ব্লকের হোয়েরা দিগসুই গ্রাম পঞ্চায়েতের খলসী গ্রাম। প্রায় ২,২০০ মানুষের এই গ্রামে ভোটারের সংখ্যা প্রায় ১,২০০। অথচ পঞ্চায়েতের বাকি ১৭টি গ্রামের নাম জনগণনার পোর্টালে থাকলেও খলসীর কোনও কোড বা সরকারি অস্তিত্ব নেই বলে অভিযোগ। এর জেরে দীর্ঘদিন ধরেই জন্মের শংসাপত্র, আধার কার্ড-সহ বিভিন্ন সরকারি নথিতে গ্রামের নাম উল্লেখ করতে সমস্যায় পড়ছেন বাসিন্দারা। ডাক বা পার্সেলও প্রায়ই পাশের দিগসুই গ্রামের ঠিকানায় আসে। কখনও তা ফিরেও যায়। সম্প্রতি জনগণনার স্ব-শুমারি পর্ব শুরু হওয়ায় সমস্যাটি আরও প্রকট হয়েছে। পোর্টালে গ্রামের নাম খুঁজে না পেয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন বাসিন্দারা। বিডিও, জেলাশাসক থেকে মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও আবেদন জানানো হয়েছে বলে দাবি তাঁদের। বাসিন্দা প্রশান্ত ঘোষের অভিযোগ, ‘‘ঠিকানায় খলসীর নাম না থাকায় ডাককর্মীরা অনেক সময় চিঠি পৌঁছে দিতে পারেন না। পাশের গ্রামে গিয়ে তা সংগ্রহ করতে হয়।’’ এদিকে, জেলাশাসক খুরশিদ আলি কাদরি জানান, এটি মূলত মানচিত্র সংক্রান্ত প্রযুক্তিগত সমস্যা। বিষয়টি জনগণনা দফতরের ডিরেক্টরকে জানানো হয়েছে। দ্রুত ম্যাপিং করে সমস্যার সমাধান করা হবে।

বামেদের আইন অমান্য আন্দোলন: সিউড়িতে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, গ্রেপ্তার প্রায় ২০

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মানুষ আছে, গ্রাম নেই! জনগণনা ঘিরে সরকারি খাতায় ‘নিখোঁজ’ হুগলির খলসী

আপডেট : ১০ অগাস্ট ২০২৬, সোমবার
হুগলি: গ্রাম রয়েছে, বাসিন্দারাও রয়েছেন। অথচ সরকারি খাতায় গ্রামের অস্তিত্বই নেই! জনগণনার কাজ শুরু হতেই এমনই অস্তিত্ব-সঙ্কটে হুগলির চুঁচুড়া-মগড়া ব্লকের হোয়েরা দিগসুই গ্রাম পঞ্চায়েতের খলসী গ্রাম। প্রায় ২,২০০ মানুষের এই গ্রামে ভোটারের সংখ্যা প্রায় ১,২০০। অথচ পঞ্চায়েতের বাকি ১৭টি গ্রামের নাম জনগণনার পোর্টালে থাকলেও খলসীর কোনও কোড বা সরকারি অস্তিত্ব নেই বলে অভিযোগ। এর জেরে দীর্ঘদিন ধরেই জন্মের শংসাপত্র, আধার কার্ড-সহ বিভিন্ন সরকারি নথিতে গ্রামের নাম উল্লেখ করতে সমস্যায় পড়ছেন বাসিন্দারা। ডাক বা পার্সেলও প্রায়ই পাশের দিগসুই গ্রামের ঠিকানায় আসে। কখনও তা ফিরেও যায়। সম্প্রতি জনগণনার স্ব-শুমারি পর্ব শুরু হওয়ায় সমস্যাটি আরও প্রকট হয়েছে। পোর্টালে গ্রামের নাম খুঁজে না পেয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন বাসিন্দারা। বিডিও, জেলাশাসক থেকে মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও আবেদন জানানো হয়েছে বলে দাবি তাঁদের। বাসিন্দা প্রশান্ত ঘোষের অভিযোগ, ‘‘ঠিকানায় খলসীর নাম না থাকায় ডাককর্মীরা অনেক সময় চিঠি পৌঁছে দিতে পারেন না। পাশের গ্রামে গিয়ে তা সংগ্রহ করতে হয়।’’ এদিকে, জেলাশাসক খুরশিদ আলি কাদরি জানান, এটি মূলত মানচিত্র সংক্রান্ত প্রযুক্তিগত সমস্যা। বিষয়টি জনগণনা দফতরের ডিরেক্টরকে জানানো হয়েছে। দ্রুত ম্যাপিং করে সমস্যার সমাধান করা হবে।