২৭ অক্টোবর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১০ কার্তিক ১৪৩৩
২৭ অক্টোবর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

শিলিগুড়ি বিধান মার্কেটের ব্যাবসায়ী সমিতির তরফ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আজ এক অভিযোগ পত্র পাঠানো হল

নিজস্ব সংবাদদাতা :শিলিগুড়ি বিধান মার্কেটের দোকান ঘরের ব্যাক্তি মালিকানার দাবী নিয়ে শিলিগুড়ি মহকুমা শাসকের মাধ্যমে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীকে স্মরণলিপি প্রদান করা হল আজ।শিলিগুড়ি বিধান মার্কেটের ব্যাবসায়ী সমিতির তরফ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আজ এক অভিযোগ পত্র পাঠানো হল। আজ বিধান মার্কেট ব্যাবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে সম্পাদক বাপি সাহা জানান এত বছর থেকে বিধান মার্কেটের ব্যাবসায়ীরা বহু সমস্যার মধ্যে দিয়ে দোকান করে যাচ্ছেন,তবে এখনো আমরা মালিকানা পেলাম না এটা একদিকে যেমন কষ্টের তেমনি বেদনার।একটা মার্কেট যেটা আমাদের নিজের জায়গা আর পরিবারের মতন সেখানে এইভাবে আমাদের দিনের পর দিন দোকানের মালিকানা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।আমাদের পরে আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম ঠিক একই সময় ভুগে চলেছে তাই আমরা চাই এর স্থায়ী সমাধান হোক যাতে পরবর্তী প্রজন্ম ঠিকভাবে ব্যাবসা চালিয়ে যেতে পারে। আর যাই হোক কিছু সিদ্ধান্তের উপরেই নির্ভর করছে আমাদের ভবিষ্যত কারন এইভাবে আর চলতে পারা যায় না। আমাদের যদি স্থায়ীভাবে বসবাস করতে না দেয় তবে কিভাবে আমরা এগিয়ে যাব বলে জানালেন বাপি সাহা এবং অন্যান্য দোকানের মালিকেরা।

খাড়গের বাসভবনের সামনে বিজেপির বিক্ষোভ, আটক করা হয় প্রায় ২০০০ জনকে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

শিলিগুড়ি বিধান মার্কেটের ব্যাবসায়ী সমিতির তরফ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আজ এক অভিযোগ পত্র পাঠানো হল

আপডেট : ২৬ মে ২০২৩, শুক্রবার

নিজস্ব সংবাদদাতা :শিলিগুড়ি বিধান মার্কেটের দোকান ঘরের ব্যাক্তি মালিকানার দাবী নিয়ে শিলিগুড়ি মহকুমা শাসকের মাধ্যমে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীকে স্মরণলিপি প্রদান করা হল আজ।শিলিগুড়ি বিধান মার্কেটের ব্যাবসায়ী সমিতির তরফ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আজ এক অভিযোগ পত্র পাঠানো হল। আজ বিধান মার্কেট ব্যাবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে সম্পাদক বাপি সাহা জানান এত বছর থেকে বিধান মার্কেটের ব্যাবসায়ীরা বহু সমস্যার মধ্যে দিয়ে দোকান করে যাচ্ছেন,তবে এখনো আমরা মালিকানা পেলাম না এটা একদিকে যেমন কষ্টের তেমনি বেদনার।একটা মার্কেট যেটা আমাদের নিজের জায়গা আর পরিবারের মতন সেখানে এইভাবে আমাদের দিনের পর দিন দোকানের মালিকানা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।আমাদের পরে আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম ঠিক একই সময় ভুগে চলেছে তাই আমরা চাই এর স্থায়ী সমাধান হোক যাতে পরবর্তী প্রজন্ম ঠিকভাবে ব্যাবসা চালিয়ে যেতে পারে। আর যাই হোক কিছু সিদ্ধান্তের উপরেই নির্ভর করছে আমাদের ভবিষ্যত কারন এইভাবে আর চলতে পারা যায় না। আমাদের যদি স্থায়ীভাবে বসবাস করতে না দেয় তবে কিভাবে আমরা এগিয়ে যাব বলে জানালেন বাপি সাহা এবং অন্যান্য দোকানের মালিকেরা।