শিলিগুড়ি: ৪৮ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ১০ জন শিশুর। খবর জানাজানি হতেই রীতিমতো শোরগোল পরে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। এবার নিয়ম মেনে গঠন করা হয়েছে তদন্ত কমিটি। এখানেই শেষ নয়, স্বাস্থ্য ভবনেও প্রাথমিক রিপোর্ট এসে পৌঁছেছে। হাসপাতালের সুপার শিশু মৃত্যুর কথা স্বীকার করে নিয়ে জানিয়েছেন, উত্তরবঙ্গজুড়ে নানা হাসপাতাল ও নার্সিংহোম থেকে শিশুদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় পাঠানো হয়েছিল। তাঁর আরও অভিযোগ, নিয়মানুসারে রেফার করা হয়নি।
সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ১০টি শিশুর মধ্যে ৮ জনকে উত্তরবঙ্গের অন্যান্য হাসপাতাল ও নার্সিংহোম থেকে রেফার করা হলেও বাকি দুই শিশু মেডিক্যাল কলেজেই জন্ম নিয়েছিল। তাদের বেশিরভাগেরই মাত্র কয়েকদিন বয়স। হাসপাতাল জানিয়েছে, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ৮টি শিশুকেই মেডিক্যাল কলেজে আনা হয়েছিল। রেফারের চিঠিতে নাকি ভেন্টিলেটর দরকারের কথা বলা হয়েছিল। তবে ফাঁকা বেড সংখ্যা না জেনে বা নিয়ম না মেনে রেফার করা হয়েছে। ওয়ার্ডে পৌঁছনোর আগেই কয়েকজন শিশুর মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ।
একের পর এক শিশু মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষুব্ধ উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ। তদন্ত কমিটি তৈরি করা হয়েছে নিয়ম অনুসারে এবং সবটা খতিয়ে রিপোর্ট করা হবে। হাসপাতালের সুপার চিকিৎসক কৌশিকের বক্তব্য, “এই ঘটনায় আমাদের মেডিক্যাল কলেজের নাম বাদনাম হয়েছে। যে শিশুদের রেফার করা হয়, তাঁদের অবস্থা খারাপ ছিল। রেফার করার ক্ষেত্রে নিয়ম মানা হয়নি। তাছাড়া বেশ কিছুদিন হাসপাতাল ও নার্সিংহোমে রেখে তারপর রেফার করা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী সব কিছু খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”
নতুন গতি 























