০২ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
০২ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

“দুর্নীতির বিষয়ে জানাবো সরকারকে চিঠি লিখে” বহিষ্কারের পর বিস্ফোরক ঋতব্রত

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: এই মুহূর্তে বঙ্গ রাজনীতির অন্যতম আলোচনার পাত্র বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দোপাধ্যায়। সই জাল কাণ্ডে তাঁকে বহিষ্কার করেছে ঘাসফুল শিবির। তবে ঋতব্রত একা নন, বহিষ্কার করা হয়েছে এনটালির বিধায়ক সন্দীপন সাহাকেও। ঘটনা জানাজানি হতে যেমন চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা পশ্চিমবঙ্গে, তেমনি অস্বস্তি দ্বিগুণ হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের। শুভেন্দু অধিকারী সাংবাদিক বৈঠকের পরই দুজনকে দল বিরোধী কাজের অভিযোগ তুলে বহিষ্কার করা হয়।

এরপর এক সাক্ষাৎকারে প্রাক্তন শাসকদলের বিরুদ্ধে একাধিক বিস্ফোরক অভিযোগ তোলেন ঋতব্রত। তাঁর বক্তব্য, তিনি সবটা বলতে পারেন, যা জানেন। শুধু তাই নয়, তিনি এও জানান যে তিনি সরকারকে চিঠি লিখে দুর্নীতির বিষয়ে জানাবেন। পাশাপাশি, বহিষ্কৃত বিধায়ক এও দাবি করেন যে সরকারে তৃণমূল কংগ্রেস নেই বলে তিনি এগুলি বলতে পারছেন। নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তার বিষয়টিও তিনি উল্লেখ করেন।

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমি সবটা বলতে পারি যা জানি। দুর্নীতির বিষয়ে জানাবো সরকারকে চিঠি লিখে।” উলুবেড়িয়া পুরসভায় উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নের ব্যাপারে চরম অনিয়মের অভিযোগ তোলেন তিনি। বহিষ্কৃত তৃণমূল বিধায়কের অভিযোগ, কাজ দেওয়া হয়েছে টেন্ডার প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে এবং সরকারি সুবিধা বণ্টনে স্বচ্ছতার অভাব ছিল। যদিও তাঁর তোলা অভিযোগগুলির পক্ষে কোনও নথি তিনি প্রকাশ্যে পেশ করেননি।

তিনি আরো বলেন, “এগুলি তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় নেই বলেই বলতে পারছি। সরকারকে দুর্নীতির বিষয়ে লিখে জানাবো।” তিনি দাবি করেন যে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ ছিল। তবে সরকার বদলের পর এখন খোলাখুলি এগুলি বলতে পারছেন। এবার দেখার বিষয় যে আগামীদিনে এই পর্বে নতুন কিছু হয় কিনা। তৃণমূল কংগ্রেস এই ব্যাপারে কি পদক্ষেপ নেয় বা গেরুয়া শিবির কি করে, সেদিকেই এখন তাকিয়ে রাজ্যবাসী।

“বহিষ্কার হয় না তৃণমূল কংগ্রেস থেকে” ঋতব্রতকে বহিষ্কার নিয়ে অবস্থান সুজনের

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

“দুর্নীতির বিষয়ে জানাবো সরকারকে চিঠি লিখে” বহিষ্কারের পর বিস্ফোরক ঋতব্রত

আপডেট : ১ জুন ২০২৬, সোমবার

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: এই মুহূর্তে বঙ্গ রাজনীতির অন্যতম আলোচনার পাত্র বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দোপাধ্যায়। সই জাল কাণ্ডে তাঁকে বহিষ্কার করেছে ঘাসফুল শিবির। তবে ঋতব্রত একা নন, বহিষ্কার করা হয়েছে এনটালির বিধায়ক সন্দীপন সাহাকেও। ঘটনা জানাজানি হতে যেমন চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা পশ্চিমবঙ্গে, তেমনি অস্বস্তি দ্বিগুণ হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের। শুভেন্দু অধিকারী সাংবাদিক বৈঠকের পরই দুজনকে দল বিরোধী কাজের অভিযোগ তুলে বহিষ্কার করা হয়।

এরপর এক সাক্ষাৎকারে প্রাক্তন শাসকদলের বিরুদ্ধে একাধিক বিস্ফোরক অভিযোগ তোলেন ঋতব্রত। তাঁর বক্তব্য, তিনি সবটা বলতে পারেন, যা জানেন। শুধু তাই নয়, তিনি এও জানান যে তিনি সরকারকে চিঠি লিখে দুর্নীতির বিষয়ে জানাবেন। পাশাপাশি, বহিষ্কৃত বিধায়ক এও দাবি করেন যে সরকারে তৃণমূল কংগ্রেস নেই বলে তিনি এগুলি বলতে পারছেন। নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তার বিষয়টিও তিনি উল্লেখ করেন।

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমি সবটা বলতে পারি যা জানি। দুর্নীতির বিষয়ে জানাবো সরকারকে চিঠি লিখে।” উলুবেড়িয়া পুরসভায় উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নের ব্যাপারে চরম অনিয়মের অভিযোগ তোলেন তিনি। বহিষ্কৃত তৃণমূল বিধায়কের অভিযোগ, কাজ দেওয়া হয়েছে টেন্ডার প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে এবং সরকারি সুবিধা বণ্টনে স্বচ্ছতার অভাব ছিল। যদিও তাঁর তোলা অভিযোগগুলির পক্ষে কোনও নথি তিনি প্রকাশ্যে পেশ করেননি।

তিনি আরো বলেন, “এগুলি তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় নেই বলেই বলতে পারছি। সরকারকে দুর্নীতির বিষয়ে লিখে জানাবো।” তিনি দাবি করেন যে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ ছিল। তবে সরকার বদলের পর এখন খোলাখুলি এগুলি বলতে পারছেন। এবার দেখার বিষয় যে আগামীদিনে এই পর্বে নতুন কিছু হয় কিনা। তৃণমূল কংগ্রেস এই ব্যাপারে কি পদক্ষেপ নেয় বা গেরুয়া শিবির কি করে, সেদিকেই এখন তাকিয়ে রাজ্যবাসী।