১২ অগাস্ট ২০২৬, বুধবার, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
১২ অগাস্ট ২০২৬, বুধবার, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩

ক্রিকেট ওয়ানডে বিশ্বকাপে ফরম্যাট বদল আইসিসির আচরণে ক্ষুব্ধ সহযোগী দুটি দেশ

স্পোর্টস ডেস্ক: ২০২৭ পুরুষ ওয়ানডে বিশ্বকাপের কাঠামোর হঠাৎ পরিবর্তনে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) ওপর চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছে ক্রিকেট স্কটল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডস ক্রিকেট বোর্ড (কেএনসিবি)। মূল টুর্নামেন্ট শুরু হতে ১৮ মাসেরও কম সময় বাকি থাকতে বিশ্বকাপের কাঠামোর এই পরিবর্তন আনার কড়া সমালোচনা করেছে সহযোগী সদস্যদেশ দুটি।
গত মাসে আইসিসি ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে ‘সুপার সিরিজ’ নামে নতুন একটি পর্ব যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়। এই ফরম্যাটে বিশ্বকাপে সুযোগ পাওয়া ১৪ দলের মধ্যে র‍্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে ১২তম, ১৩তম এবং ১৪তম তিনটি দল সুপার সিরিজে অংশ নেবে। সিঙ্গেল লিগ পদ্ধতির সুপার সিরিজ থেকে কেবল একটি দল দ্বিতীয় রাউন্ডে ওঠার সুযোগ পাবে, যেখানে ১২টি দল দুটি গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে। যার অর্থ দুটি দল মাত্র ২টি ম্যাচ খেলেই বিদায় নেবে বিশ্বকাপ থেকে।
ফরম্যাট পরিবর্তনের ঘোষণার পর ক্রিকেট স্কটল্যান্ড, কেএনসিবি এবং অন্যান্য সহযোগী সদস্যদেশ আইসিসির সঙ্গে দুটি বৈঠক করে। এসব বৈঠকে ফরম্যাট পরিবর্তনের বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যার পাশাপাশি পুরো প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা দাবি করা হয়েছিল।
তবে সোমবার এক যৌথ বিবৃতিতে স্কটল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডস জানিয়েছে, দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় আগে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় বৈঠকের পর আইসিসির পক্ষ থেকে আর কোনো জবাব বা যোগাযোগ করা হয়নি। আইসিসির এমন আচরণকে ‘হতাশাজনক ও অসম্মানজনক’ বলে অভিহিত করেছে দেশ দুটি। যৌথ বিবৃতিতে দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ড লিখেছে, ‘এই পরিবর্তনগুলো অ্যাসোসিয়েট সদস্য ক্রিকেটের জন্য একটি বড় ধাক্কা এবং সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিশ্বজুড়ে ক্রিকেটের প্রসারে যে অগ্রগতি হয়েছে, তা ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করেছে। যখন ক্রিকেট তার পরিধি বাড়াতে, নতুন দর্শক টানতে এবং আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে চাইছে, ঠিক তখন উদীয়মান দেশগুলোর সুযোগ কমিয়ে দেওয়া একেবারেই ভুল বার্তা দেয়।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘আমরা আইসিসি এবং অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে বিশ্ব ক্রিকেটের উন্নয়নে গঠনমূলকভাবে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে এসব পরিবর্তনের প্রভাব এবং যে প্রক্রিয়ায় এগুলো আনা হয়েছে, তা নিয়ে আমাদের গভীর উদ্বেগ রয়েছে। সিদ্ধান্তগুলো গ্রহণের আগে পর্যাপ্ত আলোচনার প্রয়োজন ছিল।’

গভীর সমুদ্রে মৎস্যজীবীর মৃত্যু, শোকের ছায়া মুকুন্দপুরে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ক্রিকেট ওয়ানডে বিশ্বকাপে ফরম্যাট বদল আইসিসির আচরণে ক্ষুব্ধ সহযোগী দুটি দেশ

আপডেট : ১২ অগাস্ট ২০২৬, বুধবার
স্পোর্টস ডেস্ক: ২০২৭ পুরুষ ওয়ানডে বিশ্বকাপের কাঠামোর হঠাৎ পরিবর্তনে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) ওপর চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছে ক্রিকেট স্কটল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডস ক্রিকেট বোর্ড (কেএনসিবি)। মূল টুর্নামেন্ট শুরু হতে ১৮ মাসেরও কম সময় বাকি থাকতে বিশ্বকাপের কাঠামোর এই পরিবর্তন আনার কড়া সমালোচনা করেছে সহযোগী সদস্যদেশ দুটি।
গত মাসে আইসিসি ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে ‘সুপার সিরিজ’ নামে নতুন একটি পর্ব যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়। এই ফরম্যাটে বিশ্বকাপে সুযোগ পাওয়া ১৪ দলের মধ্যে র‍্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে ১২তম, ১৩তম এবং ১৪তম তিনটি দল সুপার সিরিজে অংশ নেবে। সিঙ্গেল লিগ পদ্ধতির সুপার সিরিজ থেকে কেবল একটি দল দ্বিতীয় রাউন্ডে ওঠার সুযোগ পাবে, যেখানে ১২টি দল দুটি গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে। যার অর্থ দুটি দল মাত্র ২টি ম্যাচ খেলেই বিদায় নেবে বিশ্বকাপ থেকে।
ফরম্যাট পরিবর্তনের ঘোষণার পর ক্রিকেট স্কটল্যান্ড, কেএনসিবি এবং অন্যান্য সহযোগী সদস্যদেশ আইসিসির সঙ্গে দুটি বৈঠক করে। এসব বৈঠকে ফরম্যাট পরিবর্তনের বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যার পাশাপাশি পুরো প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা দাবি করা হয়েছিল।
তবে সোমবার এক যৌথ বিবৃতিতে স্কটল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডস জানিয়েছে, দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় আগে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় বৈঠকের পর আইসিসির পক্ষ থেকে আর কোনো জবাব বা যোগাযোগ করা হয়নি। আইসিসির এমন আচরণকে ‘হতাশাজনক ও অসম্মানজনক’ বলে অভিহিত করেছে দেশ দুটি। যৌথ বিবৃতিতে দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ড লিখেছে, ‘এই পরিবর্তনগুলো অ্যাসোসিয়েট সদস্য ক্রিকেটের জন্য একটি বড় ধাক্কা এবং সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিশ্বজুড়ে ক্রিকেটের প্রসারে যে অগ্রগতি হয়েছে, তা ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করেছে। যখন ক্রিকেট তার পরিধি বাড়াতে, নতুন দর্শক টানতে এবং আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে চাইছে, ঠিক তখন উদীয়মান দেশগুলোর সুযোগ কমিয়ে দেওয়া একেবারেই ভুল বার্তা দেয়।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘আমরা আইসিসি এবং অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে বিশ্ব ক্রিকেটের উন্নয়নে গঠনমূলকভাবে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে এসব পরিবর্তনের প্রভাব এবং যে প্রক্রিয়ায় এগুলো আনা হয়েছে, তা নিয়ে আমাদের গভীর উদ্বেগ রয়েছে। সিদ্ধান্তগুলো গ্রহণের আগে পর্যাপ্ত আলোচনার প্রয়োজন ছিল।’