১০ জুন ২০২৬, বুধবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
১০ জুন ২০২৬, বুধবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

শতাব্দীর সান্ধ্য ‘চা-চক্রে’ উপস্থিত হলেন শুভেন্দু

আনজুম মুনির: সোমবারের ‘দিল্লি’ ছিল ঘটনার ঘনঘটায় পূর্ণ। শেষে রাতের দিকে শতাব্দীর বাড়িতে তৃণমূলের সাংসদদের চা-চক্রে উপস্থিত হয়ে গেলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। আর এই বৈঠক ঘিরেই তৈরি হয়েছে নানা জল্পনা। এবার লোকসভার কায়দায় রাজ্যসভাতেও ‘অপারেশন লোটাস।’ তবে সেই জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে বিদ্রোহী সাংসদের দাবি, এটাই শুধুই সান্ধ্য আড্ডা তথা চা-চক্র। তবে সূত্রের খবর, এদিন সকালে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে শতাব্দী রায়, আবু তাহের, খলিলুর রহমান, অসিত মাল বিক্ষুব্ধদের দলে যোগ দিলেও নিজেদের কিছু সমস্যার কথা বলেন। তারপরেই বিকেলে দিল্লির বাড়িতে সান্ধ্য চা চক্রের আয়োজন করেন সাংসদ শতাব্দী রায়।

তাঁদের সমস্যার সমাধান করতে সাংসদের বাড়িতে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই এক এক করে আসতে থাকেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার, অসিত মাল, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, বাপি হালদার, জুন মালিয়া, জগদীশ বাসুনিয়া, কালীপদ সোরেন, অরূপ চক্রবর্তী সহ একের পর এক বিদ্রোহী সাংসদ। ওই বৈঠকে সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি আরও বেশ কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে খবর। লোকসভার পর এবার টার্গেট রাজ্যসভা। সেখানেও একই নকশায় ভাঙন ধরাতে পারে বিজেপি। চা চক্রের ফাঁকে তা নিয়েও এদিন আলোচনা হতে পারে বলে খবর।

বলে রাখা প্রয়োজন, এদিন সকালেই বিজেপি নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন বিদ্রোহী সাংসদরা। এরপরেই স্পিকার ওম বিড়লার কাছে চিঠি দেন তাঁরা। বিজেপির নেতৃত্বাধীন জোট এনডিএ-তে যোগ দিতে চেয়ে এই চিঠি দেন ২০ জন সাংসদ। রাজনৈতিক মহলের ব্যাখ্যা, বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইনে পদক্ষেপ করার দাবি তুলতে পারবেন না তৃণমূল। কারণ, এই পদক্ষেপ এড়াতে বিদ্রোহীদের দুই তৃতীয়াংশের সমর্থন প্রয়োজন। কিন্তু এর থেকে অনেক বেশি সাংসদ সংখ্যা রয়েছে বিদ্রোহীদের সঙ্গে। এক্ষেত্রে বলে রাখা প্রয়োজন, তৃণমূলের ২৮ জন সাংসদ লোকসভায়। এরমধ্যে ২০ জনই বিদ্রোহী।

আর ডিম নয়, এবার সব্যসাচীকে লক্ষ্য করে গোবর ও পচা টমেটো

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

শতাব্দীর সান্ধ্য ‘চা-চক্রে’ উপস্থিত হলেন শুভেন্দু

আপডেট : ১০ জুন ২০২৬, বুধবার

আনজুম মুনির: সোমবারের ‘দিল্লি’ ছিল ঘটনার ঘনঘটায় পূর্ণ। শেষে রাতের দিকে শতাব্দীর বাড়িতে তৃণমূলের সাংসদদের চা-চক্রে উপস্থিত হয়ে গেলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। আর এই বৈঠক ঘিরেই তৈরি হয়েছে নানা জল্পনা। এবার লোকসভার কায়দায় রাজ্যসভাতেও ‘অপারেশন লোটাস।’ তবে সেই জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে বিদ্রোহী সাংসদের দাবি, এটাই শুধুই সান্ধ্য আড্ডা তথা চা-চক্র। তবে সূত্রের খবর, এদিন সকালে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে শতাব্দী রায়, আবু তাহের, খলিলুর রহমান, অসিত মাল বিক্ষুব্ধদের দলে যোগ দিলেও নিজেদের কিছু সমস্যার কথা বলেন। তারপরেই বিকেলে দিল্লির বাড়িতে সান্ধ্য চা চক্রের আয়োজন করেন সাংসদ শতাব্দী রায়।

তাঁদের সমস্যার সমাধান করতে সাংসদের বাড়িতে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই এক এক করে আসতে থাকেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার, অসিত মাল, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, বাপি হালদার, জুন মালিয়া, জগদীশ বাসুনিয়া, কালীপদ সোরেন, অরূপ চক্রবর্তী সহ একের পর এক বিদ্রোহী সাংসদ। ওই বৈঠকে সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি আরও বেশ কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে খবর। লোকসভার পর এবার টার্গেট রাজ্যসভা। সেখানেও একই নকশায় ভাঙন ধরাতে পারে বিজেপি। চা চক্রের ফাঁকে তা নিয়েও এদিন আলোচনা হতে পারে বলে খবর।

বলে রাখা প্রয়োজন, এদিন সকালেই বিজেপি নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন বিদ্রোহী সাংসদরা। এরপরেই স্পিকার ওম বিড়লার কাছে চিঠি দেন তাঁরা। বিজেপির নেতৃত্বাধীন জোট এনডিএ-তে যোগ দিতে চেয়ে এই চিঠি দেন ২০ জন সাংসদ। রাজনৈতিক মহলের ব্যাখ্যা, বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইনে পদক্ষেপ করার দাবি তুলতে পারবেন না তৃণমূল। কারণ, এই পদক্ষেপ এড়াতে বিদ্রোহীদের দুই তৃতীয়াংশের সমর্থন প্রয়োজন। কিন্তু এর থেকে অনেক বেশি সাংসদ সংখ্যা রয়েছে বিদ্রোহীদের সঙ্গে। এক্ষেত্রে বলে রাখা প্রয়োজন, তৃণমূলের ২৮ জন সাংসদ লোকসভায়। এরমধ্যে ২০ জনই বিদ্রোহী।