দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: এবার তৃণমূলের বিদ্রোহীর শিবিরে নাম লেখালেন বারাসাতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দোস্তিদার। রবিবার সন্ধ্যায় সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে তিনি স্পষ্ট করেন, “গত ৫-৭ বছরে দলে যে বৈভব তৈরি হয়েছে, তার সঙ্গে আমি অভ্যস্ত নই।” এবার আর সোশ্যাল মিডিয়ায় নয়, সরাসরি সাংবাদিক বৈঠক করে এই কথা বললেন তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার।
তৃণমূলের দীর্ঘদিনের সৈনিক, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো সহযোদ্ধা কাকলিকে নিয়ে সাম্প্রতিক কিছু ঘটনায় জল্পনা তৈরি হয়। এবার পদত্যাগের কথা জানিয়ে দিলেন তিনি। লোকসভার মুখ্য সচেতক পদ থেকে তাঁকে আগেই সরানো হয়েছে। তারপরই ফেসবুকে ‘অভিমানী’ পোস্ট করেছিলেন তিনি। লিখেছিলেন, ‘চার দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম।’ এরপর কাকলির বাড়ির সামনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা বেড়ে যাওয়ায় জল্পনা বাড়ে। এরই মধ্যে রবিবার সাংবাদিক বৈঠক করলেন কাকলি। জানালেন, উত্তর ২৪ পরগনার জেলা সভাপতি পদে ইস্তফা দিচ্ছেন তিনি।
কাকলি বলেন, “উত্তর ২৪ পরগনার খারাপ ফলের দায় আমি নিচ্ছি। আমারও কোনও ভুলভ্রান্তি নিশ্চয় আছে। তাই সভাপতি পদ থেকে পদত্যাগ করতে চিঠি পাঠিয়েছি সুব্রত বক্সীকে।” সেই চিঠি সংবাদমাধ্যমের সামনে দেখান তিনি। নব্য নেতাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে কাকলি বলেন, “২০১১-র পর মধু সংগ্রহ করতে এসেছেন, সেই সব ভুঁইফোড় নেতারা ফেসবুকে যা বলছেন, তা সহ্য হচ্ছে না। তাঁরা জানেন না যে কার সম্পর্কে বলছেন। বিগত কয়েক বছরে যে বৈভব, যে অস্বচ্ছতা ঘটেছিল, তাতে আমার সহমত ছিল না। বিভিন্ন স্তরে আমার বাদানুবাদ হয়েছে। এই বৈভবে আমি অভ্যস্ত নই। মধ্যবিত্ত জীবনযাপন করি।”
নতুন গতি 























