২৫ মে ২০২৬, সোমবার, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
২৫ মে ২০২৬, সোমবার, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

চিনের কয়লাখানিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, মৃত্যু অন্তত ৯০ জনের

নিউজ ডেস্ক: কয়লাখনিতে বিস্ফোরণের জেরে মৃত্যু হল অন্তত ৯০ জনের। সূত্রের খবর, এখনও কয়লাখনির ভিতরে আটকে রয়েছেন বেশ কয়েকজন। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে উদ্ধারকাজ।

চিনা সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যায় উত্তর শানসি প্রদেশের চাংঝি শহরে অবস্থিত লিউশেনিউ কয়লাখনিতে আচমকা বিস্ফোরণ হয়। তখন খনির ভিতরে কাজ করছিলেন ২৪৭ জন শ্রমিক। জানা গিয়েছে, খননকার্য চলাকালীন কয়লাখনির ভিতরে হঠাৎ বিষাক্ত কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসের মাত্রা বেড়ে যায়। এর ফলেই ঘটে যায় দুর্ঘটনা। বিস্ফোরণের পাশাপাশি খনির ভিতর ভয়াবহ আগুনও লাগে বলে খবর। খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ, উদ্ধারকারী দল এবং অ্যাম্বুল্যান্স। দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৯০ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। তবে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারেই বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কিন্তু এখনও কতজন শ্রমিক খনির ভিতরে আটকে রয়েছে, তা স্পষ্ট করেনি প্রশাসন।

প্রসঙ্গত, চিনে কয়লাখনিতে দুর্ঘটনা এবং মৃত্যু লেগেই থাকে, যার জেরে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সরকার বারবার সমালোচনার মুখেও পড়ে। অভিযোগ, খনন শ্রমিকদের নিরাপত্তার দিকটিতে নজর দেয় না সরকার। কয়লাখনিতে দুর্ঘটনা কমাতে ২০০০ সালে বিশেষ কিছু নিয়মকানুন চালু করে বেজিং। কিন্তু তা সত্ত্বেও দুর্ঘটনায় লাগাম পরানো যায়নি।

চিনের কয়লাখানিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, মৃত্যু অন্তত ৯০ জনের

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

চিনের কয়লাখানিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, মৃত্যু অন্তত ৯০ জনের

আপডেট : ২৫ মে ২০২৬, সোমবার

নিউজ ডেস্ক: কয়লাখনিতে বিস্ফোরণের জেরে মৃত্যু হল অন্তত ৯০ জনের। সূত্রের খবর, এখনও কয়লাখনির ভিতরে আটকে রয়েছেন বেশ কয়েকজন। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে উদ্ধারকাজ।

চিনা সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যায় উত্তর শানসি প্রদেশের চাংঝি শহরে অবস্থিত লিউশেনিউ কয়লাখনিতে আচমকা বিস্ফোরণ হয়। তখন খনির ভিতরে কাজ করছিলেন ২৪৭ জন শ্রমিক। জানা গিয়েছে, খননকার্য চলাকালীন কয়লাখনির ভিতরে হঠাৎ বিষাক্ত কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসের মাত্রা বেড়ে যায়। এর ফলেই ঘটে যায় দুর্ঘটনা। বিস্ফোরণের পাশাপাশি খনির ভিতর ভয়াবহ আগুনও লাগে বলে খবর। খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ, উদ্ধারকারী দল এবং অ্যাম্বুল্যান্স। দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৯০ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। তবে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারেই বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কিন্তু এখনও কতজন শ্রমিক খনির ভিতরে আটকে রয়েছে, তা স্পষ্ট করেনি প্রশাসন।

প্রসঙ্গত, চিনে কয়লাখনিতে দুর্ঘটনা এবং মৃত্যু লেগেই থাকে, যার জেরে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সরকার বারবার সমালোচনার মুখেও পড়ে। অভিযোগ, খনন শ্রমিকদের নিরাপত্তার দিকটিতে নজর দেয় না সরকার। কয়লাখনিতে দুর্ঘটনা কমাতে ২০০০ সালে বিশেষ কিছু নিয়মকানুন চালু করে বেজিং। কিন্তু তা সত্ত্বেও দুর্ঘটনায় লাগাম পরানো যায়নি।