১৫ জুন ২০২৬, সোমবার, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
১৫ জুন ২০২৬, সোমবার, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

হকার উচ্ছেদকে সমর্থন জানিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী

দেবজিত মুখার্জী, কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট বললেন, সরকারের জমিতে হকারি করাকে কিছুতেই সমর্থন করা মায় না। ফুটপাত দখল করে হকাররা বসে থাকলেও মানুষ হাঁটবেন কোথা দিয়ে? শুক্রবার নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দেন, “ফুটপাথ দিয়ে হাঁটার অধিকার জনগণের রয়েছে, সেটি জবরদখলের অধিকার কারও নেই।”

তবে কি বিকল্প ব্যবস্থার কথা ভাবছে সরকার? মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, “যেখানে সরকারের খালি জায়গা আছে, যেখানে জনগণের প্রয়োজন নেই সেখানে বৈধ-অবৈধভাবে যদি বসে থাকেন মানবিকভাবে দেখব। কলকাতার বড় বড় চওড়া রাস্তা, ফুটপাথ কারও হাতে দেওয়ার অধিকার কেউ আমায় দেয়নি। আমি জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ। জনগণের স্বার্থ যেখানে জড়িত সেখানে অগ্রাধিকার পাবে। মুষ্টিমেয় কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠী অগ্রাধিকার পাবে না। যেখানে খালি, উদ্বৃত্ত জায়গা আছে সেটা দেখা হবে।”

হকারদের উদ্দেশ্যে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আপনারা প্রাথমিকভাবে সরে যান। ধীরে ধীরে সরকারি স্কিম আনা হবে হকারদের জন্য। কেন্দ্রের শ্রম স্কিম রয়েছে সেই সুযোগ মিলবে। নিউ মার্কেট, রাজাবাজার, খিদিরপুর, মেটিয়াবুরুজে যা ইচ্ছে তাই করবেন, এটা চলতে পারে না।” প্রসঙ্গত, হকার উচ্ছেদে রুজি-রুটিতে টান পড়েছে শহর কলকাতা সহ শহরতলির হাজার হাজার হকারদের। বুলডোজারে ভাঙা হয়েছে রাস্তার পাশের দোকান। বাদ যায়নি স্টেশন, প্ল্যাটফর্মের দোকনগুলিও। হকার উচ্ছেদ নিয়ে সমালোচনার মুখেও পড়তে হয়েছে নয়া বিজেপি সরকারকে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আগে মুখ খোলেননি। এই প্রথম হকার উচ্ছেদ নিয়ে মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী।

অ্যাটাকিং ফুটবল খেলেও ব্যর্থ টার্কি, জয় অজিদের

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

হকার উচ্ছেদকে সমর্থন জানিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী

আপডেট : ১৪ জুন ২০২৬, রবিবার

দেবজিত মুখার্জী, কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট বললেন, সরকারের জমিতে হকারি করাকে কিছুতেই সমর্থন করা মায় না। ফুটপাত দখল করে হকাররা বসে থাকলেও মানুষ হাঁটবেন কোথা দিয়ে? শুক্রবার নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দেন, “ফুটপাথ দিয়ে হাঁটার অধিকার জনগণের রয়েছে, সেটি জবরদখলের অধিকার কারও নেই।”

তবে কি বিকল্প ব্যবস্থার কথা ভাবছে সরকার? মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, “যেখানে সরকারের খালি জায়গা আছে, যেখানে জনগণের প্রয়োজন নেই সেখানে বৈধ-অবৈধভাবে যদি বসে থাকেন মানবিকভাবে দেখব। কলকাতার বড় বড় চওড়া রাস্তা, ফুটপাথ কারও হাতে দেওয়ার অধিকার কেউ আমায় দেয়নি। আমি জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ। জনগণের স্বার্থ যেখানে জড়িত সেখানে অগ্রাধিকার পাবে। মুষ্টিমেয় কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠী অগ্রাধিকার পাবে না। যেখানে খালি, উদ্বৃত্ত জায়গা আছে সেটা দেখা হবে।”

হকারদের উদ্দেশ্যে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আপনারা প্রাথমিকভাবে সরে যান। ধীরে ধীরে সরকারি স্কিম আনা হবে হকারদের জন্য। কেন্দ্রের শ্রম স্কিম রয়েছে সেই সুযোগ মিলবে। নিউ মার্কেট, রাজাবাজার, খিদিরপুর, মেটিয়াবুরুজে যা ইচ্ছে তাই করবেন, এটা চলতে পারে না।” প্রসঙ্গত, হকার উচ্ছেদে রুজি-রুটিতে টান পড়েছে শহর কলকাতা সহ শহরতলির হাজার হাজার হকারদের। বুলডোজারে ভাঙা হয়েছে রাস্তার পাশের দোকান। বাদ যায়নি স্টেশন, প্ল্যাটফর্মের দোকনগুলিও। হকার উচ্ছেদ নিয়ে সমালোচনার মুখেও পড়তে হয়েছে নয়া বিজেপি সরকারকে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আগে মুখ খোলেননি। এই প্রথম হকার উচ্ছেদ নিয়ে মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী।