১৫ জুন ২০২৬, সোমবার, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
১৫ জুন ২০২৬, সোমবার, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

“সুদীপদা রোজভ্যালি কান্ড থেকেই মুক্তি পাবার জন্য বিরোধী শিবিরে গেছেন “: কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

আনজুম মুনির, কলকাতা: একদম নাটকীয়ভাবে শনিবার সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় শিবির পরিবর্তন করেছেন। টান টান উত্তেজনার মধ্যেই তিনি শতাব্দী রায়ের সঙ্গে শিবির পাল্টান। শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, সুদীপের যাওয়ার অনেক কারণ থাকতে পারে। একসময় সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় যখন রোজভ্যালি মামলার অভিযুক্ত হিসেবে জেল হেফাজতে ছিলেন, তখন কীভাবে তিনি আইনি সাহায্য করেছিলেন, সে কথা মনে করিয়ে দেন কল্যাণ বন্দ্য়োপাধ্যায়। দাবি করেন, সুদীপের জন্য দলের অনেক টাকা খরচ হয়েছে।

কল্যাণ বলেন, “সুদীপ দা যদি রোজভ্যালি-কাণ্ডে ইডি-র মামলা থেকে অব্যাহতি চান, তাহলে সুবিধা হবে, তাই হয়ত সুদীপ দা গিয়েছেন। ওঁর তো এমন একটা অভ্যাস আছে। কংগ্রেসে গিয়েছিলেন, আবার তৃণমূলে এসেছেন। তারপরও মমতা দি ওঁকে অন্ধের মতো বিশ্বাস করেছে।” তিনি আরো বলেন, “সুদীপ দা কিছুদিন আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের কাছে একটা নতুন গাড়ি চেয়েছিলেন। কারণ দিল্লির গাড়িটা ১৭ বছর হয়ে গিয়েছে। নতুন গাড়ি চাই। মমতা দি দেননি। বলেছেন, ‘এখন গাড়ি দেওয়া সম্ভব নয়, দলের পুরনো গাড়ি আছে, ইচ্ছে হলে ব্যবহার করুন’। সুতরাং সুদীপ দা কী কারণে গিয়েছেন, তা বলা মুস্কিল।”

অন্যদিকে, দমদমের সাংসদ সৌগত রায় বলেন, “কয়েকদিন আগে সুদীপের সঙ্গে কথা হয়েছিল। বলেছিল, আমি কোথাও যাচ্ছি না। গেলে তোমাদের জানাব। কিন্তু আজ শতাব্দীর সঙ্গে একই গাড়িতে দেখা গেল। এটা মানুষের নৈতিকতার ব্যাপার।”

অ্যাটাকিং ফুটবল খেলেও ব্যর্থ টার্কি, জয় অজিদের

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

“সুদীপদা রোজভ্যালি কান্ড থেকেই মুক্তি পাবার জন্য বিরোধী শিবিরে গেছেন “: কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

আপডেট : ১৪ জুন ২০২৬, রবিবার

আনজুম মুনির, কলকাতা: একদম নাটকীয়ভাবে শনিবার সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় শিবির পরিবর্তন করেছেন। টান টান উত্তেজনার মধ্যেই তিনি শতাব্দী রায়ের সঙ্গে শিবির পাল্টান। শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, সুদীপের যাওয়ার অনেক কারণ থাকতে পারে। একসময় সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় যখন রোজভ্যালি মামলার অভিযুক্ত হিসেবে জেল হেফাজতে ছিলেন, তখন কীভাবে তিনি আইনি সাহায্য করেছিলেন, সে কথা মনে করিয়ে দেন কল্যাণ বন্দ্য়োপাধ্যায়। দাবি করেন, সুদীপের জন্য দলের অনেক টাকা খরচ হয়েছে।

কল্যাণ বলেন, “সুদীপ দা যদি রোজভ্যালি-কাণ্ডে ইডি-র মামলা থেকে অব্যাহতি চান, তাহলে সুবিধা হবে, তাই হয়ত সুদীপ দা গিয়েছেন। ওঁর তো এমন একটা অভ্যাস আছে। কংগ্রেসে গিয়েছিলেন, আবার তৃণমূলে এসেছেন। তারপরও মমতা দি ওঁকে অন্ধের মতো বিশ্বাস করেছে।” তিনি আরো বলেন, “সুদীপ দা কিছুদিন আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের কাছে একটা নতুন গাড়ি চেয়েছিলেন। কারণ দিল্লির গাড়িটা ১৭ বছর হয়ে গিয়েছে। নতুন গাড়ি চাই। মমতা দি দেননি। বলেছেন, ‘এখন গাড়ি দেওয়া সম্ভব নয়, দলের পুরনো গাড়ি আছে, ইচ্ছে হলে ব্যবহার করুন’। সুতরাং সুদীপ দা কী কারণে গিয়েছেন, তা বলা মুস্কিল।”

অন্যদিকে, দমদমের সাংসদ সৌগত রায় বলেন, “কয়েকদিন আগে সুদীপের সঙ্গে কথা হয়েছিল। বলেছিল, আমি কোথাও যাচ্ছি না। গেলে তোমাদের জানাব। কিন্তু আজ শতাব্দীর সঙ্গে একই গাড়িতে দেখা গেল। এটা মানুষের নৈতিকতার ব্যাপার।”