আরও যদি ২০-৩০ লক্ষ লাগে, সেটা দেওয়ার ব্যবস্থা করব। কথা দিয়ে গেলাম আপনাদের। ভবানীপুরের অনুষ্ঠানমঞ্চ থেকে অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে ফের বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নর্দান পার্কে সুভাষ উদ্যানের অনুষ্ঠানমঞ্চ থেকে তিনি বলেন, যারা সামান্য এই ভাতার ওপরে নির্ভর করেন, অর্থাৎ যারা অন্নপূর্ণা যোজনা পাওয়ার প্রকৃত হকদার, তাঁরা সবাই পাবেন। আরও যদি ২০-৩০ লক্ষ লাগে আমি সেটা দেওয়ার ব্যবস্থা করব। কেউ বঞ্চিত হবে না। অন্নপূর্ণা পাবেন সব যোগ্যরা।
তিন মাসে সরকার যে অন্নপূর্ণার টাকা দিয়েছেন, এদিন তার হিসেবও দেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, ১ কোটি ৪৫ লক্ষ মা-বোন-দিদিকে টাকা দিয়েছি আমরা। এর আগে জুনে ২৮ লক্ষ মহিলা পেয়েছেন অন্নপূর্ণা যোজনা। জুলাইতে ১ কোটি ১৯ লক্ষ। আর এদিন এটাও কথা দিয়ে গেলাম, যারা এই সামান্য ভাতার ওপরে নির্ভর করে দিন গুজরান করেন, তারাও পাবেন টাকা। কিন্তু, ধমক-চমক দিয়ে, রিল বানিয়ে কিংবা মিডিয়া ট্রায়াল করে, টাকা পাবেন না। ২০ জন লোককে রাস্তায় নামিয়ে হেরে যাওয়া তৃণমূল, খণ্ড-বিখণ্ড হয়ে যাওয়া তৃণমূল এসব করাচ্ছে। ওরা কেউ বলে আমি কালীঘাট, কেউ বলে আমি ঋত। কেউ আবার উত্তরে, কেউ বলে দক্ষিণে, ভাইপো আবার বিদেশে, আর পিসির ঘরে তালা-চাবি লাগানো। এদিন আরও সাড়ে ১৪ হাজার অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে অন্নপূর্ণা। এরপরেও যদি যোগ্য কেউ বাকি থাকেন, ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে আবেদন করুন পোর্টালে গিয়ে, সবাই পেয়ে যাবেন। অনেকে পোর্টাল ব্যবহার করতে জানেন না। বিধায়কের কর্মীরা, মণ্ডলের ভাইরা, ওয়ার্ডের কর্মীরা, মহিলা মোর্চা গিয়ে তাঁদের নাম পোর্টালে নথিভুক্ত করে দেবেন। একজনও যোগ্য বাকি থাকবে না। আপনারা ভরসা-বিশ্বাস রাখবেন। আফনাদের ভাই শুভেন্দু অধিকারীর আফনাদের সবাইকে অন্নপূর্ণা দেবে। ঝাড়াই-বাছাইয়ে বেশ কিছুটা সময় নিয়েছে রাজ্য সরকার। অবশেষে প্রকৃত প্রাপকদের অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করেছে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা। যোগ্য হওয়া স্বত্ত্বেও কারও অ্যাকাউন্টে টাকা না ঢুকলে, সরকার নিশ্চয়ই তাদের কথা চিন্তা করবে। কেউ বঞ্চিত হবেন না।
নতুন গতি 


















