২১ অগাস্ট ২০২৬, শুক্রবার, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
২১ অগাস্ট ২০২৬, শুক্রবার, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩

পচা কুকুর, আবর্জনার স্তূপে শান্তিপুর পৌরসভা!বেতন-বকেয়ার দাবিতে সাফাই কর্মীদের বিক্ষোভ

শান্তিপুর: বেতন বৃদ্ধি এবং দীর্ঘদিনের বকেয়া টাকা মেটানোর দাবিতে অস্থায়ী সাফাই কর্মীদের আন্দোলনে বুধবার কার্যত অচল হয়ে পড়ল নদিয়ার শান্তিপুর পৌরসভা। পৌরসভার গেট বন্ধ করে ভিতরে পচা আবর্জনা ফেলে বিক্ষোভ দেখান আন্দোলনকারীরা। অভিযোগ, পৌরসভার চেয়ারম্যান সুব্রত ঘোষের কার্যালয়ের সামনেও পচা কুকুর ফেলে রাখা হয়। সাফাই কর্মীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া টাকা মেটানো হচ্ছে না। পাশাপাশি তাঁদের বেতন বৃদ্ধির দাবিও উপেক্ষিত। এই দাবিতে বেশ কিছু দিন ধরেই আন্দোলন চালাচ্ছেন তাঁরা। বুধবার সকাল থেকে সেই আন্দোলন তীব্র আকার নেয়। পৌরসভা চত্বরের বিভিন্ন জায়গায় জমতে থাকে পচা আবর্জনা। ছড়িয়ে পড়ে তীব্র দুর্গন্ধ। পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পৌরসভার একাংশের কর্মী দফতর ছেড়ে বেরিয়ে যান বলে দাবি আন্দোলনকারীদের। সাফাই কর্মীদের বক্তব্য, ‘‘পরিশ্রম করিয়ে প্রাপ্য টাকা না দিয়ে আমাদের পেটে লাথি মারা হচ্ছে। এই অন্যায় আর মেনে নেওয়া হবে না।’’ তাঁদের হুঁশিয়ারি, দ্রুত দাবি পূরণ না হলে আগামী দিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটবেন তাঁরা। অন্য দিকে, আন্দোলনের জেরে রাজ্যের প্রাচীনতম পৌরসভা গুলির অন্যতম শান্তিপুর পৌরসভার পরিষেবা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বেতন-বকেয়া সংক্রান্ত এই জটিলতার সমাধান কবে হয়, এখন সেটাই দেখার।
সর্বাধিক পাঠিত

ময়নাগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে টিকিট কেটেও বিনা চিকিৎসায় বাড়ি ফিরলেন রোগীরা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

পচা কুকুর, আবর্জনার স্তূপে শান্তিপুর পৌরসভা!বেতন-বকেয়ার দাবিতে সাফাই কর্মীদের বিক্ষোভ

আপডেট : ২০ অগাস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার
শান্তিপুর: বেতন বৃদ্ধি এবং দীর্ঘদিনের বকেয়া টাকা মেটানোর দাবিতে অস্থায়ী সাফাই কর্মীদের আন্দোলনে বুধবার কার্যত অচল হয়ে পড়ল নদিয়ার শান্তিপুর পৌরসভা। পৌরসভার গেট বন্ধ করে ভিতরে পচা আবর্জনা ফেলে বিক্ষোভ দেখান আন্দোলনকারীরা। অভিযোগ, পৌরসভার চেয়ারম্যান সুব্রত ঘোষের কার্যালয়ের সামনেও পচা কুকুর ফেলে রাখা হয়। সাফাই কর্মীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া টাকা মেটানো হচ্ছে না। পাশাপাশি তাঁদের বেতন বৃদ্ধির দাবিও উপেক্ষিত। এই দাবিতে বেশ কিছু দিন ধরেই আন্দোলন চালাচ্ছেন তাঁরা। বুধবার সকাল থেকে সেই আন্দোলন তীব্র আকার নেয়। পৌরসভা চত্বরের বিভিন্ন জায়গায় জমতে থাকে পচা আবর্জনা। ছড়িয়ে পড়ে তীব্র দুর্গন্ধ। পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পৌরসভার একাংশের কর্মী দফতর ছেড়ে বেরিয়ে যান বলে দাবি আন্দোলনকারীদের। সাফাই কর্মীদের বক্তব্য, ‘‘পরিশ্রম করিয়ে প্রাপ্য টাকা না দিয়ে আমাদের পেটে লাথি মারা হচ্ছে। এই অন্যায় আর মেনে নেওয়া হবে না।’’ তাঁদের হুঁশিয়ারি, দ্রুত দাবি পূরণ না হলে আগামী দিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটবেন তাঁরা। অন্য দিকে, আন্দোলনের জেরে রাজ্যের প্রাচীনতম পৌরসভা গুলির অন্যতম শান্তিপুর পৌরসভার পরিষেবা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বেতন-বকেয়া সংক্রান্ত এই জটিলতার সমাধান কবে হয়, এখন সেটাই দেখার।