আজিজুর রহমান, গলসি : দীর্ঘ প্রায় ৩৫ বছর পর কাঁকসার জামদহ গ্রামে বিধায়কের আগমন ঘিরে উচ্ছ্বাস দেখা গেল গ্রামবাসী ও জামদহ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মধ্যে। বুধবার জামদহ উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো বিধায়ক হিসেবে উপস্থিত হন রাজু পাত্র। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে তাঁকে সংবর্ধনাও দেওয়া হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিকাশ মণ্ডল জানান, এই প্রথম কোনও বিধায়ক জামদহ গ্রামে এসে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হলেন। দীর্ঘদিন ধরে স্কুলের নানা সমস্যার কথা প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের কাছে জানানো হলেও সেভাবে নজর দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি। বিদ্যালয়ের অন্যতম প্রয়োজন হিসেবে তিনি স্কুলের বাউন্ডারি বা পাঁচিল নির্মাণের আবেদন জানান।
আবেদনের পর বিধায়ক রাজু পাত্র তাঁর বিধায়ক তহবিল থেকে বিদ্যালয়ের পাঁচিল নির্মাণে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন। শিক্ষক-শিক্ষিকা ও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আন্তরিকতায় তিনি অভিভূত বলেও জানান।
এদিন জামদহ গ্রামে জনসংযোগ কর্মসূচিতেও অংশ নেন বিধায়ক। সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে তাঁদের অভাব-অভিযোগ ও বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনেন। পাশাপাশি গ্রামের অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র পরিদর্শন করে সেখানকার পরিকাঠামো ও পরিষেবার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন এবং প্রয়োজনীয় সমস্যা দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন। এছাড়াও বিদবিহার অঞ্চলের নবগ্রাম, জামবুনি, ফুলঝুরি ও কাজলাডিহিতে জনসংযোগ কর্মসূচিতে অংশ নেন রাজু। কোথাও সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময়, কোথাও মন্দিরে পুজো দিয়ে আশীর্বাদ গ্রহণ, আবার কোথাও অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে ত্রিপল ও আর্থিক সাহায্য দেওয়া হয়। কাজলাডিহির বিজেপি কার্যালয়ে কর্মীদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন তিনি। দিনের শেষে দেউল বাজারে ‘চায়ে পে চর্চা’র মাধ্যমে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন বিধায়ক। এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও মানুষের অভাব-অভিযোগ শুনে সেগুলি সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি। দীর্ঘদিন পর বিধায়ককে নিজেদের এলাকায় কাছে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন বহু বাসিন্দা। রাজু পাত্র জানান, মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রেখে তাঁদের দৈনন্দিন সমস্যার সমাধান করাই তাঁর মূল লক্ষ্য।
নতুন গতি 























