২০ অগাস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
২০ অগাস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩

নাম না জেনেই যোগ, এনসিপিআই সম্পর্কে অবস্থান জগদীশের

নতুন গতি, কোচবিহার: নামের সাথে নন পরিচিত, তবুও এনসিপিআইতে যোগ দেন কোচবিহারের সাংসদ জগদীশ বর্মা বসুনিয়া। বিষয়টি অকপটে স্বীকার করেছেন তিনি। এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বিষয়টি নিয়ে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন। তাঁর দাবি, তিনি মহারাষ্ট্রের শরদ পাওয়ারের এনসিপির কথা শুনেছেন, কিন্তু যে এনসিপিআইতে তাঁরা (বিদ্রোহী সাংসদরা) যোগ দিয়েছেন, তার নাম শোনেননি।
জগদীশ বসুনিয়া বলেছেন, “আমি একটা এনসিপির নাম জানতাম, তবে সেটা মহারাষ্ট্রের শারদ পাওয়ারের। কিন্তু যে এনসিপিআইয়ে আমরা যোগ দিয়েছি সেই দলের নাম আমি আগে কখনও শুনিনি।” নাম না জেনে দলে যোগদান সম্পর্কে প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছেন, “দল পরিবর্তনের আইনে যাতে আমরা না পড়ি, আমাদের সাংসদ পদ যাতে খারিজ হয়ে না যায় সে কারণে আমরা এটাতে যোগ দিয়েছি।” পাশাপাশি, তিনি এটাও স্বীকার করেছেন যে শাসকদলে (বিজেপি) তাঁর যোগ দেওয়া শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা।
যদিও এই প্রথমবার নয়, এর আগে একাধিকবার দলবদল করেছেন জগদীশ বসুনিয়া। এই প্রসঙ্গেও ব্যাখ্যা দেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, “রাজনৈতিক পরিস্থিতি কখন কোন পথে যায় সেটা কেউ বলতে পারে না। আজকে যিনি আমাদের বাংলার মুখ্যমন্ত্রী রয়েছেন, তিনি একটা সময় তৃণমূলের মন্ত্রী ছিলেন। বর্তমানের উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক একটা সময় তৃণমূলে ছিলেন। আমাদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিদের মূল উদ্দেশ্য থাকে মানুষের জন্য কাজ করা। বর্তমানে কেন্দ্রে ও রাজ্যে বিজেপি সরকার রয়েছে। ফলে এই সরকারের সহযোগিতা ছাড়া মানুষের জন্য আমি কাজ করতে পারব না। সেকারণেই এই সিদ্ধান্ত। সেটাকে আপনারা যা মনে করেন।”

৩৫ বছর পর বিধায়কের পা পড়ল কাঁকসার জামদহে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

নাম না জেনেই যোগ, এনসিপিআই সম্পর্কে অবস্থান জগদীশের

আপডেট : ১৯ অগাস্ট ২০২৬, বুধবার
নতুন গতি, কোচবিহার: নামের সাথে নন পরিচিত, তবুও এনসিপিআইতে যোগ দেন কোচবিহারের সাংসদ জগদীশ বর্মা বসুনিয়া। বিষয়টি অকপটে স্বীকার করেছেন তিনি। এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বিষয়টি নিয়ে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন। তাঁর দাবি, তিনি মহারাষ্ট্রের শরদ পাওয়ারের এনসিপির কথা শুনেছেন, কিন্তু যে এনসিপিআইতে তাঁরা (বিদ্রোহী সাংসদরা) যোগ দিয়েছেন, তার নাম শোনেননি।
জগদীশ বসুনিয়া বলেছেন, “আমি একটা এনসিপির নাম জানতাম, তবে সেটা মহারাষ্ট্রের শারদ পাওয়ারের। কিন্তু যে এনসিপিআইয়ে আমরা যোগ দিয়েছি সেই দলের নাম আমি আগে কখনও শুনিনি।” নাম না জেনে দলে যোগদান সম্পর্কে প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছেন, “দল পরিবর্তনের আইনে যাতে আমরা না পড়ি, আমাদের সাংসদ পদ যাতে খারিজ হয়ে না যায় সে কারণে আমরা এটাতে যোগ দিয়েছি।” পাশাপাশি, তিনি এটাও স্বীকার করেছেন যে শাসকদলে (বিজেপি) তাঁর যোগ দেওয়া শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা।
যদিও এই প্রথমবার নয়, এর আগে একাধিকবার দলবদল করেছেন জগদীশ বসুনিয়া। এই প্রসঙ্গেও ব্যাখ্যা দেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, “রাজনৈতিক পরিস্থিতি কখন কোন পথে যায় সেটা কেউ বলতে পারে না। আজকে যিনি আমাদের বাংলার মুখ্যমন্ত্রী রয়েছেন, তিনি একটা সময় তৃণমূলের মন্ত্রী ছিলেন। বর্তমানের উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক একটা সময় তৃণমূলে ছিলেন। আমাদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিদের মূল উদ্দেশ্য থাকে মানুষের জন্য কাজ করা। বর্তমানে কেন্দ্রে ও রাজ্যে বিজেপি সরকার রয়েছে। ফলে এই সরকারের সহযোগিতা ছাড়া মানুষের জন্য আমি কাজ করতে পারব না। সেকারণেই এই সিদ্ধান্ত। সেটাকে আপনারা যা মনে করেন।”