১২ অগাস্ট ২০২৬, বুধবার, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
১২ অগাস্ট ২০২৬, বুধবার, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩

বাঁশের সাঁকো ভেঙে বিচ্ছিন্ন দুই পাড়, পাকা সেতুর দাবিতে সরব খানাকুল

আজাহার উদ্দিন, নতুন গতি: টানা বর্ষণ ও নদীর জলস্তর বৃদ্ধিতে হুগলির খানাকুলের হরিশপুর বন্দর এলাকায় ভেঙে পড়েছে গুরুত্বপূর্ণ বাঁশের সাঁকো। ফলে দুই পাড়ের মানুষের দৈনন্দিন যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এই সাঁকোটিই ছিল এলাকার মানুষের অন্যতম প্রধান যাতায়াতের পথ। সাঁকো ভেঙে যাওয়ায় স্কুল-কলেজের পড়ুয়া, কৃষক, শ্রমিক-সহ সাধারণ মানুষকে ঘুরপথে যাতায়াত করতে হচ্ছে। এতে সময় ও অর্থ—দুই-ই অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে। বাসিন্দাদের দাবি, প্রতি বছর বর্ষায় নদীর জল বাড়লেই অস্থায়ী বাঁশের সাঁকো নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়। তাই এর পরিবর্তে দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী কংক্রিটের সেতুর দাবি জানিয়ে আসছেন তাঁরা। হরিশপুর বন্দর হুগলি জেলার খানাকুলের শেষ প্রান্তে। সেতুর ওপার থেকেই শুরু পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল এলাকা। ফলে স্থায়ী সেতু নির্মাণ হলে দুই জেলার যোগাযোগ ও ব্যবসা-বাণিজ্য আরও গতিশীল হবে বলে দাবি স্থানীয়দের। খানাকুলের বিধায়ক সুশান্ত ঘোষ বলেন, “এই সেতু নির্মাণ হলে দুই জেলার মানুষই উপকৃত হবেন। আমরা আন্তরিকভাবে সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করছি।” দ্রুত বিকল্প যাতায়াতের ব্যবস্থা এবং স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

মমতার উপর হামলার অভিযোগে সরব এসডিপিআই, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বাঁশের সাঁকো ভেঙে বিচ্ছিন্ন দুই পাড়, পাকা সেতুর দাবিতে সরব খানাকুল

আপডেট : ১১ অগাস্ট ২০২৬, মঙ্গলবার
আজাহার উদ্দিন, নতুন গতি: টানা বর্ষণ ও নদীর জলস্তর বৃদ্ধিতে হুগলির খানাকুলের হরিশপুর বন্দর এলাকায় ভেঙে পড়েছে গুরুত্বপূর্ণ বাঁশের সাঁকো। ফলে দুই পাড়ের মানুষের দৈনন্দিন যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এই সাঁকোটিই ছিল এলাকার মানুষের অন্যতম প্রধান যাতায়াতের পথ। সাঁকো ভেঙে যাওয়ায় স্কুল-কলেজের পড়ুয়া, কৃষক, শ্রমিক-সহ সাধারণ মানুষকে ঘুরপথে যাতায়াত করতে হচ্ছে। এতে সময় ও অর্থ—দুই-ই অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে। বাসিন্দাদের দাবি, প্রতি বছর বর্ষায় নদীর জল বাড়লেই অস্থায়ী বাঁশের সাঁকো নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়। তাই এর পরিবর্তে দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী কংক্রিটের সেতুর দাবি জানিয়ে আসছেন তাঁরা। হরিশপুর বন্দর হুগলি জেলার খানাকুলের শেষ প্রান্তে। সেতুর ওপার থেকেই শুরু পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল এলাকা। ফলে স্থায়ী সেতু নির্মাণ হলে দুই জেলার যোগাযোগ ও ব্যবসা-বাণিজ্য আরও গতিশীল হবে বলে দাবি স্থানীয়দের। খানাকুলের বিধায়ক সুশান্ত ঘোষ বলেন, “এই সেতু নির্মাণ হলে দুই জেলার মানুষই উপকৃত হবেন। আমরা আন্তরিকভাবে সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করছি।” দ্রুত বিকল্প যাতায়াতের ব্যবস্থা এবং স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।