দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: নতুন সরকার বদলের পর থেকেই ইমপা ঘিরে অনাস্থার কথা শোনা গিয়েছে। ইমপার সভাপতি পদে আছেন পিয়া সেনগুপ্ত। সরকার বদলের পর একদিন ইমপাতে ঢুকে পড়ে গঙ্গাজল ছিটিয়ে ইমপার শুদ্ধিকরণ করে, তাঁর প্রতি অনাস্থার কথা প্রকাশ্যে আনেন কিছু সদস্য।
২২ মে ইমপাতে ভোটপর্বের কথা ঘোষণা করা হয়। সদস্যদের আসতে বলা হয় বিশেষ মিটিংয়ের জন্য। এদিন ইমপাতে প্রথম থেকেই অশান্তি শুরু হয়ে যায়। যাঁরা মেম্বার নন, এমন কিছুজন ঢুকে পড়েছিলেন ইমপাতে, তা নিয়ে অভিযোগ করেন সভাপতি। তিনি ইমপার সিঁড়ি দিয়ে নেমে এসে থানায় যাবেন, এমনটাই বলেন। তবে মত পরিবর্তন করে, আবার মিটিং করতে যান। এরপর শুরু হয় ভোটদান পর্ব। যদিও মৌখিকভাবে কে কোন পক্ষে, তা জিজ্ঞাসা করা হয়েছে এদিন। সেখানে পিয়ার বিপক্ষে মতপ্রকাশ করেন বেশিরভাগ উপস্থিত সদস্যরা।
শেষ অবধি পাশ করা হল নতুন আইন। ইমপার পুরোনো কমিটি ভেঙে দিলেন সদস্যরা। নতুন কমিটিতে সেক্রেটারির পদের জন্য নির্বাচন করা হয় রতন সাহার নাম। তবে এই কমিটির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করবেন পিয়া সেনগুপ্ত, তেমনই দাবি। অন্যদিকে শতদীপ সাহা জানালেন, খুব শীঘ্রই নিয়ম মেনে নির্বাচন করবেন তাঁরা। সেখান থেকে স্বচ্ছভাবে ইমপা পরিচালিত হবে, এমন দাবি শতদীপের। লক্ষণীয় ইমপাতে আজ ভোটদান পর্ব মেটার পরও ঝামেলা চলতে থাকে। দল বেঁধে প্রতিবাদ করতে থাকেন অনেকে। নতুন কমিটিতে কে কোন পদে থাকবেন, কীভাবে ইমপার নির্বাচন প্রক্রিয়া হবে, তা দেখার অপেক্ষা। লক্ষণীয় ইমপা হাউজে একটি স্ক্রিনিং কমিটি থেকে টলিপাড়ায় ছুটির মরসুমে কবে কোন ছবি মুক্তি পাবে, তা ঠিক করা হতো।
নতুন গতি 





























