নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে ভারতে তীব্র তেলের সংকট। ঠিক সেই সময় বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিয়ে আমেরিকা জানিয়ে দিলো, ভারতের যত তেল লাগবে আমেরিকা দেবে। আমেরিকার বিদেশসচিব মার্কো রুবিওর (Marco Rubio) কথায়, নয়াদিল্লির পক্ষে যতটা কেনা সম্ভব, ওয়াশিংটন ততটাই জ্বালানি বিক্রি করতে প্রস্তুত। তিনি আরও বলেছেন, আমেরিকা ইতিমধ্যে ভারতের সঙ্গে জ্বালানি তেল নিয়ে একপ্রস্থ আলোচনা সেরেছে। জ্বালানি রপ্তানিতে নয়াদিল্লিকে বৃহত্তর শরিক করতে আগ্রহী ওয়াশিংটন।
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে অপহরণের পরে সে দেশের তেলের খনিগুলি নিয়ন্ত্রণ করছে আমেরিকা। এই অবস্থায় মার্কিন শোধনাগারগুলি ভেনিজুয়েলা থেকে আসা অশোধিত তেলে উপচে পড়ছে। গত ফেব্রুয়ারি মাসেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিল, ভেনেজুয়েলা থেকে ৮০ মিলিয়ান ব্যারেল তেল পৌঁছেছে আমেরিকায়। এই অবস্থায় রুবিও ঘোষণা করেছেন, ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তীকালীন রাষ্ট্রপতি ডেলসি রদ্রিগেজ তেল বিক্রির বিষয়ে আলোচনা করতে আগামী সপ্তাহে ভারত সফরে যাবেন। রুবিওর কথা, “ভারতের সঙ্গে কাজ করার অনেক সুযোগ আছে। তারা খুব ভালো বন্ধু, চমৎকার অংশীদার।”
প্রসঙ্গত, আগামী ২৪ থেকে ২৬ মে ভারত সফরে আসছেন মার্কিন বিদেশসচিব মার্কো রুবিও। সেই সময় দিল্লি ছাড়াও আগ্রা, জয়পুর এবং কলকাতায় আসবেন তিনি। এর আগে, ২০১২ সালে তৎকালীন মার্কিন বিদেশসচিব হিলারি ক্লিন্টন এসেছিলেন কলকাতায়। তখন এরাজ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জমানা ছিল। সদ্যই রাজ্যে ক্ষমতা হাতবদল হয়েছে। শুরু হয়েছে বিজেপি জমানা। আর এমন সময় মার্কিন বিদেশসচিবের আগমন যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। মনে করা হচ্ছে, রুবিওর ভারত সফরে জ্বালানি নিরাপত্তা, বাণিজ্য এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনায় বসবে দুই দেশ।
নতুন গতি 




























