২৫ মে ২০২৬, সোমবার, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
২৫ মে ২০২৬, সোমবার, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

অবশেষে গ্রেফতার তৃণমূলের দাপুটে কাউন্সিলার সুদীপ পোল্লে

আনজুম মুনীর, কলকাতা: তোলাবাজির অভিযোগে পুরসভার ১২৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুদীপ পোল্লেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এর আগে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই তল্লাশির মুখে পড়েছিলেন তিনি। ১২৩ নম্বর ওয়ার্ডের দীর্ঘদিনের কাউন্সিলর সুদীপ। শুধু তাই নয়, ১৬ নম্বর বোরোর চেয়ারম্যান হিসাবেও কাজ করতেন। এলাকায় যথেষ্ট দাপট ছিল তাঁর।

জানা যায়, এদিন সকালে বেহালার শিলপাড়া এলাকার এক ব্যবসায়ী স্থানীয় ঠাকুরপুকুর থানায় সুদীপ পোল্লের নামে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে ওই ব্যবসায়ী জানান, বিভিন্ন সময় তাঁর কাছ থেকে মোটা টাকা চাওয়া হয়। না দিলে মারধর পর্যন্ত করা হয় বলেও অভিযোগ তাঁর। শুধু তাই নয়, দোকান গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে বলেও তৃণমূল নেতা হুমকি দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ।

এহেন লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরেই তদন্ত শুরু করে পুলিশ। লালবাজার সূত্রে খবর, অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পরেই অভিযুক্ত ওই তৃণমূল নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃত নেতার বিরুদ্ধে বিএনএসের একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। বলে রাখা প্রয়োজন, রাজ্যে পালাবদলের পরেই দুর্নীতি ইস্যুতে জিরো টলারেন্সের বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তোলাবাজি, দুর্নীতিতে পুলিশকে কড়া হাতে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকে শহর কিংবা শহরতলিতে গ্রেপ্তার হয়েছেন তৃণমূলের একাধিক নেতানেত্রীরা। বাদ যাননি তৃণমূল কাউন্সিলররা। তথ্য বলছে, গত সাতদিনে ৭০ জনেরও বেশি জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রবীন্দ্র-নজরুল-সুকান্ত স্বরন সন্ধ্যা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

অবশেষে গ্রেফতার তৃণমূলের দাপুটে কাউন্সিলার সুদীপ পোল্লে

আপডেট : ২৫ মে ২০২৬, সোমবার

আনজুম মুনীর, কলকাতা: তোলাবাজির অভিযোগে পুরসভার ১২৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুদীপ পোল্লেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এর আগে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই তল্লাশির মুখে পড়েছিলেন তিনি। ১২৩ নম্বর ওয়ার্ডের দীর্ঘদিনের কাউন্সিলর সুদীপ। শুধু তাই নয়, ১৬ নম্বর বোরোর চেয়ারম্যান হিসাবেও কাজ করতেন। এলাকায় যথেষ্ট দাপট ছিল তাঁর।

জানা যায়, এদিন সকালে বেহালার শিলপাড়া এলাকার এক ব্যবসায়ী স্থানীয় ঠাকুরপুকুর থানায় সুদীপ পোল্লের নামে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে ওই ব্যবসায়ী জানান, বিভিন্ন সময় তাঁর কাছ থেকে মোটা টাকা চাওয়া হয়। না দিলে মারধর পর্যন্ত করা হয় বলেও অভিযোগ তাঁর। শুধু তাই নয়, দোকান গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে বলেও তৃণমূল নেতা হুমকি দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ।

এহেন লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরেই তদন্ত শুরু করে পুলিশ। লালবাজার সূত্রে খবর, অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পরেই অভিযুক্ত ওই তৃণমূল নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃত নেতার বিরুদ্ধে বিএনএসের একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। বলে রাখা প্রয়োজন, রাজ্যে পালাবদলের পরেই দুর্নীতি ইস্যুতে জিরো টলারেন্সের বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তোলাবাজি, দুর্নীতিতে পুলিশকে কড়া হাতে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকে শহর কিংবা শহরতলিতে গ্রেপ্তার হয়েছেন তৃণমূলের একাধিক নেতানেত্রীরা। বাদ যাননি তৃণমূল কাউন্সিলররা। তথ্য বলছে, গত সাতদিনে ৭০ জনেরও বেশি জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।