২৫ মে ২০২৬, সোমবার, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
২৫ মে ২০২৬, সোমবার, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

মধ্যরাতে মেমারীতে চলল বুলডোজার। ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল একের পর এক দোকান।

নূর আহমেদ, মেমারী : হাওড়া, শিয়ালদহের পর এবার মেমারী। মাঝরাতে চললো বুলডোজার ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল একের পর এক ব্যাবসায়ী প্রতিষ্ঠান।

রেলের জায়গায় জবরদখল কারীদের উঠে যাওয়ার জন্য, গত ৩০ শে এপ্রিল নোটিশ দিয়ে রেলের তরফে জানানো হয়েছিলো, ২ রা মে এর মধ্যে রেলের জায়গায় জবরদখল কারীদের উঠে যেতে হবে। অন্যথায় রেলের তরফে আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
এই পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীরা তাদের প্রতিষ্ঠান সরিয়ে নেয়ার জন্য রেলের কাছে আবেদন জানান তাদের কিছুটা সময় দেওয়ার জন্য। ব্যাবসায়ীদের আবেদনে সাড়া দিয়ে ১৮ মে পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়।

রেলের বেঁধে দেওয়া সময়ের পার হতেই শুরু হয় উচ্ছেদ প্রক্রিয়া। রাতেই বর্ধমান, শক্তিগড়, চন্দনপুর, ব্যাণ্ডেল ও হাওড়া থেকে আসেন আর পি এফ এর আধিকারিকরা। বর্ধমান থেকে আসেন জি আর পি ও মেমারী থানার পুলিশ। রাত তখন ১১টা শুরু হয় প্রস্তুতি। এড়িয়ে নমিনেশন করতে শুরু করেন আর পি এফ, জি আর পি ও মেমারী থানার পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাতে না যায়, তার জন্য আনা হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান। রাত ১১:১০, একে একে শুরু হয় ব্যাবসায়ী দের সরিয়ে নেওয়া দোকানের অবশিষ্ট অংশ ভাঙার কাজ। মাঝরাতেই চলতে শুরু করে ২ টি বুলডোজার। আনুমানিক রাত প্রায় ২:৩০ পর্যন্ত চলে এই উচ্ছেদ প্রক্রিয়া।

মাঝরাতে ও মেমারী স্টেশনে শুধুই নিরবতার ছবি। ব্যাবসায়ীদের আর্তনাদ কোথায় যাব, কি করব? কি ভাবে চলবে সংসার! চিন্তার ভাঁজ ব্যাবসায়ীদের কপালে। তাদের দাবি ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প কিছু ভাবুক রেল কর্তৃপক্ষ।

বুলডোজার দিয়ে রেলের জবরদখল কারীদের উচ্ছেদ করলো রেল পুলিশ। এই উচ্ছেদ অভিযান সর্বত্র চালানো হচ্ছে। উচ্ছেদের আগে ব্যাবসায়ীরা রেল কর্তৃপক্ষের কাছে পুনর্বাসনের দাবি জানিয়ে ছিলেন , বা অন্যত্র কোন জায়গার ব্যাবস্থা করতেও বলা হয়েছিল।রেল কর্তৃপক্ষ ব্যাবসায়ীদের কোন কথা শোনেনি।
পুনর্বাসনের কোন ব্যাবস্থা না করেই প্রায় ১৫০ টির বেশী ব্যাবসায়ীদের দোকান ঘরগুলি বুলডোজার দিয়ে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেওয়া হলো গভীর রাতে। এই ১৫০ এর বেশী ব্যাবসায়ীদের প্রায় চার শতাধিক সদস্যদের মুখের অন্ন কেরেনিলো রেল।

আগামী ২ মাসের মধ্যে তৃণমূলের পার্টি অফিস ফাঁকা করার নির্দেশ দিয়েছেন বাড়ির মালিক

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মধ্যরাতে মেমারীতে চলল বুলডোজার। ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল একের পর এক দোকান।

আপডেট : ২৫ মে ২০২৬, সোমবার

নূর আহমেদ, মেমারী : হাওড়া, শিয়ালদহের পর এবার মেমারী। মাঝরাতে চললো বুলডোজার ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল একের পর এক ব্যাবসায়ী প্রতিষ্ঠান।

রেলের জায়গায় জবরদখল কারীদের উঠে যাওয়ার জন্য, গত ৩০ শে এপ্রিল নোটিশ দিয়ে রেলের তরফে জানানো হয়েছিলো, ২ রা মে এর মধ্যে রেলের জায়গায় জবরদখল কারীদের উঠে যেতে হবে। অন্যথায় রেলের তরফে আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
এই পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীরা তাদের প্রতিষ্ঠান সরিয়ে নেয়ার জন্য রেলের কাছে আবেদন জানান তাদের কিছুটা সময় দেওয়ার জন্য। ব্যাবসায়ীদের আবেদনে সাড়া দিয়ে ১৮ মে পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়।

রেলের বেঁধে দেওয়া সময়ের পার হতেই শুরু হয় উচ্ছেদ প্রক্রিয়া। রাতেই বর্ধমান, শক্তিগড়, চন্দনপুর, ব্যাণ্ডেল ও হাওড়া থেকে আসেন আর পি এফ এর আধিকারিকরা। বর্ধমান থেকে আসেন জি আর পি ও মেমারী থানার পুলিশ। রাত তখন ১১টা শুরু হয় প্রস্তুতি। এড়িয়ে নমিনেশন করতে শুরু করেন আর পি এফ, জি আর পি ও মেমারী থানার পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাতে না যায়, তার জন্য আনা হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান। রাত ১১:১০, একে একে শুরু হয় ব্যাবসায়ী দের সরিয়ে নেওয়া দোকানের অবশিষ্ট অংশ ভাঙার কাজ। মাঝরাতেই চলতে শুরু করে ২ টি বুলডোজার। আনুমানিক রাত প্রায় ২:৩০ পর্যন্ত চলে এই উচ্ছেদ প্রক্রিয়া।

মাঝরাতে ও মেমারী স্টেশনে শুধুই নিরবতার ছবি। ব্যাবসায়ীদের আর্তনাদ কোথায় যাব, কি করব? কি ভাবে চলবে সংসার! চিন্তার ভাঁজ ব্যাবসায়ীদের কপালে। তাদের দাবি ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প কিছু ভাবুক রেল কর্তৃপক্ষ।

বুলডোজার দিয়ে রেলের জবরদখল কারীদের উচ্ছেদ করলো রেল পুলিশ। এই উচ্ছেদ অভিযান সর্বত্র চালানো হচ্ছে। উচ্ছেদের আগে ব্যাবসায়ীরা রেল কর্তৃপক্ষের কাছে পুনর্বাসনের দাবি জানিয়ে ছিলেন , বা অন্যত্র কোন জায়গার ব্যাবস্থা করতেও বলা হয়েছিল।রেল কর্তৃপক্ষ ব্যাবসায়ীদের কোন কথা শোনেনি।
পুনর্বাসনের কোন ব্যাবস্থা না করেই প্রায় ১৫০ টির বেশী ব্যাবসায়ীদের দোকান ঘরগুলি বুলডোজার দিয়ে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেওয়া হলো গভীর রাতে। এই ১৫০ এর বেশী ব্যাবসায়ীদের প্রায় চার শতাধিক সদস্যদের মুখের অন্ন কেরেনিলো রেল।