২৭ অক্টোবর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১০ কার্তিক ১৪৩৩
২৭ অক্টোবর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

গাছ থেকে ঝরছে জল, চাঞ্চল্য হরিশ্চন্দ্রপুরে

নতুন গতি, হরিশ্চন্দ্রপুর: হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের কনুয়া গ্রামের ভিঙ্গল গ্রাম পঞ্চায়েতের গোপালপুর এলাকার মহারাজ মন্দিরের পাশের একটি গাছ থেকে ফোটা ফোটা জল বেরোতে দেখে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুরের কনুয়া গ্রামে। লকডাউন ভেঙে ভিড় জমেছে ওই এলাকায়। ‌গাছ থেকে ফোটা ফোটা জল পড়তে দেখে গ্রামবাসীরা হতচকিত হয়ে যান। এলাকায় শোরগোল শুরু হয় এবং প্রচুর মানুষের জমায়েত হয় সেই জায়গায়। স্থানীয় কয়েকজন সেখানে ধূপকাঠি জ্বালিয়ে পুজো করেন। উল্লেখ্য গাছটির পাশেই মহারাজ মন্দির রয়েছে।

‌স্থানীয় বাসিন্দা অসীমকুমার মণ্ডল প্রচুর লোকের জমায়েত দেখে হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় খবর দেন। হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি সঞ্জয়কুমার দাস সেই জায়গা খালি করান। এলাকায় মোতায়েন করা হয় সিভিক ভলেন্টিয়ার। একদিকে করোনার সংক্রমণ তার ওপর একের পর এক রহস‍্যজনক ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুরে।

স্থানীয় বিজ্ঞান শিক্ষক স্বর্ণকমল চক্রবর্তী এ প্রসঙ্গে জানান, এর পেছনে কোনও অতিপ্রাকৃতিক ব্যাপার নেই। কয়েকদিনের বৃষ্টির জেরে ফাঁপা গাছের কাণ্ডে জল জমেছে হয়তো। এখন গাছের পাতায় ঝরে পড়ছে। জেলা বিজ্ঞান মঞ্চের সদস্য সুনীল দাস জানিয়েছেন, এর পেছনে কোনো অলৌকিক ব্যাপার নেই। বিজ্ঞানসম্মত কারণেই এমন ঘটনা ঘটছে। জেলা বিজ্ঞান মঞ্চ ঘটনাটি খতিয়ে দেখবে।

খাড়গের বাসভবনের সামনে বিজেপির বিক্ষোভ, আটক করা হয় প্রায় ২০০০ জনকে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

গাছ থেকে ঝরছে জল, চাঞ্চল্য হরিশ্চন্দ্রপুরে

আপডেট : ১১ মে ২০২০, সোমবার

নতুন গতি, হরিশ্চন্দ্রপুর: হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের কনুয়া গ্রামের ভিঙ্গল গ্রাম পঞ্চায়েতের গোপালপুর এলাকার মহারাজ মন্দিরের পাশের একটি গাছ থেকে ফোটা ফোটা জল বেরোতে দেখে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুরের কনুয়া গ্রামে। লকডাউন ভেঙে ভিড় জমেছে ওই এলাকায়। ‌গাছ থেকে ফোটা ফোটা জল পড়তে দেখে গ্রামবাসীরা হতচকিত হয়ে যান। এলাকায় শোরগোল শুরু হয় এবং প্রচুর মানুষের জমায়েত হয় সেই জায়গায়। স্থানীয় কয়েকজন সেখানে ধূপকাঠি জ্বালিয়ে পুজো করেন। উল্লেখ্য গাছটির পাশেই মহারাজ মন্দির রয়েছে।

‌স্থানীয় বাসিন্দা অসীমকুমার মণ্ডল প্রচুর লোকের জমায়েত দেখে হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় খবর দেন। হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি সঞ্জয়কুমার দাস সেই জায়গা খালি করান। এলাকায় মোতায়েন করা হয় সিভিক ভলেন্টিয়ার। একদিকে করোনার সংক্রমণ তার ওপর একের পর এক রহস‍্যজনক ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুরে।

স্থানীয় বিজ্ঞান শিক্ষক স্বর্ণকমল চক্রবর্তী এ প্রসঙ্গে জানান, এর পেছনে কোনও অতিপ্রাকৃতিক ব্যাপার নেই। কয়েকদিনের বৃষ্টির জেরে ফাঁপা গাছের কাণ্ডে জল জমেছে হয়তো। এখন গাছের পাতায় ঝরে পড়ছে। জেলা বিজ্ঞান মঞ্চের সদস্য সুনীল দাস জানিয়েছেন, এর পেছনে কোনো অলৌকিক ব্যাপার নেই। বিজ্ঞানসম্মত কারণেই এমন ঘটনা ঘটছে। জেলা বিজ্ঞান মঞ্চ ঘটনাটি খতিয়ে দেখবে।