পারিজাত মোল্লা : ১৯৪১ সালের ১৬ জানুয়ারি। গভীর রাতে ইংরেজ গোয়েন্দাদের কড়া নজরদারি এড়িয়ে এলগিন রোডের বাড়ি থেকে এক বিপদশঙ্কুল অনিশ্চিত পথে যাত্রা করলেন সুভাষচন্দ্র বসু। সেই মহানিষ্ক্রমণের সঙ্গী ভাইপো শিশিরকুমার বসু। নিজের ওয়ান্ডারার গাড়িতে করে নেতাজিকে গোমো স্টেশনে পৌঁছে দিলেন শিশির। কালকা মেলে চড়ে দিল্লি গেলেন সুভাষ। সেথান থেকে উত্তর পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের পেশোয়ার হয়ে আফগানিস্তানের কাবুল। তার পর মস্কো হয়ে জার্মানি। লক্ষ্য একটাই, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটেন-বিরোধী অক্ষশক্তির সাহায্য নিয়ে ভারতকে স্বাধীন করা। সেই স্বপ্ন সফল করার পথে অনেক দূর পর্যন্ত এগিয়েছিলেন নেতাজি। ভারতের মাটিতে স্বাধীনতার পতাকা উড়িয়েছিল আজাদ হিন্দ ফৌজ। স্বাধীন ভারতের চেহারা কেমন হবে, কোন লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলবে পরাধীনতার শৃঙ্খলামুক্ত দেশ– সেই ছবিটা স্পষ্ট ছিল নেতাজির মনে। নানা বক্তৃতায় বার বার সেই কথা বলেছেন। সীমিত সময়ে স্বাধীন ভারতের সরকারের প্রধান হিসেবে হাতে-কলমে করে দেখিয়েওছেন সেই কাজ। স্বাধীনতার পঁচাত্তর বছর পরে আজ নেতাজির স্বপ্ন কোথায়? তাঁর দেখানো পথে কি এক কদমও এগোতে পারল দেশ? নেতাজির মহানিষ্ক্রমণের যাত্রাপথ আর তাঁর স্বপ্ন-আদর্শের খোঁজে টিভি নাইন বাংলার নিউজ সিরিজ ‘নেতাজি কোথায়?’ এটি দেখা যাবে আগামী ২২ জানুয়ারি, রবিবার, রাত ১০টায়।
১১ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
BREAKING :
নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder
নতুন গতি 


























