২৫ মে ২০২৬, সোমবার, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
২৫ মে ২০২৬, সোমবার, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

আগামী ২ মাসের মধ্যে তৃণমূলের পার্টি অফিস ফাঁকা করার নির্দেশ দিয়েছেন বাড়ির মালিক

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: একেই হয়তো বলে ‘শিরে সংক্রান্তি’। একেই ভোটের এই রেজাল্ট। তার মধ্যে ছাড়তে হবে পার্টি অফিস। ২০২৬ সালটা ভোটেই ভালো যাচ্ছে না তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য। বিশেষ করে ৪ মের পর আচমকা যেন বদলে গিয়েছে সবকিছুই। আসলে ক্ষমতায় থাকার পর আচমকা রাজ্যে পালাবদলে বিরাট ঝড়ের মধ্যে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের মধ্যেই মুখ খুলছেন একের পর এক নেতারা।

বিপত্তির মধ্যেই দুর্যোগ বাড়ল ঘাসফুল শিবিরের জন্য। কলকাতায় দলের অস্থায়ী সদর দফতর হিসেবে ব্যবহৃত বিল্ডিংটি খালি করার কথা জানিয়ে দিলেন বাড়ির মালিক। দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে মৌখিকভাবে এই বিষয়টি তিনি ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। ভোটের রেজাল্টে তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবির পর সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়ে মালিক আশঙ্কা প্রকাশ করে এই পদক্ষেপ নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। পূর্ব কলকাতার মেট্রোপলিটন এলাকায় ভাড়া নেওয়া ওই বিল্ডিং আগামী দু’মাসের মধ্যে খালি করার জন্য দলের নেতৃত্বকে জানিয়েছেন বাড়ির মালিক। তাঁর দাবি, লিজ চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে, তাই বাড়ি এখন খালি করে দিতে হবে।

তৃণমূল সূত্রে খবর, পার্টির পক্ষ থেকে ওই বিল্ডিংয়ের মালিককে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, তারা শীঘ্রই নিজেদের হেডকোয়ার্টার সরিয়ে নেবে। তোপসিয়ায় ২০২২ সালে তৃণমূলের নতুন পার্টি অফিস তৈরির কাজ শুরু হওয়ার পর থেকে ঘাসফুল শিবির ইস্টার্ন মেট্রোপলিটন বাইপাসের পাশের এই বিল্ডিংকেই নিজেদের মূল অফিস হিসেবে ভাড়া নিয়ে ব্যবহার করছিল। কিন্তু এখন তা আর সম্ভব হচ্ছে না।

তৃণমূল নেতা ও বিধায়ক কুণাল ঘোষ এই প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, তৃণমূল কংগ্রেসের মূল অফিসে পুনর্নির্মাণের কাজ চলছিল বলে, এখানকার একটি বাড়ি সাময়িকভাবে তৃণমূল ভবন হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। এখন, তৃণমূলের আসল সদর দফতরটি প্রায় তৈরি। এখন, আমাদের দলীয় নেতৃত্ব বিল্ডিংয়ের মালিকের সঙ্গে আলোচনা করছে, এটি উভয়ের মধ্যে একটি সম্পূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বিষয়। অস্থায়ী তৃণমূল ভবনের বিল্ডিংয়ের মালিকের সঙ্গে দল যোগাযোগ রাখছে বলেও জানান কুণাল ঘোষ।

ফলতায় তৃণমূলের শেষ পেরেক বলেই অনেকে মনে করছেন

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

আগামী ২ মাসের মধ্যে তৃণমূলের পার্টি অফিস ফাঁকা করার নির্দেশ দিয়েছেন বাড়ির মালিক

আপডেট : ২৫ মে ২০২৬, সোমবার

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: একেই হয়তো বলে ‘শিরে সংক্রান্তি’। একেই ভোটের এই রেজাল্ট। তার মধ্যে ছাড়তে হবে পার্টি অফিস। ২০২৬ সালটা ভোটেই ভালো যাচ্ছে না তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য। বিশেষ করে ৪ মের পর আচমকা যেন বদলে গিয়েছে সবকিছুই। আসলে ক্ষমতায় থাকার পর আচমকা রাজ্যে পালাবদলে বিরাট ঝড়ের মধ্যে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের মধ্যেই মুখ খুলছেন একের পর এক নেতারা।

বিপত্তির মধ্যেই দুর্যোগ বাড়ল ঘাসফুল শিবিরের জন্য। কলকাতায় দলের অস্থায়ী সদর দফতর হিসেবে ব্যবহৃত বিল্ডিংটি খালি করার কথা জানিয়ে দিলেন বাড়ির মালিক। দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে মৌখিকভাবে এই বিষয়টি তিনি ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। ভোটের রেজাল্টে তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবির পর সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়ে মালিক আশঙ্কা প্রকাশ করে এই পদক্ষেপ নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। পূর্ব কলকাতার মেট্রোপলিটন এলাকায় ভাড়া নেওয়া ওই বিল্ডিং আগামী দু’মাসের মধ্যে খালি করার জন্য দলের নেতৃত্বকে জানিয়েছেন বাড়ির মালিক। তাঁর দাবি, লিজ চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে, তাই বাড়ি এখন খালি করে দিতে হবে।

তৃণমূল সূত্রে খবর, পার্টির পক্ষ থেকে ওই বিল্ডিংয়ের মালিককে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, তারা শীঘ্রই নিজেদের হেডকোয়ার্টার সরিয়ে নেবে। তোপসিয়ায় ২০২২ সালে তৃণমূলের নতুন পার্টি অফিস তৈরির কাজ শুরু হওয়ার পর থেকে ঘাসফুল শিবির ইস্টার্ন মেট্রোপলিটন বাইপাসের পাশের এই বিল্ডিংকেই নিজেদের মূল অফিস হিসেবে ভাড়া নিয়ে ব্যবহার করছিল। কিন্তু এখন তা আর সম্ভব হচ্ছে না।

তৃণমূল নেতা ও বিধায়ক কুণাল ঘোষ এই প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, তৃণমূল কংগ্রেসের মূল অফিসে পুনর্নির্মাণের কাজ চলছিল বলে, এখানকার একটি বাড়ি সাময়িকভাবে তৃণমূল ভবন হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। এখন, তৃণমূলের আসল সদর দফতরটি প্রায় তৈরি। এখন, আমাদের দলীয় নেতৃত্ব বিল্ডিংয়ের মালিকের সঙ্গে আলোচনা করছে, এটি উভয়ের মধ্যে একটি সম্পূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বিষয়। অস্থায়ী তৃণমূল ভবনের বিল্ডিংয়ের মালিকের সঙ্গে দল যোগাযোগ রাখছে বলেও জানান কুণাল ঘোষ।