২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩

বাঁকুড়ার দুঃস্থ শিক্ষার্থীর পাশে শিক্ষক

নিজস্ব সংবাদদাতা, নতুন গতি, বাঁকুড়া: মানুষের পাশে দাঁড়াতে আবারও মানবিক মুখ নিয়ে এগিয়ে এলেন শিক্ষক হেরম্বনাথ চক্রবর্তী। বাঁকুড়া জেলার বাঁকুড়া এক নম্বর ব্লকের অন্তর্গত দাবড়া গ্রামের বাসিন্দা রাখহরি মণ্ডল, জগদ্দল্লা গোড়াবাড়ি মহাত্মা গান্ধী স্মৃতি বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র।মা,বাবা ও ছোট ভাই নিয়ে তাদের চারজনের সংসার।বাবা অজিত মন্ডল স্নায়ুর রোগে আক্রান্ত। ছোট ভাই ও মানসিক প্রতিবন্ধী. দারিদ্র তাদের নিত্যসঙ্গী। মায়ের ভেজে দেওয়া মুড়ি বস্তায় করে সাইকেলে চাপিয়ে, বিক্রি করতে করতে ছোট্ট রাখহরি পৌঁছে যায় গ্রাম থেকে দূরে বাঁকুড়া শহরে। ফিরতে দেরি হলে আর স্কুলে যাওয়া হয় না। এখন অবশ্য করোনা আবহে স্কুল বন্ধ।আরৎ হয়। এভাবেই রাখহরির অর্জিত অর্থে সংসার চলে। “লাল মাটির দেশ ” বাঁকুড়ার এই ছেলেটির জেদ, সততা, পরিশ্রম ও অধ্যাবসায় দেখে পরিবারটির পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে এলেন বাঁকুড়ার ভূমিপুত্র তথা জঙ্গলমহল এলাকার মানবদরদী শিক্ষক হেরম্ব নাথ চক্রবর্তী।হেরম্ব বাবু,ঝাড়গ্রাম জেলার গোপীবল্লভপুর এক নম্বর ব্লকের অন্তর্গত নয়াবসান জনকল্যান বিদ্যাপীঠের সংস্কৃত বিষয়ের শিক্ষক।

 

রবিবার দিন হেরম্ববাবু রাখহরিদের বাড়িতে গিয়ে রাখহরির হাতে স্কুল ব্যাগ, খাতা, জ্যামিতি বক্স,কলমসহ অন্যান্য শিক্ষা উপকরন ও ছাতু,দুধ,বিস্কুট, সোয়াবিন, কোলগেট, সাবান,মাস্ক প্রভৃতি নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য এবং শীতবস্ত্র তুলে দেন। পাশাপাশি স্নায়ুর রোগে আক্রান্ত অজিতবাবুর চিকিৎসার জন্য কিছু অর্থও পরিবারটির হাতে তুলে দেন হেরম্ব বাবু।ছেলেটির জেঠিমা বলেন, পরিবারটি খুবই গরিব. রাখহরি ছেলেটি পড়াশোনাতেও ভালো, হেরম্ববাবুর মতো অন্যান্য সহৃদয় ব্যক্তিরা যদি এভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন তাহলে খুবই উপকার হয়।

বর্ধমান সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভের উদ্যোগে ৭৪তম বিশ্বকর্মা পূজা ও মিলন উৎসব উদযাপিত।

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বাঁকুড়ার দুঃস্থ শিক্ষার্থীর পাশে শিক্ষক

আপডেট : ১৮ জানুয়ারী ২০২১, সোমবার

নিজস্ব সংবাদদাতা, নতুন গতি, বাঁকুড়া: মানুষের পাশে দাঁড়াতে আবারও মানবিক মুখ নিয়ে এগিয়ে এলেন শিক্ষক হেরম্বনাথ চক্রবর্তী। বাঁকুড়া জেলার বাঁকুড়া এক নম্বর ব্লকের অন্তর্গত দাবড়া গ্রামের বাসিন্দা রাখহরি মণ্ডল, জগদ্দল্লা গোড়াবাড়ি মহাত্মা গান্ধী স্মৃতি বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র।মা,বাবা ও ছোট ভাই নিয়ে তাদের চারজনের সংসার।বাবা অজিত মন্ডল স্নায়ুর রোগে আক্রান্ত। ছোট ভাই ও মানসিক প্রতিবন্ধী. দারিদ্র তাদের নিত্যসঙ্গী। মায়ের ভেজে দেওয়া মুড়ি বস্তায় করে সাইকেলে চাপিয়ে, বিক্রি করতে করতে ছোট্ট রাখহরি পৌঁছে যায় গ্রাম থেকে দূরে বাঁকুড়া শহরে। ফিরতে দেরি হলে আর স্কুলে যাওয়া হয় না। এখন অবশ্য করোনা আবহে স্কুল বন্ধ।আরৎ হয়। এভাবেই রাখহরির অর্জিত অর্থে সংসার চলে। “লাল মাটির দেশ ” বাঁকুড়ার এই ছেলেটির জেদ, সততা, পরিশ্রম ও অধ্যাবসায় দেখে পরিবারটির পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে এলেন বাঁকুড়ার ভূমিপুত্র তথা জঙ্গলমহল এলাকার মানবদরদী শিক্ষক হেরম্ব নাথ চক্রবর্তী।হেরম্ব বাবু,ঝাড়গ্রাম জেলার গোপীবল্লভপুর এক নম্বর ব্লকের অন্তর্গত নয়াবসান জনকল্যান বিদ্যাপীঠের সংস্কৃত বিষয়ের শিক্ষক।

 

রবিবার দিন হেরম্ববাবু রাখহরিদের বাড়িতে গিয়ে রাখহরির হাতে স্কুল ব্যাগ, খাতা, জ্যামিতি বক্স,কলমসহ অন্যান্য শিক্ষা উপকরন ও ছাতু,দুধ,বিস্কুট, সোয়াবিন, কোলগেট, সাবান,মাস্ক প্রভৃতি নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য এবং শীতবস্ত্র তুলে দেন। পাশাপাশি স্নায়ুর রোগে আক্রান্ত অজিতবাবুর চিকিৎসার জন্য কিছু অর্থও পরিবারটির হাতে তুলে দেন হেরম্ব বাবু।ছেলেটির জেঠিমা বলেন, পরিবারটি খুবই গরিব. রাখহরি ছেলেটি পড়াশোনাতেও ভালো, হেরম্ববাবুর মতো অন্যান্য সহৃদয় ব্যক্তিরা যদি এভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন তাহলে খুবই উপকার হয়।