১১ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
১১ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

অসহায়ের পাশে তপতী পাবলিশার্স

নিজস্ব সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: আবারও মানবিক মুখ নিয়ে সমস্যায় থাকা মানুষের পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে এলো রাজ্যের অন্যতম জনপ্রিয় প্রকাশনা সংস্থা তপতী পাবলিশার্স। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশপুর ব্লকের ঝেঁতলা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকাধীন টাঙাগেড়্যা গ্রামের বাসিন্দা কিশলয় জানার স্ত্রী জনতা রাণী জানা সম্প্রতি সেরিব্রাল স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে চলাফেরার ক্ষমতা হারিয়েছেন । দুঃস্থ পরিবারটি সংকটাপন্ন জনতা রাণীর জন্য একটি হুইল চেয়ার চেয়ে আবেদন জানান সমাজকর্মী শিক্ষক স্নেহাশিস চৌধুরী সহ অন্যান্যদের কাছে। স্নেহাশিস চৌধুরী মারফত হুইল চেয়ারের প্রয়োজনীয়তার খবর পৌঁছায় তপতী পাবলিশার্স এর কর্ণাধার রিংকু চক্রবর্তীর কাছে।

খবর পেয়ে পরিবারটির পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে আসেন রিংকু বাবু। রিংকু বাবু সপরিবারে জনতা দেবীর বাড়ি গিয়ে প্রয়োজনীয় একটি হুইল চেয়ার পরিবারের সদস্যদের হাতে তুলে দেন। রিংকুবাবুর পরিবারের পাশাপাশি এই কর্মসূচিতে স্নেহাশিস বাবু এবং তপতী পাবলিশার্স এর সহকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য রিংকুবাবু প্রায়শ‌ই দুঃস্থ, মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার চেষ্টা করেন। পাশাপাশি নানাবিধ সমাজ কল্যাণকর কাজে যুক্ত থাকেন। হুইল চেয়ার পেয়ে জনতা দেবীর পরিবারে লোকেরা অনেকটা স্বস্তি পেলেন। জনতা দেবীর স্বামী কিশলয় জানা বলেন” পৃথিবীতে এমন মানুষ আছেন বলে সমাজ এখনো সুন্দর।” এমন একটি মানবিক কাজ করতে পেরে রিংকু বাবুও মানসিক ভাবে তৃপ্ত হয়েছেন।

এবার আরো ধাক্কা তৃণমূলে, পদত্যাগ রাজ্যসভার সদস্য সুস্মিতা দেবের

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

অসহায়ের পাশে তপতী পাবলিশার্স

আপডেট : ৯ মে ২০২৩, মঙ্গলবার

নিজস্ব সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: আবারও মানবিক মুখ নিয়ে সমস্যায় থাকা মানুষের পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে এলো রাজ্যের অন্যতম জনপ্রিয় প্রকাশনা সংস্থা তপতী পাবলিশার্স। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশপুর ব্লকের ঝেঁতলা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকাধীন টাঙাগেড়্যা গ্রামের বাসিন্দা কিশলয় জানার স্ত্রী জনতা রাণী জানা সম্প্রতি সেরিব্রাল স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে চলাফেরার ক্ষমতা হারিয়েছেন । দুঃস্থ পরিবারটি সংকটাপন্ন জনতা রাণীর জন্য একটি হুইল চেয়ার চেয়ে আবেদন জানান সমাজকর্মী শিক্ষক স্নেহাশিস চৌধুরী সহ অন্যান্যদের কাছে। স্নেহাশিস চৌধুরী মারফত হুইল চেয়ারের প্রয়োজনীয়তার খবর পৌঁছায় তপতী পাবলিশার্স এর কর্ণাধার রিংকু চক্রবর্তীর কাছে।

খবর পেয়ে পরিবারটির পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে আসেন রিংকু বাবু। রিংকু বাবু সপরিবারে জনতা দেবীর বাড়ি গিয়ে প্রয়োজনীয় একটি হুইল চেয়ার পরিবারের সদস্যদের হাতে তুলে দেন। রিংকুবাবুর পরিবারের পাশাপাশি এই কর্মসূচিতে স্নেহাশিস বাবু এবং তপতী পাবলিশার্স এর সহকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য রিংকুবাবু প্রায়শ‌ই দুঃস্থ, মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার চেষ্টা করেন। পাশাপাশি নানাবিধ সমাজ কল্যাণকর কাজে যুক্ত থাকেন। হুইল চেয়ার পেয়ে জনতা দেবীর পরিবারে লোকেরা অনেকটা স্বস্তি পেলেন। জনতা দেবীর স্বামী কিশলয় জানা বলেন” পৃথিবীতে এমন মানুষ আছেন বলে সমাজ এখনো সুন্দর।” এমন একটি মানবিক কাজ করতে পেরে রিংকু বাবুও মানসিক ভাবে তৃপ্ত হয়েছেন।