২৬ অক্টোবর ২০২৬, সোমবার, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
২৬ অক্টোবর ২০২৬, সোমবার, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

সারদা কান্ডে ফের সিবিআইয়ের মুখে অর্ণব ঘোষ

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ১৪ নভেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার
  • 44

নতুন গতি প্রতিবেদক, কলকাতা: ফের সারদা তদন্তের পুলিশ অফিসার অর্ণব ঘোষকে জিজ্ঞাসাবাদ করল সিবিআই আধিকারিকরা। বৃহস্পতিবার সকালে সিবিআই দফতরে হাজির হন তিনি। বিধাননগর কমিশনারেটের গোয়েন্দা প্রধান ছিলেন তিনি। সারদা কেলেঙ্কারির তদন্তে রাজ্য পুলিশের তৈরি বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট)-এর গুরুত্বপূর্ণ কর্তা ছিলেন এই অর্ণব ঘোষ।
এর আগেও সিজিও কমপ্লেক্স অর্থাৎ সিবিআই দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন অর্ণব ঘোষ। সারদা তদন্তে যে সিট গঠন করা হয়েছিল, তাতে দু’নম্বর তদন্তকারী আধিকারিক হিসেবে ছিলেন অর্ণব ঘোষ। রাজীব কুমারের পরই সিটের দ্বিতীয় শীর্ষ আধিকারিক ছিলেন অর্ণব ঘোষ। সেসময় বিধাননগরের ডিসি ডিডিও ছিলেন তিনি। এর আগে একাধিক জেলার পুলিশ সুপার পদেও কর্মরত ছিলেন অর্ণব। সম্প্রতি তাঁকে এসএস সিআইডি পদে নিযুক্ত করা হয়েছে। অর্ণব ঘোষকে সিবিআইয়ের জেরা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।
প্রশঙ্গত,সারদা-কাণ্ডের বহু তথ্যপ্রমাণ লোপাট ও বিকৃত করেছে সিট বলে অভিযোগ। আর সেই বিকৃতি ও লোপাটের কাজ হয়েছে রাজীব কুমারের নির্দেশেই। এ ব্যাপারে কোনও কিছুই অর্ণবের অজানা থাকার কথা নয়। ওই সব তথ্যপ্রমাণ লোপাট ও বিকৃতির ক্ষেত্রে অর্ণবেরও যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে। তাই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বার বার সমন পাঠানো হচ্ছিল অর্ণবকে। জেরা এড়াতে অর্ণব হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন।
এর পর সারদা তদন্তে পুলিশি অসহযোগিতার অভিযোগ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় সিবিআই। তাতে শীর্ষ আদালত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার অনুমতি দেয় সিবিআইকে। তার ফলে, অর্ণব যে মামলা করেছেন হাইকোর্টে, তা অপ্রাসঙ্গিক হয়ে গিয়েছে। ফলে, রাজীব কুমারের মতো জেরা না এড়িয়ে এ দিন সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে সিবিআইয়ের দফতরে হাজির হন অর্ণব।তারপর তাকে ফের একবার তলব করে সিবিআই। তাই তিনি সাতসকালে হাজির হন সিবিআই দফতরে। সেখানে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করল সিবিআই আধিকারিকরা।

রাজধানীতে ‘জ্ঞানেশ হটাও’ মিছিলের ডাক

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

সারদা কান্ডে ফের সিবিআইয়ের মুখে অর্ণব ঘোষ

আপডেট : ১৪ নভেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার

নতুন গতি প্রতিবেদক, কলকাতা: ফের সারদা তদন্তের পুলিশ অফিসার অর্ণব ঘোষকে জিজ্ঞাসাবাদ করল সিবিআই আধিকারিকরা। বৃহস্পতিবার সকালে সিবিআই দফতরে হাজির হন তিনি। বিধাননগর কমিশনারেটের গোয়েন্দা প্রধান ছিলেন তিনি। সারদা কেলেঙ্কারির তদন্তে রাজ্য পুলিশের তৈরি বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট)-এর গুরুত্বপূর্ণ কর্তা ছিলেন এই অর্ণব ঘোষ।
এর আগেও সিজিও কমপ্লেক্স অর্থাৎ সিবিআই দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন অর্ণব ঘোষ। সারদা তদন্তে যে সিট গঠন করা হয়েছিল, তাতে দু’নম্বর তদন্তকারী আধিকারিক হিসেবে ছিলেন অর্ণব ঘোষ। রাজীব কুমারের পরই সিটের দ্বিতীয় শীর্ষ আধিকারিক ছিলেন অর্ণব ঘোষ। সেসময় বিধাননগরের ডিসি ডিডিও ছিলেন তিনি। এর আগে একাধিক জেলার পুলিশ সুপার পদেও কর্মরত ছিলেন অর্ণব। সম্প্রতি তাঁকে এসএস সিআইডি পদে নিযুক্ত করা হয়েছে। অর্ণব ঘোষকে সিবিআইয়ের জেরা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।
প্রশঙ্গত,সারদা-কাণ্ডের বহু তথ্যপ্রমাণ লোপাট ও বিকৃত করেছে সিট বলে অভিযোগ। আর সেই বিকৃতি ও লোপাটের কাজ হয়েছে রাজীব কুমারের নির্দেশেই। এ ব্যাপারে কোনও কিছুই অর্ণবের অজানা থাকার কথা নয়। ওই সব তথ্যপ্রমাণ লোপাট ও বিকৃতির ক্ষেত্রে অর্ণবেরও যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে। তাই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বার বার সমন পাঠানো হচ্ছিল অর্ণবকে। জেরা এড়াতে অর্ণব হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন।
এর পর সারদা তদন্তে পুলিশি অসহযোগিতার অভিযোগ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় সিবিআই। তাতে শীর্ষ আদালত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার অনুমতি দেয় সিবিআইকে। তার ফলে, অর্ণব যে মামলা করেছেন হাইকোর্টে, তা অপ্রাসঙ্গিক হয়ে গিয়েছে। ফলে, রাজীব কুমারের মতো জেরা না এড়িয়ে এ দিন সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে সিবিআইয়ের দফতরে হাজির হন অর্ণব।তারপর তাকে ফের একবার তলব করে সিবিআই। তাই তিনি সাতসকালে হাজির হন সিবিআই দফতরে। সেখানে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করল সিবিআই আধিকারিকরা।