১১ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
১১ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সাপের কামড়ে আর মৃত্যু নয় সাইকেল চালিয়ে জনসচেতনতার বার্তা

বাবলু হাসান লস্কর, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা :
ক্যানিংয়ের যুক্তিবাদী ও সংস্কৃতিক সংস্থার নয় সদস্যের প্রতিনিধি দল আজ দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার ২৯ টি ব্লকে, “সাপের কামড়ে আর মৃত্যু নয়” এমনি প্রচার শুরু করলেন। চলবে ১০ই ফেব্রুয়ারি ২০২২ পর্যন্ত। সুন্দরবনের প্রতিটি ব্লকে তারা সাপের কামড়ে মৃত্যু নয় এমনই সাইকেল চালিয়ে গাঙ্গেয় সুন্দরবনের বিভিন্ন প্রান্তে জনসচেতনতার বার্তা দেবেন। জয়নগর বিধানসভার পদ্মের হাট গ্রামীণ হাসপাতাল থেকে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই যাত্রার শুভ সূচনা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বারাইপুর পুলিশ জেলার অ্যাডিশনাল এস পি ইন্দ্রজিৎ বসু, জয়নগর এক ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক, পদ্মের হাট হাসপাতালের বি এম ও এইচ, সভাপতি, কর্মদক্ষ সহ সংস্থার কর্মকর্তারা ও এলাকার মানুষজন।

দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার প্রতিটি ব্লকে তারা অলিতে গলিতে সচেতনার বার্তা দিতে পৌছে যাবেন। পশ্চিমবঙ্গে প্রতি বছরে ১৬.৭ শতাংশ শিশু মৃত্যু হয় সাপের কামড়ে। প্রতি বছরে তারা এমনই উদ্যোগ গ্রহণ করেন। আর এ প্রসঙ্গে ডক্টর সমরেন্দ্রনাথ রায় বলেন, বিশেষ করে গাঙ্গেয় সুন্দরবন এলাকায় এই সাপের কামড়ে মানুষ মারা যাওয়ার কারণ গুলির মধ্যে অন্যতম তড়িঘড়ি তারা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে না নিয়ে গিয়ে ওঝার কাছে নিয়ে যাচ্ছেন। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে তাকে AVS দিলে তারা তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়। এবং অযথা রোগীকে ভয়-ভীতি না দেখিয়ে সান্তনা দিন রোগীকে তবে তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়।

এবার আরো ধাক্কা তৃণমূলে, পদত্যাগ রাজ্যসভার সদস্য সুস্মিতা দেবের

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

সাপের কামড়ে আর মৃত্যু নয় সাইকেল চালিয়ে জনসচেতনতার বার্তা

আপডেট : ১ মার্চ ২০২২, মঙ্গলবার

বাবলু হাসান লস্কর, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা :
ক্যানিংয়ের যুক্তিবাদী ও সংস্কৃতিক সংস্থার নয় সদস্যের প্রতিনিধি দল আজ দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার ২৯ টি ব্লকে, “সাপের কামড়ে আর মৃত্যু নয়” এমনি প্রচার শুরু করলেন। চলবে ১০ই ফেব্রুয়ারি ২০২২ পর্যন্ত। সুন্দরবনের প্রতিটি ব্লকে তারা সাপের কামড়ে মৃত্যু নয় এমনই সাইকেল চালিয়ে গাঙ্গেয় সুন্দরবনের বিভিন্ন প্রান্তে জনসচেতনতার বার্তা দেবেন। জয়নগর বিধানসভার পদ্মের হাট গ্রামীণ হাসপাতাল থেকে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই যাত্রার শুভ সূচনা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বারাইপুর পুলিশ জেলার অ্যাডিশনাল এস পি ইন্দ্রজিৎ বসু, জয়নগর এক ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক, পদ্মের হাট হাসপাতালের বি এম ও এইচ, সভাপতি, কর্মদক্ষ সহ সংস্থার কর্মকর্তারা ও এলাকার মানুষজন।

দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার প্রতিটি ব্লকে তারা অলিতে গলিতে সচেতনার বার্তা দিতে পৌছে যাবেন। পশ্চিমবঙ্গে প্রতি বছরে ১৬.৭ শতাংশ শিশু মৃত্যু হয় সাপের কামড়ে। প্রতি বছরে তারা এমনই উদ্যোগ গ্রহণ করেন। আর এ প্রসঙ্গে ডক্টর সমরেন্দ্রনাথ রায় বলেন, বিশেষ করে গাঙ্গেয় সুন্দরবন এলাকায় এই সাপের কামড়ে মানুষ মারা যাওয়ার কারণ গুলির মধ্যে অন্যতম তড়িঘড়ি তারা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে না নিয়ে গিয়ে ওঝার কাছে নিয়ে যাচ্ছেন। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে তাকে AVS দিলে তারা তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়। এবং অযথা রোগীকে ভয়-ভীতি না দেখিয়ে সান্তনা দিন রোগীকে তবে তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়।